০৪:১৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬

সুনামগঞ্জে যৌথ অভিযানে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় জিরা ও ফুসকা আটক

হক বার্তা ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময়ঃ ১২:১৫:৪৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২২ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / ৮৭ বার পড়া হয়েছে।

‎সুনামগঞ্জ ব্যাটালিয়ন (২৮ বিজিবি) কর্তৃক বিপুল পরিমাণ ভারতীয় জিরা ও ফুসকা আটক করা হয়েছে। 

‎রবিবার (২১ ডিসেম্বর ২০২৫) আনুমানিক বিকেল ৪টায় সুনামগঞ্জ ব্যাটালিয়নের দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার ঘাগটিয়া গ্রামের একটি পরিত্যক্ত ঘরে সেনাবাহিনী ও বিজিবির একটি বিশেষ আভিযানিক দল যৌথ অভিযান পরিচালনা করে।

‎বিজিবি সূত্রে জানা যায়, গোপন গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পরিচালিত এ অভিযানে মালিকবিহীন অবস্থায় আনুমানিক ২ হাজার ৫০০ কেজি ভারতীয় জিরা এবং ৯ হাজার ৫০০ কেজি ভারতীয় ফুসকা আটক করা হয়। আটককৃত এসব পণ্যের সর্বমোট আনুমানিক সিজার মূল্য প্রায় ৪০ লাখ টাকা।

‎অভিযানে সেনাবাহিনীর একজন অফিসারসহ মোট ১৫ জন সদস্য এবং বিজিবির জেসিও-১০০১২ নায়েব সুবেদার কাজী মো. কামালের নেতৃত্বে ১৪ জন বিজিবি সদস্য অংশগ্রহণ করেন। সর্বমোট ৩০ জনের সমন্বয়ে এ যৌথ অভিযান পরিচালিত হয়।

‎এ বিষয়ে অধিনায়ক, সুনামগঞ্জ ব্যাটালিয়ন (২৮ বিজিবি) জানান, উর্ধ্বতন সদর দপ্তরের নির্দেশনা অনুযায়ী সীমান্তে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি চোরাই পথে ভারতীয় অবৈধ পণ্য প্রবেশ রোধে এবং সরকারের রাজস্ব ক্ষতি প্রতিরোধে বিজিবির আভিযানিক কার্যক্রম ও গোয়েন্দা তৎপরতা অব্যাহত থাকবে।

‎তিনি আরও জানান, আটককৃত ভারতীয় জিরা ও ফুসকা আইনানুগ প্রক্রিয়া শেষে শুল্ক কার্যালয়, সুনামগঞ্জে জমা দেওয়ার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।

‎অভিযানের সফলতার বিষয়ে স্থানীয় জনগণ সন্তোষ প্রকাশ করেছেন এবং বিজিবির কার্যক্রমের প্রশংসা করেছেন। তারা আশা প্রকাশ করেছেন যে ভবিষ্যতে এ ধরনের অভিযান আরও জোরদার হবে, যাতে সীমান্তবর্তী এলাকায় চোরাচালান কার্যক্রম সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করা যায়।

‎এদিকে, সুনামগঞ্জ ব্যাটালিয়ন (২৮ বিজিবি) তাদের দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করার পরিকল্পনা করছে। সীমান্ত এলাকায় নজরদারি বাড়ানোর পাশাপাশি স্থানীয় জনগণের সাথে সমন্বয় করে সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

‎বিজিবির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, সীমান্তবর্তী এলাকায় চোরাচালান রোধে স্থানীয় প্রশাসনের সাথে যৌথভাবে কাজ করা হবে এবং এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে পরিচালিত হবে। জনগণের সহযোগিতা পেলে এ ধরনের অপতৎপরতা দমন করা আরও সহজ হবে বলে তারা মনে করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

বিস্তারিত লিখুনঃ

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

সুনামগঞ্জে যৌথ অভিযানে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় জিরা ও ফুসকা আটক

আপডেট সময়ঃ ১২:১৫:৪৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২২ ডিসেম্বর ২০২৫

‎সুনামগঞ্জ ব্যাটালিয়ন (২৮ বিজিবি) কর্তৃক বিপুল পরিমাণ ভারতীয় জিরা ও ফুসকা আটক করা হয়েছে। 

‎রবিবার (২১ ডিসেম্বর ২০২৫) আনুমানিক বিকেল ৪টায় সুনামগঞ্জ ব্যাটালিয়নের দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার ঘাগটিয়া গ্রামের একটি পরিত্যক্ত ঘরে সেনাবাহিনী ও বিজিবির একটি বিশেষ আভিযানিক দল যৌথ অভিযান পরিচালনা করে।

‎বিজিবি সূত্রে জানা যায়, গোপন গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পরিচালিত এ অভিযানে মালিকবিহীন অবস্থায় আনুমানিক ২ হাজার ৫০০ কেজি ভারতীয় জিরা এবং ৯ হাজার ৫০০ কেজি ভারতীয় ফুসকা আটক করা হয়। আটককৃত এসব পণ্যের সর্বমোট আনুমানিক সিজার মূল্য প্রায় ৪০ লাখ টাকা।

‎অভিযানে সেনাবাহিনীর একজন অফিসারসহ মোট ১৫ জন সদস্য এবং বিজিবির জেসিও-১০০১২ নায়েব সুবেদার কাজী মো. কামালের নেতৃত্বে ১৪ জন বিজিবি সদস্য অংশগ্রহণ করেন। সর্বমোট ৩০ জনের সমন্বয়ে এ যৌথ অভিযান পরিচালিত হয়।

‎এ বিষয়ে অধিনায়ক, সুনামগঞ্জ ব্যাটালিয়ন (২৮ বিজিবি) জানান, উর্ধ্বতন সদর দপ্তরের নির্দেশনা অনুযায়ী সীমান্তে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি চোরাই পথে ভারতীয় অবৈধ পণ্য প্রবেশ রোধে এবং সরকারের রাজস্ব ক্ষতি প্রতিরোধে বিজিবির আভিযানিক কার্যক্রম ও গোয়েন্দা তৎপরতা অব্যাহত থাকবে।

‎তিনি আরও জানান, আটককৃত ভারতীয় জিরা ও ফুসকা আইনানুগ প্রক্রিয়া শেষে শুল্ক কার্যালয়, সুনামগঞ্জে জমা দেওয়ার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।

‎অভিযানের সফলতার বিষয়ে স্থানীয় জনগণ সন্তোষ প্রকাশ করেছেন এবং বিজিবির কার্যক্রমের প্রশংসা করেছেন। তারা আশা প্রকাশ করেছেন যে ভবিষ্যতে এ ধরনের অভিযান আরও জোরদার হবে, যাতে সীমান্তবর্তী এলাকায় চোরাচালান কার্যক্রম সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করা যায়।

‎এদিকে, সুনামগঞ্জ ব্যাটালিয়ন (২৮ বিজিবি) তাদের দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করার পরিকল্পনা করছে। সীমান্ত এলাকায় নজরদারি বাড়ানোর পাশাপাশি স্থানীয় জনগণের সাথে সমন্বয় করে সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

‎বিজিবির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, সীমান্তবর্তী এলাকায় চোরাচালান রোধে স্থানীয় প্রশাসনের সাথে যৌথভাবে কাজ করা হবে এবং এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে পরিচালিত হবে। জনগণের সহযোগিতা পেলে এ ধরনের অপতৎপরতা দমন করা আরও সহজ হবে বলে তারা মনে করেন।