সুনামগঞ্জের ১২ থানায় নতুন ওসি নিয়োগ, লটারির মাধ্যমে
- আপডেট সময়ঃ ০৭:২৩:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ ডিসেম্বর ২০২৫
- / ১৬০ বার পড়া হয়েছে।
আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে দেশের ৫২৭ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বদলি করে নতুন ওসি পদায়ন করা হয়েছে।
জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে এবারই প্রথম আগের ওসিদের বদলি করে লটারির মাধ্যমে নতুন ওসিদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
সুনামগঞ্জ জেলার ১২ থানায় নতুন ওসিদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এদের মধ্যে শাল্লা থানায় মোঃ রোকিবুজ্জামান, দোয়ারাবাজার থানায় মোঃ তরিকুল ইসলাম তালুকদার, সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানায় মোঃ রতন সেখ পিপিএম, দিরাই থানায় এনামুল হক চৌধুরী, মধ্যনগর থানায় একেএম শাহাবুদ্দিন শাহীন পিপিএম, জামালগঞ্জ থানায় মোঃ বন্দে আলী, ছাতক থানায় মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, জগন্নাথপুর থানায় মোঃ শফিকুল ইসলাম, ধর্মপাশা থানায় মোহাম্মদ সহিদ উল্যা, শান্তিগঞ্জ থানায় মোঃ অলিউল্লাহ, বিশ্বম্ভরপুর থানায় মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম, তাহিরপুর থানায় মোঃ আমিনুল ইসলাম।
জানা গেছে, নির্বাচনে দায়িত্ব পালন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষার জন্য লটারি করে ওসি পদায়নের আগে সৎ, নিরপেক্ষ পরিদর্শকের তালিকা ইউনিট প্রধানদের কাছ থেকে সংগ্রহ করা হয়। তার ওপর ভিত্তি করেই এই লটারি অনুষ্ঠিত হয়।
লটারিতে মোট ৫২৭ থানায় নতুন ওসি পদায়ন করা হয়েছে। পদায়নকৃতদের নামের তালিকায় প্রস্তাবিত লেখা রয়েছে। ৫২৭ থানার মধ্যে মেট্রোপলিটনের কোনো থানার ওসিকে পদায়ন করা হয়নি।
পদায়নের মধ্যে— ঢাকা রেঞ্জে ১৩ জেলায় ৯৮ থানার ওসিকে পদায়ন করা হয়েছে, চট্টগ্রাম রেঞ্জে ১১ জেলায় ১১১ থানার ওসিকে পদায়ন করা হয়েছে, খুলনা রেঞ্জে ১০টি জেলায় ৬৪ থানার ওসিকে পদায়ন করা হয়েছে, ময়মনসিংহ রেঞ্জের ৪ থানায় ৩৬ ওসিকে পদায়ন করা হয়েছে, বরিশাল রেঞ্জের ৬ জেলায় ৪৬ ওসিকে পদায়ন করা হয়েছে, সিলেট রেঞ্জের ৪ জেলায় ৩৯ থানার ওসিকে পদায়ন করা হয়েছে, রাজশাহী রেঞ্জে ৮ জেলায় ৭১ থানার ওসিকে পদায়ন করা হয়েছে এবং রংপুর রেঞ্জের ৮ জেলার ৬২ থানার ওসিকে পদায়ন করা হয়েছে।
এই পদায়নের মাধ্যমে নির্বাচনকালীন সময়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সরকার বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে। লটারির মাধ্যমে ওসি পদায়ন করার সিদ্ধান্তটি স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে নেওয়া হয়েছে। এতে করে স্থানীয় জনগণ ও প্রশাসনের মধ্যে বিশ্বাস ও আস্থার পরিবেশ তৈরি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
নতুন ওসিরা তাদের দায়িত্ব পালনকালে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করতে সচেষ্ট থাকবেন। এছাড়াও, স্থানীয় পর্যায়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য তাদের বিশেষ প্রশিক্ষণও প্রদান করা হয়েছে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে সরকার নির্বাচনকালীন সময়ে যে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা মোকাবিলায় প্রস্তুতি নিচ্ছে।





















