০৪:৪৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২৫

মালয়েশিয়ান কোম্পানির বিরুদ্ধে দুই বাংলাদেশি শ্রমিকের পুলিশ রিপোর্ট

হক বার্তা ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময়ঃ ১১:৪১:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ নভেম্বর ২০২৫
  • / ১৩ বার পড়া হয়েছে।

‎মালয়েশিয়ার নিলাইয়ে অবস্থিত মেডিসিরাম এসডিএন বিএইচডি এবং কিছু মালয়েশিয়ান নিয়োগকর্তার বিরুদ্ধে পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করেছেন দুই বাংলাদেশি শ্রমিক।

‎মোট ৯৩ জন ভুক্তভোগী শ্রমিকের পক্ষে অভিযোগ দাখিল করা হয়।  রোববার বিকালে করা ওই অভিযোগে বলা হয়েছে, কোম্পানি শ্রমিকদের পাসপোর্ট জবরদখল করে রেখেছে, যা মালয়েশিয়ার আইনে সম্পূর্ণ বেআইনি।

‎এছাড়া চুক্তি অনুযায়ী ওয়ার্ক পারমিট নবায়ন না করে তাদের ইমিগ্রেশন ঝুঁকিতে ফেলে দেওয়া হয়েছে। অক্টোবর ২০২৫–এর শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের পর শ্রমিকদের ওপর চাপ, ভয়ভীতি, অবৈধভাবে দেশে ফেরত পাঠানোর হুমকি এবং নানান ধরনের মানসিক নির্যাতন বাড়ানো হয়েছে।

‎কোম্পানি নিজেদের দায় এড়াতে উল্টো শ্রমিকদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে বিভ্রান্তির চেষ্টা করেছে। সকল ডকুমেন্ট নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রেখে শ্রমিকদের এমন অবস্থায় রাখা হয়েছে যেখানে তারা যেকোনো সময় গ্রেপ্তার বা ডিপোর্টেড হওয়ার ঝুঁকিতে ছিলেন।

‎তারা বলেছেন, নিজেদের নিরাপত্তা রক্ষা, বেআইনি গ্রেপ্তার বা ডিপোর্টেশন ঠেকানো, কোম্পানির অপকর্মের আনুষ্ঠানিক প্রমাণ সংরক্ষণ এবং দীর্ঘদিনের শোষণ ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে দাঁড়াতেই তারা পুলিশ রিপোর্ট করতে বাধ্য হয়েছেন। তাদের ভাষায় এটি কোনো ভুল বোঝাবুঝি নয়, বরং সুস্পষ্ট শোষণ ও ক্ষমতার অপব্যবহার।

‎ভুক্তভোগীরা দাবি এ রিপোর্টের ফলে, মালয়েশিয়ান পুলিশ দ্রুত তদন্ত শুরু করবে, মালয়েশিয়ার শ্রম ও মানবসম্পদ মন্ত্রণালয় কোম্পানির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে, পাসপোর্ট জবরদখলের সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হবে এবং বাংলাদেশ হাইকমিশন শ্রমিকদের জরুরি আইনগত সুরক্ষা প্রদান করবে বলে তাদের বিশ্বাস।

‎সুত্রঃমানবজমিন

নিউজটি শেয়ার করুন

বিস্তারিত লিখুনঃ

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

মালয়েশিয়ান কোম্পানির বিরুদ্ধে দুই বাংলাদেশি শ্রমিকের পুলিশ রিপোর্ট

আপডেট সময়ঃ ১১:৪১:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ নভেম্বর ২০২৫

‎মালয়েশিয়ার নিলাইয়ে অবস্থিত মেডিসিরাম এসডিএন বিএইচডি এবং কিছু মালয়েশিয়ান নিয়োগকর্তার বিরুদ্ধে পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করেছেন দুই বাংলাদেশি শ্রমিক।

‎মোট ৯৩ জন ভুক্তভোগী শ্রমিকের পক্ষে অভিযোগ দাখিল করা হয়।  রোববার বিকালে করা ওই অভিযোগে বলা হয়েছে, কোম্পানি শ্রমিকদের পাসপোর্ট জবরদখল করে রেখেছে, যা মালয়েশিয়ার আইনে সম্পূর্ণ বেআইনি।

‎এছাড়া চুক্তি অনুযায়ী ওয়ার্ক পারমিট নবায়ন না করে তাদের ইমিগ্রেশন ঝুঁকিতে ফেলে দেওয়া হয়েছে। অক্টোবর ২০২৫–এর শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের পর শ্রমিকদের ওপর চাপ, ভয়ভীতি, অবৈধভাবে দেশে ফেরত পাঠানোর হুমকি এবং নানান ধরনের মানসিক নির্যাতন বাড়ানো হয়েছে।

‎কোম্পানি নিজেদের দায় এড়াতে উল্টো শ্রমিকদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে বিভ্রান্তির চেষ্টা করেছে। সকল ডকুমেন্ট নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রেখে শ্রমিকদের এমন অবস্থায় রাখা হয়েছে যেখানে তারা যেকোনো সময় গ্রেপ্তার বা ডিপোর্টেড হওয়ার ঝুঁকিতে ছিলেন।

‎তারা বলেছেন, নিজেদের নিরাপত্তা রক্ষা, বেআইনি গ্রেপ্তার বা ডিপোর্টেশন ঠেকানো, কোম্পানির অপকর্মের আনুষ্ঠানিক প্রমাণ সংরক্ষণ এবং দীর্ঘদিনের শোষণ ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে দাঁড়াতেই তারা পুলিশ রিপোর্ট করতে বাধ্য হয়েছেন। তাদের ভাষায় এটি কোনো ভুল বোঝাবুঝি নয়, বরং সুস্পষ্ট শোষণ ও ক্ষমতার অপব্যবহার।

‎ভুক্তভোগীরা দাবি এ রিপোর্টের ফলে, মালয়েশিয়ান পুলিশ দ্রুত তদন্ত শুরু করবে, মালয়েশিয়ার শ্রম ও মানবসম্পদ মন্ত্রণালয় কোম্পানির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে, পাসপোর্ট জবরদখলের সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হবে এবং বাংলাদেশ হাইকমিশন শ্রমিকদের জরুরি আইনগত সুরক্ষা প্রদান করবে বলে তাদের বিশ্বাস।

‎সুত্রঃমানবজমিন