০৪:১২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬

‎বিশ্বম্ভরপুরে করাতকলে রাতের অন্ধকারে অগ্নিসংযোগ: ৪ লাখ টাকার ক্ষতির দাবি

নিজস্ব সংবাদদাতাঃ
  • আপডেট সময়ঃ ০৯:২৯:০৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬
  • / ৬০ বার পড়া হয়েছে।

‎সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলায় একটি করাতকলে (স’মিল) অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।

‎ গত বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) দিবাগত রাত সাড়ে ১১টা থেকে শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ১২টার মধ্যবর্তী সময়ে উপজেলার পলাশ ইউনিয়নের পুরান মুক্তিখলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

‎ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, দুর্বৃত্তরা পরিকল্পিতভাবে এই আগুন লাগিয়েছে।

‎অভিযোগসূত্রে জানা গেছে, পুরান মুক্তিখলা গ্রামের মোছা. লিপি বেগমের স্বামীর মালিকানাধীন একটি করাতকল দীর্ঘ দিন ধরে তার স্বামী মো. আলী হোসেন পরিচালনা করে আসছিলেন। গত নভেম্বর মাসে আলী হোসেন গ্রেফতার হয়ে কারাগারে যাওয়ার পর থেকে লিপি বেগম সন্তানদের নিয়ে কষ্টে দিনাতিপাত করছিলেন। বৃহস্পতিবার রাতে খাবার শেষ করে তিনি ঘুমিয়ে পড়লে মধ্যরাতে করাতকলে বিকট শব্দ শুনতে পান। ঘুম থেকে উঠে দেখেন তার মিলটিতে দাউদাউ করে আগুন জ্বলছে।

‎খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্থানীয়দের সহায়তায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে ততক্ষণে মিলের ২টি মেশিন, ঘর এবং ভেতরে থাকা বিপুল পরিমাণ কাঠের ফালি পুড়ে ছাই হয়ে যায়।

‎লিপি বেগমের দাবি, এই অগ্নিকাণ্ডে তার আনুমানিক ৪ লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

‎ভুক্তভোগী লিপি বেগম শুক্রবার বিশ্বম্ভরপুর থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

‎তিনি জানান, তার স্বামী জেলে থাকার সুযোগে কোনো অজ্ঞাত দুর্বৃত্ত এই নাশকতা ঘটিয়েছে। বর্তমানে তিনি চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।

‎বিশ্বম্ভরপুর থানা পুলিশ অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

বিস্তারিত লিখুনঃ

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

‎বিশ্বম্ভরপুরে করাতকলে রাতের অন্ধকারে অগ্নিসংযোগ: ৪ লাখ টাকার ক্ষতির দাবি

আপডেট সময়ঃ ০৯:২৯:০৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬

‎সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলায় একটি করাতকলে (স’মিল) অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।

‎ গত বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) দিবাগত রাত সাড়ে ১১টা থেকে শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ১২টার মধ্যবর্তী সময়ে উপজেলার পলাশ ইউনিয়নের পুরান মুক্তিখলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

‎ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, দুর্বৃত্তরা পরিকল্পিতভাবে এই আগুন লাগিয়েছে।

‎অভিযোগসূত্রে জানা গেছে, পুরান মুক্তিখলা গ্রামের মোছা. লিপি বেগমের স্বামীর মালিকানাধীন একটি করাতকল দীর্ঘ দিন ধরে তার স্বামী মো. আলী হোসেন পরিচালনা করে আসছিলেন। গত নভেম্বর মাসে আলী হোসেন গ্রেফতার হয়ে কারাগারে যাওয়ার পর থেকে লিপি বেগম সন্তানদের নিয়ে কষ্টে দিনাতিপাত করছিলেন। বৃহস্পতিবার রাতে খাবার শেষ করে তিনি ঘুমিয়ে পড়লে মধ্যরাতে করাতকলে বিকট শব্দ শুনতে পান। ঘুম থেকে উঠে দেখেন তার মিলটিতে দাউদাউ করে আগুন জ্বলছে।

‎খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্থানীয়দের সহায়তায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে ততক্ষণে মিলের ২টি মেশিন, ঘর এবং ভেতরে থাকা বিপুল পরিমাণ কাঠের ফালি পুড়ে ছাই হয়ে যায়।

‎লিপি বেগমের দাবি, এই অগ্নিকাণ্ডে তার আনুমানিক ৪ লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

‎ভুক্তভোগী লিপি বেগম শুক্রবার বিশ্বম্ভরপুর থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

‎তিনি জানান, তার স্বামী জেলে থাকার সুযোগে কোনো অজ্ঞাত দুর্বৃত্ত এই নাশকতা ঘটিয়েছে। বর্তমানে তিনি চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।

‎বিশ্বম্ভরপুর থানা পুলিশ অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানানো হয়েছে।