রাজনৈতিক দল নিবন্ধন আবেদনের সময় বাড়লো আরো ২ মাস, এনসিপির আবেদন ছিলো ৩ মাসের
- আপডেট সময়ঃ ১০:৫৭:২৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২১ এপ্রিল ২০২৫
- / ১৩৪ বার পড়া হয়েছে।
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে নতুন রাজনৈতিক দল নিবন্ধনের জন্য আবেদনের সময় ২ (দুই) মাস বাড়িয়েছে নির্বাচন কমিশন। রোববার দল নিবন্ধনের আবেদনের শেষ দিনে সময় বাড়ানোর এ কথা জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশন সচিব আখতার আহমেদ। তিনি বলেন, বেশ কিছু দল যেমন নিবন্ধনের জন্য আবেদন করেছে, তেমনি অনেকগুলো দল সময় বাড়ানোর আবেদন করেছে। এ পরিপ্রেক্ষিতে আগামী ২২শে জুন ২০২৫ পর্যন্ত সময় বাড়ানো হয়েছে। বিদ্যমান আইন-বিধি অনুযায়ী এই সময়ের মধ্যে আবেদন করতে হবে।
নির্বাচন কমিশন-এর নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কর্মকর্তা জানান, এ পর্যন্ত নিবন্ধনের জন্য আবেদন এসেছে ৬৫টি। নব গঠিত জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ কিছু দল নিবন্ধনের আবেদন করতে সময় চেয়েছে। গত ১০ই মার্চ গণবিজ্ঞপ্তি দিয়ে ইসি নতুন দল নিবন্ধনে ২০শে এপ্রিল সময়সীমা ঠিক করে দেয়। এই সময় শেষ হওয়ার আগেই এনসিপি এই সময়সীমা ৯০ দিন বাড়ানোর আবেদন করে। আবেদনের সময়সীমার শেষ দিন প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে বৈঠক করে এনসিপি’র একটি প্রতিনিধি দল। ওই বৈঠকের পর বিকালে সময়সীমা বাড়ানোর ঘোষণা দেয় নির্বাচন কমিশন।

অনুষ্ঠিত বৈঠকে এনসিপি প্রতিনিধিরা বিগত তিনটি নির্বাচনে জালিয়াতি, রাতের ভোট এবং ভোটিং সিস্টেম ধ্বংস করে দেওয়ার পেছনে ইলেকশন কমিশন সহ অন্যান্য যারা জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে আইনী পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য আহ্বান করে।
এছাড়া, নির্বাচন সংস্কার কমিশনের সুপারিশের বাস্তবায়ন, রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে আভ্যন্তরীণ গণতান্ত্রিক চর্চা, প্রার্থীর হলফনামায় অসত্য তথ্য দিলে তার মনোনয়ন বাতিল এবং নির্বাচিত হওয়ার পরেও অসত্য তথ্য প্রকাশ পেলে সংসদ সদস্য পদ বাতিল, অত্যধিক নির্বাচনী ব্যয় রোধ করার জন্য বিধিমালা প্রণয়ন, কার্যকর রাজনৈতিক দল প্রতিষ্ঠায় নিবন্ধিত দলগুলোর প্রত্যেক পাঁচ বছর পর পর কমিশনের শর্ত সমূহ পরিপালন সাপেক্ষে নিবন্ধন নবায়নের ব্যবস্থা গ্রহণ, জাতীয় নির্বাচন শেষ হওয়ার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ফলাফল গেজেটে প্রকাশের পূর্বে নির্বাচন কমিশন কর্তৃক নির্বাচনের সুষ্ঠুতা, বিশ্বাসযোগ্যতা এবং গ্রহণযোগ্যতা সম্পর্কে ‘সার্টিফাই’ করে তা গণবিজ্ঞপ্তি আকারে প্রকাশের বিধান করা, বাংলাদেশের অভ্যন্তরে আইনি হেফাজতে থাকা ব্যতীত সকল প্রার্থীর সশরীরে মনোয়নপত্র জমা দেওয়ার বাধ্যবাধকতা আরোপ করা, নির্বাচন কমিশনকে রাজনৈতিক প্রভাব মুক্ত রাখা সহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করা হয় বলে জানা যায়।





















