১২:৪৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
ঐতিহ্যবাহী সুনামগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচন ২০২৬ ইংরেজী;

সিন্ডিকেট যেখানে ফ্যাক্ট; বিএনপির ভূমিধ্বস হার

রিপোর্টার নামঃ
  • আপডেট সময়ঃ ১০:৩১:১৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / ২৩ বার পড়া হয়েছে।

নির্বাচন নির্বাচনী ফলাফল বিশ্লেষণ,

জয় পরাজয় নির্ধারণে,

অভ্যন্তরীণ সম্ভাব্য কারণ সমূহ উদঘাটন।

 

 

👉গতকল্য ১৬ ই ফেব্রুয়ারি ২০২৬ইং রোজ সোমবার ঐতিহ্যবাহী সুনামগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়, নির্বাচনে জনাব এডভোকেট আব্দুল হামিদ সভাপতি এবং এডঃমোঃ হুমায়ুন কবির সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন।

 

প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্ঘী হিসাবে ছিলেন বিশিষ্ট বিএনপি নেতা এবং আদালত প্রাঙ্গণের  জনপ্রিয় ব্যক্তিত্ব  এডভোকেট জনাব তৈবুর রহমান বাবুলের ভূমিধ্বস পরাজয়ের কারণ সম্পর্কে আদালত অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে

 

 প্রশ্ন হলো তৈয়বুর রহমান বাবুল এতো জনপ্রিয় হওয়া সত্ত্বেও ;কেন এমন সূচনীয় পরাজয় বরণ!তার কারণ অন্বেষণ করতে গিয়ে যে তত্ব আমাদের পর্যবেক্ষণে উঠে  এসেছে তা রীতিমতো আতকে ওটার মতো;

একটামাত্র শব্দ- # সিন্ডিকেট;

এই একটি শব্দেই পুরো পরিস্থিতি উল্টে গেলো; তাতে করে তৈয়বুর রহমান বাবুল তথা বিএনপির’র বিপরীতে ন্যারেটিভ তৈরি করে,  ফলশ্রুতিতে এমনভাবে সূচনীয় পরাজয় অন্যথায় যদি শব্দটা হঠাৎ করে আবির্ভুত না হতো, বাবুল সাহেব যদি নিজের মতো করে ইলেকশনের কাজ চালিয়ে যেতেন!

তাহলে পরাজিত হলেও নিকটতম প্রতিদ্বন্দী শব্দটা অন্তত আসতো কিংবা  জয়ী হওয়াটা অসম্ভব কিছু ছিল না !

 

জানা যায় ; ভোট  গ্রহন যথা নিয়মে সকাল সাড়ে আট ঘটিকায় শুরু হয়ে প্রায় সাড়ে ১০ ঘটিকা পর্যন্ত সবকিছু স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় চল্লেও হঠাৎ করে ভিন্ন ভিন্ন  গ্রুপে গ্রুপে একটা আলোচনা শোনা যেতে লাগলো ;

যদি বাবুল সাহেব নির্বাচিত হন ; তাহলে সিন্ডিকেটের যন্ত্রণায় টিকতে পারবেন তো?

এখন এই সিন্ডিকেট শব্দটা কোথা থেকে এলো বা কারা এর সাথে জড়িত, সেটা ভিন্ন আলোচনা প্রয়োজনে অন্য দিন সেই আলাপ করা যাবে,

 

প্রত্যক্ষদর্শী এবং ভুক্তভোগী প্রতিদ্বন্দ্বী ক্যান্ডিডেট, সাধারণ ভোটার তাদের মধ্যে বেশ কয়েকজনের জবানীতে জানা যায় যে; জনৈক  বিএনপি’র নেতা স্থানীয় আইনজীবী নেতার,আচার আচরণ কিংবা হাঁটাচলার ধরনে

এবং আজকের কিছু ব্যবহার আচরনে যা ফুটে উঠেছে ;তাতে করে স্বাভাবিকভাবেই সাধারণ আইনজীবীদের মনে, তার প্রভাব বিস্তার করেছে।

পাশাপাশি  এর সাথে বিগত ১৭ মাসের কিছু স্মৃতি সামনে চলে এসেছে আলোচনাতে ঐ মুহূর্তে, ফলশ্রুতিতে বেশ কিছু ভোটার তাদের সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করেছেন বলে অনেকের সাথে কথা বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য আইনজীবী সমিতি শুধু সুনামগঞ্জ নয় সারা বাংলাদেশেই তারা তাদের প্রতিনিধি নির্বাচনে কখনোই ভুল করে না

তা যে সরকারই ক্ষমতায় থাকুক; সাধারণত ব্যতিক্রম যদি না হয় প্রতিটি বারে একজন সভাপতি সেক্রেটারির মধ্যে একজন আওয়ামী লীগের হলে অপরজন বিএনপির হবে,  ঠিক এভাবেই রেজাল্ট হয় প্রায়  প্রতিবছর

বাট  এইবার এক্সেপশনাল;

দুটি পদই বিএনপি’র প্রতিকূলে চলে গেলো!

এবং ইহাই প্রধানত এডঃ বাবুলের ভূমিধ্বস পরাজয়ের  কারণ বলে অনেকেই মনে করেন।

 

সাধারণ সম্পাদক হিসেবে এডঃ হুমায়ুন কবির বিপুল ভোটে জয়লাভ করেন প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে ছিলেন বিএনপি’র শক্তিশালী নেতা এবং জেলা বিএনপি’র সদস্য সচিব জনাব আব্দুল হক সাহেবের জুনিয়র এডভোকেট জনাব মোশাহিদ  আলী, একাধারে তিনি বিএনপি নেতা এবং আদালত প্রাঙ্গনে উনার নিজস্ব একটা ভোট ব্যাংক আছে এবং উনার নিজেস্ব একটা অবস্থান আছে।

তাছাড়া এডভোকেট মোশাহিদ আলী ব্যক্তিগতভাবে স্বজ্জন ভদ্র এবং আইনজীবী  সমিতির বর্তমান সভাপতি এডভোকেট আব্দুল হক সাহেবের চেম্বারের হতে উনার ক্যান্ডিটেড হিসেবে সর্বজন স্বীকৃত, তাই তিনিসহ কাহার পরিবারের প্রত্যেক সদস্য, মুশাহিদ আলীকে পরিবারের একজন ক্যান্ডিডেট হওয়াতে চেম্বারের সকল সদস্য  সভাপতি মহোদয়ের পুরো পরিবার উনার পক্ষে কাজ করাতে, স্বভাবতই সকলে ধরে নিয়েছিল ; অন্তত কম্পিটিশনটা হাড্ডাহাড্ডি হবে; আর না হোক ভোটের  ক্ষেত্রে দলীয় প্রার্থীদের মধ্যে তৈয়বুর রহমান বাবুলের চেয়ে ভোট  বেশি হওয়ার কথা ;

তাছাড়া বিএনপির আরেক শক্তিশালী নেতা এডভোকেট মাসুক আলম সাহেব মারাত্মক সিরিয়াস ছিলেন মোশাহিদ আলীর জয় ছিনিয়ে আনার ব্যাপারে!

এত কিছুর পরেও মোশাহিদ আলীর ভূমিধস পরাজয়ের পিছনে অনেকেই এই  # সিন্ডিকেট শব্দটাকে সামনে তুলে আনেন.

 

অনেকের মতে এডভোকেট মোশাহিদ  আলী যদি সিন্ডিকেটের আওতা বহির্ভূত হতেন কিংবা উনি যদি উনার নিজের মতো করে ক্যাম্পেইন করে যেতেন;  জয় না হোক পরাজিত হলেও ব্যবধান এতো থাকতো না!

 

তাছাড়া একই পদে আরো দুইজন বিএনপি নেতা এডভোকেট আব্দুল জলিল, এডঃ জয়শ্রী দেব. তাহারা ইলেকশন করাতে এডভোকেট মোশাহিদ আলী পরাজিত হওয়ার আরো অন্যতম একটা কারন হিসাবে আলোচনায় আসে ইলেকশনের আগের দিন পর্যন্ত যে বিষয়টা আলোচনায় ছিল যে;

বিএনপি ক্যান্ডিডেটরা সুবিধাজনক অবস্থানে থাকবেন, কারণ বিএনপি ক্ষমতায় আসছে,

সেই হিসেবে, মানুষ যেহেতু স্বভাবতই ক্ষমতার কাছাকাছি থাকতে চায়, সেই দিক বিবেচনায় ফলাফল,

যদি কিছু একটা হয়ে যায়।

 

উল্লেখ থাকা আবশ্যক যে ;

নির্বাচিত সভাপতি এডভোকেট আব্দুল হামিদ এবং নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক এডঃ হুমায়ুন কবির দুজনেই গতবছর ইলেকশন করে ফলাফল খারাপ করেছিলেন।

আইনজীবী সমিতির ট্রেডিশন অনুসারে এক বছর ফেল করার পরে পরের বছর সিমপ্যাথি ভোট  ফলাফল নির্ধারণে অনেকটা কাজ করে।

ট্যাগসঃ

নিউজটি শেয়ার করুন

বিস্তারিত লিখুনঃ

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

ঐতিহ্যবাহী সুনামগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচন ২০২৬ ইংরেজী;

সিন্ডিকেট যেখানে ফ্যাক্ট; বিএনপির ভূমিধ্বস হার

আপডেট সময়ঃ ১০:৩১:১৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

নির্বাচন নির্বাচনী ফলাফল বিশ্লেষণ,

জয় পরাজয় নির্ধারণে,

অভ্যন্তরীণ সম্ভাব্য কারণ সমূহ উদঘাটন।

 

 

👉গতকল্য ১৬ ই ফেব্রুয়ারি ২০২৬ইং রোজ সোমবার ঐতিহ্যবাহী সুনামগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়, নির্বাচনে জনাব এডভোকেট আব্দুল হামিদ সভাপতি এবং এডঃমোঃ হুমায়ুন কবির সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন।

 

প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্ঘী হিসাবে ছিলেন বিশিষ্ট বিএনপি নেতা এবং আদালত প্রাঙ্গণের  জনপ্রিয় ব্যক্তিত্ব  এডভোকেট জনাব তৈবুর রহমান বাবুলের ভূমিধ্বস পরাজয়ের কারণ সম্পর্কে আদালত অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে

 

 প্রশ্ন হলো তৈয়বুর রহমান বাবুল এতো জনপ্রিয় হওয়া সত্ত্বেও ;কেন এমন সূচনীয় পরাজয় বরণ!তার কারণ অন্বেষণ করতে গিয়ে যে তত্ব আমাদের পর্যবেক্ষণে উঠে  এসেছে তা রীতিমতো আতকে ওটার মতো;

একটামাত্র শব্দ- # সিন্ডিকেট;

এই একটি শব্দেই পুরো পরিস্থিতি উল্টে গেলো; তাতে করে তৈয়বুর রহমান বাবুল তথা বিএনপির’র বিপরীতে ন্যারেটিভ তৈরি করে,  ফলশ্রুতিতে এমনভাবে সূচনীয় পরাজয় অন্যথায় যদি শব্দটা হঠাৎ করে আবির্ভুত না হতো, বাবুল সাহেব যদি নিজের মতো করে ইলেকশনের কাজ চালিয়ে যেতেন!

তাহলে পরাজিত হলেও নিকটতম প্রতিদ্বন্দী শব্দটা অন্তত আসতো কিংবা  জয়ী হওয়াটা অসম্ভব কিছু ছিল না !

 

জানা যায় ; ভোট  গ্রহন যথা নিয়মে সকাল সাড়ে আট ঘটিকায় শুরু হয়ে প্রায় সাড়ে ১০ ঘটিকা পর্যন্ত সবকিছু স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় চল্লেও হঠাৎ করে ভিন্ন ভিন্ন  গ্রুপে গ্রুপে একটা আলোচনা শোনা যেতে লাগলো ;

যদি বাবুল সাহেব নির্বাচিত হন ; তাহলে সিন্ডিকেটের যন্ত্রণায় টিকতে পারবেন তো?

এখন এই সিন্ডিকেট শব্দটা কোথা থেকে এলো বা কারা এর সাথে জড়িত, সেটা ভিন্ন আলোচনা প্রয়োজনে অন্য দিন সেই আলাপ করা যাবে,

 

প্রত্যক্ষদর্শী এবং ভুক্তভোগী প্রতিদ্বন্দ্বী ক্যান্ডিডেট, সাধারণ ভোটার তাদের মধ্যে বেশ কয়েকজনের জবানীতে জানা যায় যে; জনৈক  বিএনপি’র নেতা স্থানীয় আইনজীবী নেতার,আচার আচরণ কিংবা হাঁটাচলার ধরনে

এবং আজকের কিছু ব্যবহার আচরনে যা ফুটে উঠেছে ;তাতে করে স্বাভাবিকভাবেই সাধারণ আইনজীবীদের মনে, তার প্রভাব বিস্তার করেছে।

পাশাপাশি  এর সাথে বিগত ১৭ মাসের কিছু স্মৃতি সামনে চলে এসেছে আলোচনাতে ঐ মুহূর্তে, ফলশ্রুতিতে বেশ কিছু ভোটার তাদের সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করেছেন বলে অনেকের সাথে কথা বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য আইনজীবী সমিতি শুধু সুনামগঞ্জ নয় সারা বাংলাদেশেই তারা তাদের প্রতিনিধি নির্বাচনে কখনোই ভুল করে না

তা যে সরকারই ক্ষমতায় থাকুক; সাধারণত ব্যতিক্রম যদি না হয় প্রতিটি বারে একজন সভাপতি সেক্রেটারির মধ্যে একজন আওয়ামী লীগের হলে অপরজন বিএনপির হবে,  ঠিক এভাবেই রেজাল্ট হয় প্রায়  প্রতিবছর

বাট  এইবার এক্সেপশনাল;

দুটি পদই বিএনপি’র প্রতিকূলে চলে গেলো!

এবং ইহাই প্রধানত এডঃ বাবুলের ভূমিধ্বস পরাজয়ের  কারণ বলে অনেকেই মনে করেন।

 

সাধারণ সম্পাদক হিসেবে এডঃ হুমায়ুন কবির বিপুল ভোটে জয়লাভ করেন প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে ছিলেন বিএনপি’র শক্তিশালী নেতা এবং জেলা বিএনপি’র সদস্য সচিব জনাব আব্দুল হক সাহেবের জুনিয়র এডভোকেট জনাব মোশাহিদ  আলী, একাধারে তিনি বিএনপি নেতা এবং আদালত প্রাঙ্গনে উনার নিজস্ব একটা ভোট ব্যাংক আছে এবং উনার নিজেস্ব একটা অবস্থান আছে।

তাছাড়া এডভোকেট মোশাহিদ আলী ব্যক্তিগতভাবে স্বজ্জন ভদ্র এবং আইনজীবী  সমিতির বর্তমান সভাপতি এডভোকেট আব্দুল হক সাহেবের চেম্বারের হতে উনার ক্যান্ডিটেড হিসেবে সর্বজন স্বীকৃত, তাই তিনিসহ কাহার পরিবারের প্রত্যেক সদস্য, মুশাহিদ আলীকে পরিবারের একজন ক্যান্ডিডেট হওয়াতে চেম্বারের সকল সদস্য  সভাপতি মহোদয়ের পুরো পরিবার উনার পক্ষে কাজ করাতে, স্বভাবতই সকলে ধরে নিয়েছিল ; অন্তত কম্পিটিশনটা হাড্ডাহাড্ডি হবে; আর না হোক ভোটের  ক্ষেত্রে দলীয় প্রার্থীদের মধ্যে তৈয়বুর রহমান বাবুলের চেয়ে ভোট  বেশি হওয়ার কথা ;

তাছাড়া বিএনপির আরেক শক্তিশালী নেতা এডভোকেট মাসুক আলম সাহেব মারাত্মক সিরিয়াস ছিলেন মোশাহিদ আলীর জয় ছিনিয়ে আনার ব্যাপারে!

এত কিছুর পরেও মোশাহিদ আলীর ভূমিধস পরাজয়ের পিছনে অনেকেই এই  # সিন্ডিকেট শব্দটাকে সামনে তুলে আনেন.

 

অনেকের মতে এডভোকেট মোশাহিদ  আলী যদি সিন্ডিকেটের আওতা বহির্ভূত হতেন কিংবা উনি যদি উনার নিজের মতো করে ক্যাম্পেইন করে যেতেন;  জয় না হোক পরাজিত হলেও ব্যবধান এতো থাকতো না!

 

তাছাড়া একই পদে আরো দুইজন বিএনপি নেতা এডভোকেট আব্দুল জলিল, এডঃ জয়শ্রী দেব. তাহারা ইলেকশন করাতে এডভোকেট মোশাহিদ আলী পরাজিত হওয়ার আরো অন্যতম একটা কারন হিসাবে আলোচনায় আসে ইলেকশনের আগের দিন পর্যন্ত যে বিষয়টা আলোচনায় ছিল যে;

বিএনপি ক্যান্ডিডেটরা সুবিধাজনক অবস্থানে থাকবেন, কারণ বিএনপি ক্ষমতায় আসছে,

সেই হিসেবে, মানুষ যেহেতু স্বভাবতই ক্ষমতার কাছাকাছি থাকতে চায়, সেই দিক বিবেচনায় ফলাফল,

যদি কিছু একটা হয়ে যায়।

 

উল্লেখ থাকা আবশ্যক যে ;

নির্বাচিত সভাপতি এডভোকেট আব্দুল হামিদ এবং নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক এডঃ হুমায়ুন কবির দুজনেই গতবছর ইলেকশন করে ফলাফল খারাপ করেছিলেন।

আইনজীবী সমিতির ট্রেডিশন অনুসারে এক বছর ফেল করার পরে পরের বছর সিমপ্যাথি ভোট  ফলাফল নির্ধারণে অনেকটা কাজ করে।