০৫:৪১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬

সুনামগঞ্জের বালুমহাল ও নদীতে বালু-পাথর লুটকাণ্ডে সহযোগিতায় ডিসি-ইউএনওসহ ১০ জনকে হাইকোর্টের কারণ দর্শানোর নোটিশ

হক বার্তা ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময়ঃ ০৯:৫৫:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ নভেম্বর ২০২৫
  • / ৪৮ বার পড়া হয়েছে।

‎সুনামগঞ্জের ডিসি ড. মো. ইলিয়াস মিয়া, তাহিরপুরের ইউএনও মেহেদী হাসান মানিক, বিশ্বম্ভরপুরের ইউএনও মেরিনা দেবনাথ ও এসিল্যান্ড (ভূমি) সাহরুখ আলম শান্তনুসহ ১০ জনকে কারণ দর্শানোর নোটিশ পাঠানো হয়েছে। 

‎খনিজ বালি, পাথর চুরি ও লুটকাণ্ডে গোপন সহযোগিতা এবং উচ্চ আদালতের আদেশ অবমাননার অভিযোগে এ নোটিশ পাঠানো হয়েছে।

‎মঙ্গলবার হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চের বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি আসিফ হাসানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চে শুনানি শেষে অভিযুক্তদের নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে লিখিত ব্যাখ্যা দাখিল করতে আদেশ দেওয়া হয়।

‎মামলার বাদী উচ্চ আদালতে অভিযোগ করেন, হাইকোর্টের পূর্বের নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও ইজারার নীতিমালার শর্তাদি ভঙ্গ করে জাদুকাটা বালি মহাল-১, ২ ও মহালবহির্র্ভূত সীমানায় জাদুকাটা নদীর পাড় কাটা, সেইভ মেশিনে খনিজ বালি-পাথর চুরি, লুটকাণ্ডে মোটা অঙ্কের ঘুস নিয়ে গোপনে সহযোগিতা করছেন সুনামগঞ্জের ডিসি, তাহিরপুর এবং বিশ্বম্ভপুরের ইউএনও, এসিল্যান্ড, এএসপি (তাহিরপুর সার্কেল), ওসি, এসিল্যান্ডসহ তাদের অধীনে দায়িত্বরতরা।

‎এসব লুটপাট-চুরির ঘটনা আড়াল করতে সুনামগঞ্জ জেলা, উপজেলা প্রশাসন, স্থানীয় থানা পুলিশের পক্ষ থেকে কালেভদ্রে লোকদেখানো ‘অভিযান’ পরিচালনা করা হয়। এমন নানামুখী নাটকীয়তার অভিযোগও আদালতের নজরে আনা হয়েছে।

‎ইউএনও মেহেদী হাসান জানান, আদালতের আদেশের কপি এখনো পাইনি। তবে, তিনি আশ্বাস দিয়েছেন যে আদালতের আদেশ পাওয়ার পর যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন।

‎এদিকে, সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে তারা আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করবে এবং বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু করবে।

‎স্থানীয় জনগণও এই বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবং তারা আশা করছেন যে প্রশাসন দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। আদালতের আদেশের পরিপ্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত ও ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সকলেই অপেক্ষা করছেন।

‎তথ্য সহায়তাঃযুগান্তর

নিউজটি শেয়ার করুন

বিস্তারিত লিখুনঃ

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

সুনামগঞ্জের বালুমহাল ও নদীতে বালু-পাথর লুটকাণ্ডে সহযোগিতায় ডিসি-ইউএনওসহ ১০ জনকে হাইকোর্টের কারণ দর্শানোর নোটিশ

আপডেট সময়ঃ ০৯:৫৫:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ নভেম্বর ২০২৫

‎সুনামগঞ্জের ডিসি ড. মো. ইলিয়াস মিয়া, তাহিরপুরের ইউএনও মেহেদী হাসান মানিক, বিশ্বম্ভরপুরের ইউএনও মেরিনা দেবনাথ ও এসিল্যান্ড (ভূমি) সাহরুখ আলম শান্তনুসহ ১০ জনকে কারণ দর্শানোর নোটিশ পাঠানো হয়েছে। 

‎খনিজ বালি, পাথর চুরি ও লুটকাণ্ডে গোপন সহযোগিতা এবং উচ্চ আদালতের আদেশ অবমাননার অভিযোগে এ নোটিশ পাঠানো হয়েছে।

‎মঙ্গলবার হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চের বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি আসিফ হাসানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চে শুনানি শেষে অভিযুক্তদের নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে লিখিত ব্যাখ্যা দাখিল করতে আদেশ দেওয়া হয়।

‎মামলার বাদী উচ্চ আদালতে অভিযোগ করেন, হাইকোর্টের পূর্বের নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও ইজারার নীতিমালার শর্তাদি ভঙ্গ করে জাদুকাটা বালি মহাল-১, ২ ও মহালবহির্র্ভূত সীমানায় জাদুকাটা নদীর পাড় কাটা, সেইভ মেশিনে খনিজ বালি-পাথর চুরি, লুটকাণ্ডে মোটা অঙ্কের ঘুস নিয়ে গোপনে সহযোগিতা করছেন সুনামগঞ্জের ডিসি, তাহিরপুর এবং বিশ্বম্ভপুরের ইউএনও, এসিল্যান্ড, এএসপি (তাহিরপুর সার্কেল), ওসি, এসিল্যান্ডসহ তাদের অধীনে দায়িত্বরতরা।

‎এসব লুটপাট-চুরির ঘটনা আড়াল করতে সুনামগঞ্জ জেলা, উপজেলা প্রশাসন, স্থানীয় থানা পুলিশের পক্ষ থেকে কালেভদ্রে লোকদেখানো ‘অভিযান’ পরিচালনা করা হয়। এমন নানামুখী নাটকীয়তার অভিযোগও আদালতের নজরে আনা হয়েছে।

‎ইউএনও মেহেদী হাসান জানান, আদালতের আদেশের কপি এখনো পাইনি। তবে, তিনি আশ্বাস দিয়েছেন যে আদালতের আদেশ পাওয়ার পর যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন।

‎এদিকে, সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে তারা আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করবে এবং বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু করবে।

‎স্থানীয় জনগণও এই বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবং তারা আশা করছেন যে প্রশাসন দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। আদালতের আদেশের পরিপ্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত ও ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সকলেই অপেক্ষা করছেন।

‎তথ্য সহায়তাঃযুগান্তর