০৫:৪৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬

সুনামগঞ্জ-১ ও ২ আসনে বিএনপির প্রার্থী নিয়ে নাটকীয়তা: আলোচনায় নতুন মুখ

হক বার্তা ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময়ঃ ১১:০৭:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / ১২০ বার পড়া হয়েছে।

‎​সুনামগঞ্জের দুটি সংসদীয় আসনে বিএনপির মনোনয়ন নিয়ে নতুন মেরুকরণ তৈরি হয়েছে। দলীয় মহাসচিবের স্বাক্ষরিত পৃথক চিঠিতে ভিন্ন ভিন্ন নেতার নাম আসায় নেতাকর্মীদের মধ্যে কৌতূহল ও উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়েছে।

‎​সুনামগঞ্জ-২ (দিরাই-শাল্লা): দুই প্রার্থীকে মনোনয়ন ​এই দুই আসনে বিএনপির দুইজন নেতাকে প্রাথমিকভাবে দলের মনোনীত প্রার্থী হিসেবে চিঠি দেওয়া হয়েছে।

‎​নাছির উদ্দীন চৌধুরী: সাবেক এই সংসদ সদস্য ও জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্যের নাম দলীয় মহাসচিব দ্বিতীয় পর্যায়ের প্রার্থী তালিকায় ঘোষণা করেছিলেন। তিনি বর্তমানে মাঠ পর্যায়ে নির্বাচনী প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন।

‎​তাহির রায়হান চৌধুরী পাভেল: রবিবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জেলা বিএনপির সাবেক উপদেষ্টা ও যুক্তরাজ্য প্রবাসী এই নেতার নামে মহাসচিবের স্বাক্ষরিত (২০ ডিসেম্বর তারিখের) একটি চিঠি ভাইরাল হয়।

‎​সিলেট বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক জিকে গৌছ জানিয়েছেন, কৌশলী কারণে দুজনকে মনোনয়নপত্র জমা দিতে বলা হয়েছে। তবে ২১ জানুয়ারি প্রতীক বরাদ্দের সময় একজন তার প্রার্থীতা প্রত্যাহার করবেন।

‎​সুনামগঞ্জ-১ (ধর্মপাশা-জামালগঞ্জ-তাহিরপুর-মধ্যনগর): নেতৃত্বে পরিবর্তন

‎​সুনামগঞ্জ-১ আসনে ৩ ডিসেম্বর সাবেক সহ-সভাপতি আনিসুল হককে মনোনয়ন দেওয়া হলেও ২৭ ডিসেম্বরের এক চিঠিতে দৃশ্যপট বদলে যায়।

‎​নতুন প্রার্থী কামরুজ্জামান কামরুল: জেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান কামরুলকে মনোনীত করে মহাসচিবের স্বাক্ষরিত নতুন চিঠি ভাইরাল হয়েছে।

‎​

‎কামরুল জানান, দলীয় কার্যালয় থেকে ফোন পাওয়ার পর তার আত্মীয় চিঠিটি গ্রহণ করেছেন। তিনি ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে লড়াই করার বিষয়ে শতভাগ আশাবাদী।

‎​মাঠ পর্যায়ের পরিস্থিতিঃ

‎​কামরুজ্জামান কামরুলের নাম আসার পর থেকে এলাকায় নেতাকর্মীদের মাঝে নতুন প্রাণচাঞ্চল্য দেখা দিয়েছে। অনেকেই এই সিদ্ধান্তকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। কামরুল ইতিমধ্যে নির্বাচনী এলাকায় সভা-সমাবেশ ও মতবিনিময় সভার মাধ্যমে প্রচারণা জোরদার করেছেন। স্থানীয় জনগণের সমস্যা সমাধান ও কার্যকর পদক্ষেপের প্রতিশ্রুতি দিয়ে তিনি জনসমর্থন আদায়ের চেষ্টা চালাচ্ছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

বিস্তারিত লিখুনঃ

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

সুনামগঞ্জ-১ ও ২ আসনে বিএনপির প্রার্থী নিয়ে নাটকীয়তা: আলোচনায় নতুন মুখ

আপডেট সময়ঃ ১১:০৭:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫

‎​সুনামগঞ্জের দুটি সংসদীয় আসনে বিএনপির মনোনয়ন নিয়ে নতুন মেরুকরণ তৈরি হয়েছে। দলীয় মহাসচিবের স্বাক্ষরিত পৃথক চিঠিতে ভিন্ন ভিন্ন নেতার নাম আসায় নেতাকর্মীদের মধ্যে কৌতূহল ও উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়েছে।

‎​সুনামগঞ্জ-২ (দিরাই-শাল্লা): দুই প্রার্থীকে মনোনয়ন ​এই দুই আসনে বিএনপির দুইজন নেতাকে প্রাথমিকভাবে দলের মনোনীত প্রার্থী হিসেবে চিঠি দেওয়া হয়েছে।

‎​নাছির উদ্দীন চৌধুরী: সাবেক এই সংসদ সদস্য ও জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্যের নাম দলীয় মহাসচিব দ্বিতীয় পর্যায়ের প্রার্থী তালিকায় ঘোষণা করেছিলেন। তিনি বর্তমানে মাঠ পর্যায়ে নির্বাচনী প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন।

‎​তাহির রায়হান চৌধুরী পাভেল: রবিবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জেলা বিএনপির সাবেক উপদেষ্টা ও যুক্তরাজ্য প্রবাসী এই নেতার নামে মহাসচিবের স্বাক্ষরিত (২০ ডিসেম্বর তারিখের) একটি চিঠি ভাইরাল হয়।

‎​সিলেট বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক জিকে গৌছ জানিয়েছেন, কৌশলী কারণে দুজনকে মনোনয়নপত্র জমা দিতে বলা হয়েছে। তবে ২১ জানুয়ারি প্রতীক বরাদ্দের সময় একজন তার প্রার্থীতা প্রত্যাহার করবেন।

‎​সুনামগঞ্জ-১ (ধর্মপাশা-জামালগঞ্জ-তাহিরপুর-মধ্যনগর): নেতৃত্বে পরিবর্তন

‎​সুনামগঞ্জ-১ আসনে ৩ ডিসেম্বর সাবেক সহ-সভাপতি আনিসুল হককে মনোনয়ন দেওয়া হলেও ২৭ ডিসেম্বরের এক চিঠিতে দৃশ্যপট বদলে যায়।

‎​নতুন প্রার্থী কামরুজ্জামান কামরুল: জেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান কামরুলকে মনোনীত করে মহাসচিবের স্বাক্ষরিত নতুন চিঠি ভাইরাল হয়েছে।

‎​

‎কামরুল জানান, দলীয় কার্যালয় থেকে ফোন পাওয়ার পর তার আত্মীয় চিঠিটি গ্রহণ করেছেন। তিনি ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে লড়াই করার বিষয়ে শতভাগ আশাবাদী।

‎​মাঠ পর্যায়ের পরিস্থিতিঃ

‎​কামরুজ্জামান কামরুলের নাম আসার পর থেকে এলাকায় নেতাকর্মীদের মাঝে নতুন প্রাণচাঞ্চল্য দেখা দিয়েছে। অনেকেই এই সিদ্ধান্তকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। কামরুল ইতিমধ্যে নির্বাচনী এলাকায় সভা-সমাবেশ ও মতবিনিময় সভার মাধ্যমে প্রচারণা জোরদার করেছেন। স্থানীয় জনগণের সমস্যা সমাধান ও কার্যকর পদক্ষেপের প্রতিশ্রুতি দিয়ে তিনি জনসমর্থন আদায়ের চেষ্টা চালাচ্ছেন।