ধর্মপাশায় ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদককে মারধর, থানায় লিখিত অভিযোগ
- আপডেট সময়ঃ ১২:১১:০২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ অক্টোবর ২০২৫
- / ৬৫ বার পড়া হয়েছে।
সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার সেলবরষ ইউনিয়নের বীর দক্ষিণ পশ্চিমপাড়া গ্রামের বাসিন্দা ও ৫ নং ওয়ার্ড বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক সাইকুল ইসলাম (৩৮) কে মারধর করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
উপজেলার মাইজবাড়ী (বাগপাড়া) গ্রামের বাসিন্দা ও ওই ওয়ার্ড বিএনপির সদস্য হামিদুল ইমলাম মিলন (৪৮) ও তাঁর চাচাতো ভাই সজীব মিয়া (২৬) এই ঘটনা ঘটিয়েছেন।
বুধবার সকাল সাড়ে নয়টার দিকে উপজেলার মাইজবাড়ী গোরস্থান এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ওইদিন বিকেলে থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন মারধরে শিকার আহত সাইকুল ইসলাম।
অভিযোগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পূর্ব শত্রুতার জের ধরে উপজেলার মাইজবাড়ী গ্রামের হামিদুল ইসলাম মিলন বুধবার সকাল সাড়ে আটটার দিকে তাঁর চাচাতো ভাই সজীব মিয়া (২৬) নিয়ে মাইজবাড়ী গোরস্থান সংলগ্ন বাজারে অবস্থান করছিলেন। সকাল সাড়ে নয়টার দিকে মিলন সেলবরষ ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি ও ওয়ার্ড বিএনপির নেতাদের সম্পর্কে অশালীন মন্তব্য করেন। এ সময় সেলবরষ ইউনিয়নের ৫নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইকুল ইসলাম তার কথার প্রতিবাদ করলে মিলন ও সজীব সহ আরো ৪-৫ জন থাকে এলোপাথাড়ি কিল ঘুষি দিয়ে আহত করে।
পরে এলাকাবাসী তাকে সেখান থেকে উদ্ধার করে ধর্মপাশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এনে ভর্তি করেন। অভিযোগে আরো বলা হয়, মিলন মারধর করার পরে তার পরিবারে লোকজনকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়েছে।
ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইকুল ইসলাম বলেন, মিলন খুবই উচ্ছৃঙ্খল স্বভাবের। নিজে বিএনপির রাজনীতি করেও বিএনপির নেতাদের নিয়ে খারাপ সমালোচনা করেছেন। আমি বাধা দিলে আমাকে মারধর করা হয়। এ ছাড়া আমার পরিবারের লোকজনকে প্রাণ নাশের হুমকিও তিনি দিয়েছেন।
এ ব্যাপারে ওয়ার্ড বিএনপির সদস্য হামিদুল ইসলাম মিলনের মোবাইল বন্ধ থাকায় তাঁর বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
ধর্মপাশা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মোহাম্মদ এনামুল হক বলেন, এ ব্যাপারে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।





















