০২:০৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের তফসিল ঘোষণার অপেক্ষায় দেশ

হক বার্তা ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময়ঃ ০১:০৫:২০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / ৫১ বার পড়া হয়েছে।

‎ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের তফসিল ঘোষণার অপেক্ষায় পুরো দেশ। আজ বা আগামীকাল ঘোষণা আসছে সেই কাঙ্ক্ষিত তফসিল। প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করবেন।

 

সিইসি’র তফসিল ঘোষণার বক্তব্য রেডিও ও টেলিভিশনে প্রচার করা হবে। বুধবার বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) ও বাংলাদেশ বেতারে সিইসি’র বক্তব্য রেকর্ড করা হবে। সে অনুযায়ী মঙ্গলবার বিটিভি’র একটি দল মহড়াও দিয়ে গেছে।

 

নির্বাচনের প্রস্তুতি তুলে ধরে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে রোববারই সাক্ষাৎ করেছেন সিইসি ও চার কমিশনার। মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। আজ (বুধবার) প্রেসিডেন্ট মো. সাহাবুদ্দিনের সঙ্গে দুপুরে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবে ইসি। প্রেসিডেন্টের সঙ্গে সাক্ষাতের পর যেকোনো সময় তফসিল ঘোষণা হতে পারে।

‎প্রথমবারের মতো সংসদ নির্বাচন ও গণভোট একসঙ্গে হতে যাচ্ছে। ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে পোস্টাল ভোটিং যুক্ত হয়েছে আর তৃতীয় গণভোটও দিতে পারবেন নিবন্ধিত প্রবাসী বাংলাদেশিরা। বিএনপি, জামায়াত, এনসিপিসহ অর্ধশতাধিক দল ভোটে অংশ নিতে পারছে এবার। তবে দলীয় প্রতীকে আওয়ামী লীগের ভোটে অংশ নেয়ার সুযোগ নেই বললেই চলে। আওয়ামী লীগের সঙ্গে জোটে থাকা দলগুলোও দোলাচলে আছে।

‎ওদিকে প্রেসিডেন্টের সঙ্গে সাক্ষাতের পর প্রধান নির্বাচন কমিশনারের ভাষণের মাধ্যমে তফসিল ঘোষণার প্রস্তুতি চলছে। ভাষণের কপিও চূড়ান্ত করে রাখা হচ্ছে। বুধবার ভাষণ রেকর্ড করার জন্য বিটিভি ও বেতারকে ডাকা হয়েছে। ১০ই ডিসেম্বর সন্ধ্যায় সম্ভব না হলে ১১ই ডিসেম্বর তফসিল ঘোষণা করা হবে।

‎জানতে চাইলে নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ সার্বিক অগ্রগতি তুলে ধরে মানবজমিনকে বলেন, আমাদের তফসিল ঘোষণার অপেক্ষা মাত্র। তফসিল ঘোষণার আগে আমাদের যে প্রস্তুতি রয়েছে তার সবই সম্পন্ন হয়েছে।

 

১০ নাকি ১১ই ডিসেম্বর এমন প্রশ্নের উত্তরে এই নির্বাচন কমিশনার বলেন, আমরা গণমাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে যা বলেছি তাই। এর বাইরে আলাদা করে কাউকে বলা সম্ভব নয়। মানে সুনির্দিষ্ট করে বলছি না- কাল না পরশু ঘোষণা করা হবে তফসিল। তবে তফসিলের যাবতীয় প্রস্তুতি কমিশন নিয়ে রেখেছে।

‎এদিকে ভোটের জন্য চেকলিস্ট প্রসঙ্গে জানতে চাইলে নির্বাচন কমিশনার মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার নির্বাচনের শেষ পর্যায়ের প্রস্তুতি সম্বন্ধে জানান, আমাদের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন। তফসিল ঘোষণা এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র। তফসিল ঘোষণার জন্য যেসব প্রস্তুতি প্রয়োজন; সেসব প্রস্তুতি গ্রহণ করে রেখেছে ইসি।

 

আসন বিন্যাস, আইন অনুযায়ী রিটার্নিং অফিসার, সহকারী রিটার্নিং অফিসার যারা থাকবেন তাদের প্রজ্ঞাপন, বিভিন্ন বিষয়ে ২০টির মতো পরিপত্র জারি হবে। সেখানে মোবাইল কোর্ট, ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ, ইলেক্টোরাল ইনকোয়ারি কমিটি নিয়োগ, বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ, মনিটরিং সেল গঠন, আইনশৃঙ্খলার সেল গঠন এগুলোর ফরমেটগুলো রেডি রয়েছে। তফসিল ঘোষণার পরপর সেগুলো ধারাবাহিকভাবে আমরা জারি করবো।

‎আচরণবিধি প্রতিপালনে কঠোর থাকবে জানিয়ে আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেন, তফসিল ঘোষণার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে নিজ নিজ দায়িত্বে সম্ভাব্য প্রার্থীদের আগাম প্রচার সামগ্রী সরাতে হবে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের যথাযথ ব্যবস্থা নিতে বলা হচ্ছে, তারাও প্রস্তুত। আচরণবিধি লঙ্ঘন করলে প্রয়োজনে সর্বোচ্চ কঠোরতা নেয়া হবে।

‎উপদেষ্টারা পদে থেকে ভোটে নয়:

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টারা ভোটে অংশ নিতে পারবেন না বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ জানান, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টারাও পদে বহাল থেকে ভোটে অংশ নিতে পারেনি। অন্তর্বর্তীকালীন এবারের সরকারও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের মতো। সাম্প্রতিক আদালতের রায়ের পর্যবেক্ষণেও বিষয়টি রয়েছে। তিনি বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টারা ভোটে পদে থেকে অংশগ্রহণের সুযোগ নেই। কেউ নির্বাচন করতে চাইলে পদত্যাগ করে ভোটে অংশ নিতে হবে।

 

রাজনৈতিক দলগুলো ভোটকে সামনে রেখে নানা মত দিলেও তাতে চ্যালেঞ্জ নেই বলে মনে করেন নির্বাচন কশিনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ। তিনি বলেন, দলগুলো তাদের অবস্থান জানাচ্ছে। আমরা ভোটের জন্য প্রস্তুত। এ নিয়ে কোনো মন্তব্য নয়। আমাদের সামনে চ্যালেঞ্জ আছে বলে আর মনে করি না। এ নির্বাচন কমিশনার জানান, নিবন্ধিত দলগুলো ভোটের জন্য প্রস্তুত; অংশ নেয়াও তাদের অধিকার। ভোটের পরিবেশ তৈরি করতে কমিশন বদ্ধপরিকর।

‎নির্বাচন কমিশন ইতিমধ্যে ভোটের পরিবেশ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ রাখতে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। নির্বাচন কমিশনাররা প্রত্যেকটি বিভাগের সাথে সমন্বয় করে কাজ করছেন যাতে ভোটাররা নির্বিঘ্নে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সতর্ক অবস্থানে রাখা হয়েছে এবং নির্বাচনী এলাকায় শান্তি বজায় রাখতে তাদের বিশেষ নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।

‎এছাড়া, ভোটের দিন ভোটকেন্দ্রগুলোতে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করার জন্য বিশেষ পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশন আশা করছে যে, সকল রাজনৈতিক দল ও ভোটাররা সহযোগিতা করবেন এবং একটি সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন সম্পন্ন হবে।

‎নির্বাচন কমিশন জনগণের আস্থা অর্জনের জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং তারা বিশ্বাস করে যে, এই নির্বাচন দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে আরও শক্তিশালী করবে। ভোটারদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে বিভিন্ন প্রচারণা চালানো হচ্ছে এবং জনগণকে ভোটদানে উৎসাহিত করা হচ্ছে।

‎নির্বাচন কমিশন সকলের সহযোগিতা কামনা করছে এবং আশা করছে যে, এই নির্বাচনের মাধ্যমে দেশের গণতন্ত্র আরও সুসংহত হবে।

 

‎তথ্যসহায়তাঃমানবজমিন

নিউজটি শেয়ার করুন

বিস্তারিত লিখুনঃ

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের তফসিল ঘোষণার অপেক্ষায় দেশ

আপডেট সময়ঃ ০১:০৫:২০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২৫

‎ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের তফসিল ঘোষণার অপেক্ষায় পুরো দেশ। আজ বা আগামীকাল ঘোষণা আসছে সেই কাঙ্ক্ষিত তফসিল। প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করবেন।

 

সিইসি’র তফসিল ঘোষণার বক্তব্য রেডিও ও টেলিভিশনে প্রচার করা হবে। বুধবার বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) ও বাংলাদেশ বেতারে সিইসি’র বক্তব্য রেকর্ড করা হবে। সে অনুযায়ী মঙ্গলবার বিটিভি’র একটি দল মহড়াও দিয়ে গেছে।

 

নির্বাচনের প্রস্তুতি তুলে ধরে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে রোববারই সাক্ষাৎ করেছেন সিইসি ও চার কমিশনার। মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। আজ (বুধবার) প্রেসিডেন্ট মো. সাহাবুদ্দিনের সঙ্গে দুপুরে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবে ইসি। প্রেসিডেন্টের সঙ্গে সাক্ষাতের পর যেকোনো সময় তফসিল ঘোষণা হতে পারে।

‎প্রথমবারের মতো সংসদ নির্বাচন ও গণভোট একসঙ্গে হতে যাচ্ছে। ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে পোস্টাল ভোটিং যুক্ত হয়েছে আর তৃতীয় গণভোটও দিতে পারবেন নিবন্ধিত প্রবাসী বাংলাদেশিরা। বিএনপি, জামায়াত, এনসিপিসহ অর্ধশতাধিক দল ভোটে অংশ নিতে পারছে এবার। তবে দলীয় প্রতীকে আওয়ামী লীগের ভোটে অংশ নেয়ার সুযোগ নেই বললেই চলে। আওয়ামী লীগের সঙ্গে জোটে থাকা দলগুলোও দোলাচলে আছে।

‎ওদিকে প্রেসিডেন্টের সঙ্গে সাক্ষাতের পর প্রধান নির্বাচন কমিশনারের ভাষণের মাধ্যমে তফসিল ঘোষণার প্রস্তুতি চলছে। ভাষণের কপিও চূড়ান্ত করে রাখা হচ্ছে। বুধবার ভাষণ রেকর্ড করার জন্য বিটিভি ও বেতারকে ডাকা হয়েছে। ১০ই ডিসেম্বর সন্ধ্যায় সম্ভব না হলে ১১ই ডিসেম্বর তফসিল ঘোষণা করা হবে।

‎জানতে চাইলে নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ সার্বিক অগ্রগতি তুলে ধরে মানবজমিনকে বলেন, আমাদের তফসিল ঘোষণার অপেক্ষা মাত্র। তফসিল ঘোষণার আগে আমাদের যে প্রস্তুতি রয়েছে তার সবই সম্পন্ন হয়েছে।

 

১০ নাকি ১১ই ডিসেম্বর এমন প্রশ্নের উত্তরে এই নির্বাচন কমিশনার বলেন, আমরা গণমাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে যা বলেছি তাই। এর বাইরে আলাদা করে কাউকে বলা সম্ভব নয়। মানে সুনির্দিষ্ট করে বলছি না- কাল না পরশু ঘোষণা করা হবে তফসিল। তবে তফসিলের যাবতীয় প্রস্তুতি কমিশন নিয়ে রেখেছে।

‎এদিকে ভোটের জন্য চেকলিস্ট প্রসঙ্গে জানতে চাইলে নির্বাচন কমিশনার মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার নির্বাচনের শেষ পর্যায়ের প্রস্তুতি সম্বন্ধে জানান, আমাদের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন। তফসিল ঘোষণা এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র। তফসিল ঘোষণার জন্য যেসব প্রস্তুতি প্রয়োজন; সেসব প্রস্তুতি গ্রহণ করে রেখেছে ইসি।

 

আসন বিন্যাস, আইন অনুযায়ী রিটার্নিং অফিসার, সহকারী রিটার্নিং অফিসার যারা থাকবেন তাদের প্রজ্ঞাপন, বিভিন্ন বিষয়ে ২০টির মতো পরিপত্র জারি হবে। সেখানে মোবাইল কোর্ট, ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ, ইলেক্টোরাল ইনকোয়ারি কমিটি নিয়োগ, বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ, মনিটরিং সেল গঠন, আইনশৃঙ্খলার সেল গঠন এগুলোর ফরমেটগুলো রেডি রয়েছে। তফসিল ঘোষণার পরপর সেগুলো ধারাবাহিকভাবে আমরা জারি করবো।

‎আচরণবিধি প্রতিপালনে কঠোর থাকবে জানিয়ে আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেন, তফসিল ঘোষণার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে নিজ নিজ দায়িত্বে সম্ভাব্য প্রার্থীদের আগাম প্রচার সামগ্রী সরাতে হবে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের যথাযথ ব্যবস্থা নিতে বলা হচ্ছে, তারাও প্রস্তুত। আচরণবিধি লঙ্ঘন করলে প্রয়োজনে সর্বোচ্চ কঠোরতা নেয়া হবে।

‎উপদেষ্টারা পদে থেকে ভোটে নয়:

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টারা ভোটে অংশ নিতে পারবেন না বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ জানান, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টারাও পদে বহাল থেকে ভোটে অংশ নিতে পারেনি। অন্তর্বর্তীকালীন এবারের সরকারও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের মতো। সাম্প্রতিক আদালতের রায়ের পর্যবেক্ষণেও বিষয়টি রয়েছে। তিনি বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টারা ভোটে পদে থেকে অংশগ্রহণের সুযোগ নেই। কেউ নির্বাচন করতে চাইলে পদত্যাগ করে ভোটে অংশ নিতে হবে।

 

রাজনৈতিক দলগুলো ভোটকে সামনে রেখে নানা মত দিলেও তাতে চ্যালেঞ্জ নেই বলে মনে করেন নির্বাচন কশিনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ। তিনি বলেন, দলগুলো তাদের অবস্থান জানাচ্ছে। আমরা ভোটের জন্য প্রস্তুত। এ নিয়ে কোনো মন্তব্য নয়। আমাদের সামনে চ্যালেঞ্জ আছে বলে আর মনে করি না। এ নির্বাচন কমিশনার জানান, নিবন্ধিত দলগুলো ভোটের জন্য প্রস্তুত; অংশ নেয়াও তাদের অধিকার। ভোটের পরিবেশ তৈরি করতে কমিশন বদ্ধপরিকর।

‎নির্বাচন কমিশন ইতিমধ্যে ভোটের পরিবেশ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ রাখতে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। নির্বাচন কমিশনাররা প্রত্যেকটি বিভাগের সাথে সমন্বয় করে কাজ করছেন যাতে ভোটাররা নির্বিঘ্নে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সতর্ক অবস্থানে রাখা হয়েছে এবং নির্বাচনী এলাকায় শান্তি বজায় রাখতে তাদের বিশেষ নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।

‎এছাড়া, ভোটের দিন ভোটকেন্দ্রগুলোতে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করার জন্য বিশেষ পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশন আশা করছে যে, সকল রাজনৈতিক দল ও ভোটাররা সহযোগিতা করবেন এবং একটি সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন সম্পন্ন হবে।

‎নির্বাচন কমিশন জনগণের আস্থা অর্জনের জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং তারা বিশ্বাস করে যে, এই নির্বাচন দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে আরও শক্তিশালী করবে। ভোটারদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে বিভিন্ন প্রচারণা চালানো হচ্ছে এবং জনগণকে ভোটদানে উৎসাহিত করা হচ্ছে।

‎নির্বাচন কমিশন সকলের সহযোগিতা কামনা করছে এবং আশা করছে যে, এই নির্বাচনের মাধ্যমে দেশের গণতন্ত্র আরও সুসংহত হবে।

 

‎তথ্যসহায়তাঃমানবজমিন