০৬:৪৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬

ইউকে থেকে এসাইলাম অকৃতকার্যদের তৃতীয় দেশে পাঠানোর পরিকল্পনা

হক বার্তা ডেস্ক রিপোর্ট :
  • আপডেট সময়ঃ ১০:৫৮:৩০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ মে ২০২৫
  • / ১১১ বার পড়া হয়েছে।

অভিবাসন/ইউকে/ফলোআপ 

অভিবাসন নীতির কঠোর শ্বেতপত্র প্রকাশের পর এবার বৃটেনে এসাইলাম অকৃতকার্যদের ব্যাপারে সোচ্চার হচ্ছেন স্টারমার।

সংবাদ মাধ্যম বিবিসির বরাতে জানা যায় অভিবাসন নীতির কঠোর শ্বেতপত্রে বিভিন্ন ক্যাটাগরির অভিবাসীদের নিয়ে নতুন নীতিমালার কথা বলা হলেও অবৈধ অভিবাসীদের নিয়ে কোন প্রকার কথা বলেননি স্টারমার।

শ্বেতপত্র প্রকাশের পরই কথা বললেন অবৈধ ও এসাইলাম আবেদনকারীদের নিয়ে। প্রধানমন্ত্রী স্টারমার পরিকল্পনা করছেন যাঁদের এসাইলাম আবেদন নাকচ বা অকৃতকার্য হবে তাদেরকে পাঠিয়ে দেয়া হবে তৃতীয় কোন দেশে। যুক্তরাজ্যে থাকা অবস্থায় তাঁদের যে সুবিধা দেয়া হয় সেখানে তাদেরকে একই সুবিধা দিয়ে রাখা হবে। পরবর্তীতে তাদের নিয়ে সিদ্ধান্ত হবে।

‎বিগত টোরি সরকারের আমলে অবৈধ অভিবাসীদের রুয়ান্ডা পাঠানোর বিল করেছিল সরকার। বর্তমানে একই পদ্ধতি অবলম্বন করছেন কিয়ার স্টারমার বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

উল্লেখ্য, অভিবাসন কন্ট্রোলে খুবই কঠোর অবস্থান নিয়েছেন বৃটিশ প্রধানমন্ত্রী। মাত্র তিন দিন আগে সাম্প্রতিক ইতিহাসের কঠিন একটি নতুন ইমিগ্রেশন নীতিমালার শ্বেতপত্র প্রকাশ করে লেবার পার্টি, তবে তাঁর এই কঠোর নীতিমালার কঠিন সমালোচনা করছেন দেশটির বিশ্লেষকরা। এমনকি লেবার এমপিরাও এর বিপরীতে মন্তব্য করছেন।

সুত্র:মানবজমিন

ট্যাগসঃ

নিউজটি শেয়ার করুন

বিস্তারিত লিখুনঃ

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

ইউকে থেকে এসাইলাম অকৃতকার্যদের তৃতীয় দেশে পাঠানোর পরিকল্পনা

আপডেট সময়ঃ ১০:৫৮:৩০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ মে ২০২৫

অভিবাসন/ইউকে/ফলোআপ 

অভিবাসন নীতির কঠোর শ্বেতপত্র প্রকাশের পর এবার বৃটেনে এসাইলাম অকৃতকার্যদের ব্যাপারে সোচ্চার হচ্ছেন স্টারমার।

সংবাদ মাধ্যম বিবিসির বরাতে জানা যায় অভিবাসন নীতির কঠোর শ্বেতপত্রে বিভিন্ন ক্যাটাগরির অভিবাসীদের নিয়ে নতুন নীতিমালার কথা বলা হলেও অবৈধ অভিবাসীদের নিয়ে কোন প্রকার কথা বলেননি স্টারমার।

শ্বেতপত্র প্রকাশের পরই কথা বললেন অবৈধ ও এসাইলাম আবেদনকারীদের নিয়ে। প্রধানমন্ত্রী স্টারমার পরিকল্পনা করছেন যাঁদের এসাইলাম আবেদন নাকচ বা অকৃতকার্য হবে তাদেরকে পাঠিয়ে দেয়া হবে তৃতীয় কোন দেশে। যুক্তরাজ্যে থাকা অবস্থায় তাঁদের যে সুবিধা দেয়া হয় সেখানে তাদেরকে একই সুবিধা দিয়ে রাখা হবে। পরবর্তীতে তাদের নিয়ে সিদ্ধান্ত হবে।

‎বিগত টোরি সরকারের আমলে অবৈধ অভিবাসীদের রুয়ান্ডা পাঠানোর বিল করেছিল সরকার। বর্তমানে একই পদ্ধতি অবলম্বন করছেন কিয়ার স্টারমার বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

উল্লেখ্য, অভিবাসন কন্ট্রোলে খুবই কঠোর অবস্থান নিয়েছেন বৃটিশ প্রধানমন্ত্রী। মাত্র তিন দিন আগে সাম্প্রতিক ইতিহাসের কঠিন একটি নতুন ইমিগ্রেশন নীতিমালার শ্বেতপত্র প্রকাশ করে লেবার পার্টি, তবে তাঁর এই কঠোর নীতিমালার কঠিন সমালোচনা করছেন দেশটির বিশ্লেষকরা। এমনকি লেবার এমপিরাও এর বিপরীতে মন্তব্য করছেন।

সুত্র:মানবজমিন