১০:০৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬

নোয়াখালীতে এসিড নিক্ষেপের ভয় দেখিয়ে ১০ম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণ

হক বার্তা ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময়ঃ ১১:৪৫:৪০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ মে ২০২৫
  • / ৮৯ বার পড়া হয়েছে।

নোয়াখালীতে এসিড নিক্ষেপের ভয় দেখিয়ে ১০ম শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে  মো. সজীব (৩৮) নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা হয়েছে। ভুক্তভোগী কিশোরী গণমাধ্যম কর্মীদের কাছে বিষয়টি তুলে ধরেন। 

জানা যায়, ওই কিশোরীর বাবার সঙ্গে দীর্ঘদিন থেকে অভিযুক্ত ২ সন্তানের জনক সজীবের বন্ধুত্বের সম্পর্ক থাকায় বাড়িতে আসা-যাওয়া ছিল। গত শনিবার ভুক্তভোগীর বাবা-মা বাড়িতে না থাকার সুযোগে দরজার ছিটকিনি ভেঙে বসতঘরে প্রবেশ করে। এ সময় এসিডের একটি বোতল বের করে তা নিক্ষেপের ভয় দেখিয়ে তাকে ধর্ষণ করে। ধর্ষণের পর জন্মনিরোধক ওষুধ নরপিল-১ সেবন করিয়ে পালিয়ে যায়।

পরবর্তীতে গত ৫ই  মে ভুক্তভোগী বাদী হয়ে নোয়াখালী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে একটি মামলা করেন। বিচারক জেলা দায়রা জজ মো. আবদুর রহিম সুধারাম মডেল থানার ওসিকে এফআইআর গ্রহণপূর্বক গৃহীত কার্যক্রম সংক্রান্ত বিষয়টি অত্র ট্রাইব্যুনালকে জানানোর নির্দেশ প্রদান করেন।

 

অনুসন্ধানে জানা গেছে, থানা পুলিশ ২২ দিন অতিবাহিত হলেও ধর্ষণ মামলাটি রেকর্ড করেনি। ভুক্তভোগীর বাবা বলেন, সজীব আমার পরিবারকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি দেখাচ্ছে। আমরা নিরাপত্তাহীনতায় আছি। আমি প্রশাসনের কাছে সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে ন্যায় বিচার দাবি করছি। এ বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত সজীবের মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন দিলেও সে ফোন রিসিভ করেনি।

এ বিষয়ে মামলার তদন্তকারী সুধারাম মডেল থানার এসআই মো. জয়নাল আবেদীন জানান, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে আদালতে একটি মামলা হয়েছে। আদালতের নির্দেশনা অনুয়ায়ী ঘটনাটি তদন্ত চলছে। ভিকটিমের  মেডিকেল টেস্ট করানো হবে।

 

 

সুত্র:মানবজমিন

ট্যাগসঃ

নিউজটি শেয়ার করুন

বিস্তারিত লিখুনঃ

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

নোয়াখালীতে এসিড নিক্ষেপের ভয় দেখিয়ে ১০ম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণ

আপডেট সময়ঃ ১১:৪৫:৪০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ মে ২০২৫

নোয়াখালীতে এসিড নিক্ষেপের ভয় দেখিয়ে ১০ম শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে  মো. সজীব (৩৮) নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা হয়েছে। ভুক্তভোগী কিশোরী গণমাধ্যম কর্মীদের কাছে বিষয়টি তুলে ধরেন। 

জানা যায়, ওই কিশোরীর বাবার সঙ্গে দীর্ঘদিন থেকে অভিযুক্ত ২ সন্তানের জনক সজীবের বন্ধুত্বের সম্পর্ক থাকায় বাড়িতে আসা-যাওয়া ছিল। গত শনিবার ভুক্তভোগীর বাবা-মা বাড়িতে না থাকার সুযোগে দরজার ছিটকিনি ভেঙে বসতঘরে প্রবেশ করে। এ সময় এসিডের একটি বোতল বের করে তা নিক্ষেপের ভয় দেখিয়ে তাকে ধর্ষণ করে। ধর্ষণের পর জন্মনিরোধক ওষুধ নরপিল-১ সেবন করিয়ে পালিয়ে যায়।

পরবর্তীতে গত ৫ই  মে ভুক্তভোগী বাদী হয়ে নোয়াখালী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে একটি মামলা করেন। বিচারক জেলা দায়রা জজ মো. আবদুর রহিম সুধারাম মডেল থানার ওসিকে এফআইআর গ্রহণপূর্বক গৃহীত কার্যক্রম সংক্রান্ত বিষয়টি অত্র ট্রাইব্যুনালকে জানানোর নির্দেশ প্রদান করেন।

 

অনুসন্ধানে জানা গেছে, থানা পুলিশ ২২ দিন অতিবাহিত হলেও ধর্ষণ মামলাটি রেকর্ড করেনি। ভুক্তভোগীর বাবা বলেন, সজীব আমার পরিবারকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি দেখাচ্ছে। আমরা নিরাপত্তাহীনতায় আছি। আমি প্রশাসনের কাছে সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে ন্যায় বিচার দাবি করছি। এ বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত সজীবের মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন দিলেও সে ফোন রিসিভ করেনি।

এ বিষয়ে মামলার তদন্তকারী সুধারাম মডেল থানার এসআই মো. জয়নাল আবেদীন জানান, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে আদালতে একটি মামলা হয়েছে। আদালতের নির্দেশনা অনুয়ায়ী ঘটনাটি তদন্ত চলছে। ভিকটিমের  মেডিকেল টেস্ট করানো হবে।

 

 

সুত্র:মানবজমিন