সুনামগঞ্জের বালুমহাল ও নদীতে বালু-পাথর লুটকাণ্ডে সহযোগিতায় ডিসি-ইউএনওসহ ১০ জনকে হাইকোর্টের কারণ দর্শানোর নোটিশ
- আপডেট সময়ঃ ০৯:৫৫:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ নভেম্বর ২০২৫
- / ৪৮ বার পড়া হয়েছে।
সুনামগঞ্জের ডিসি ড. মো. ইলিয়াস মিয়া, তাহিরপুরের ইউএনও মেহেদী হাসান মানিক, বিশ্বম্ভরপুরের ইউএনও মেরিনা দেবনাথ ও এসিল্যান্ড (ভূমি) সাহরুখ আলম শান্তনুসহ ১০ জনকে কারণ দর্শানোর নোটিশ পাঠানো হয়েছে।
খনিজ বালি, পাথর চুরি ও লুটকাণ্ডে গোপন সহযোগিতা এবং উচ্চ আদালতের আদেশ অবমাননার অভিযোগে এ নোটিশ পাঠানো হয়েছে।
মঙ্গলবার হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চের বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি আসিফ হাসানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চে শুনানি শেষে অভিযুক্তদের নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে লিখিত ব্যাখ্যা দাখিল করতে আদেশ দেওয়া হয়।
মামলার বাদী উচ্চ আদালতে অভিযোগ করেন, হাইকোর্টের পূর্বের নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও ইজারার নীতিমালার শর্তাদি ভঙ্গ করে জাদুকাটা বালি মহাল-১, ২ ও মহালবহির্র্ভূত সীমানায় জাদুকাটা নদীর পাড় কাটা, সেইভ মেশিনে খনিজ বালি-পাথর চুরি, লুটকাণ্ডে মোটা অঙ্কের ঘুস নিয়ে গোপনে সহযোগিতা করছেন সুনামগঞ্জের ডিসি, তাহিরপুর এবং বিশ্বম্ভপুরের ইউএনও, এসিল্যান্ড, এএসপি (তাহিরপুর সার্কেল), ওসি, এসিল্যান্ডসহ তাদের অধীনে দায়িত্বরতরা।
এসব লুটপাট-চুরির ঘটনা আড়াল করতে সুনামগঞ্জ জেলা, উপজেলা প্রশাসন, স্থানীয় থানা পুলিশের পক্ষ থেকে কালেভদ্রে লোকদেখানো ‘অভিযান’ পরিচালনা করা হয়। এমন নানামুখী নাটকীয়তার অভিযোগও আদালতের নজরে আনা হয়েছে।
ইউএনও মেহেদী হাসান জানান, আদালতের আদেশের কপি এখনো পাইনি। তবে, তিনি আশ্বাস দিয়েছেন যে আদালতের আদেশ পাওয়ার পর যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন।
এদিকে, সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে তারা আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করবে এবং বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু করবে।
স্থানীয় জনগণও এই বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবং তারা আশা করছেন যে প্রশাসন দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। আদালতের আদেশের পরিপ্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত ও ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সকলেই অপেক্ষা করছেন।
তথ্য সহায়তাঃযুগান্তর





















