০৪:০৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬

হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের দ্বিতীয় বৃহত্তম ‎ধর্মীয় উৎসব কালী পূজা আজ শুরু

স্টাফ রিপোর্টারঃ
  • আপডেট সময়ঃ ১০:২৮:৫৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ অক্টোবর ২০২৫
  • / ১৫৯ বার পড়া হয়েছে।

‎হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসব কালী পূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

‎সুনামগঞ্জ শহরের ষোলঘর ধোপাখালী এলাকায় সোমবার কেন্দ্রীয় শশ্মানঘাটে এই কালিপূজা অনুষ্ঠিত হয়। 

‎কার্তিক মাসের অমবস্যা তিথিতে সাধারণত শ্যামা পূজা বা কালী পূজা অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। কালী পূজার দিন সনাতন ধর্মাবলম্বীরা সন্ধ্যায় তাদের বাড়িতে ও শ্মশানে প্রদীপ প্রজ্জ্বলন করে স্বর্গীয় পিতা-মাতা ও আত্মীয়-স্বজনদের স্মরণ করেন।

‎ধর্মীয় গ্রন্থ পুরাণ অনুসারে সৃষ্টির শুরুতে শ্রীবিষ্ণু তখন যোগনিদ্রায় মগ্ন ছিলেন। সেই সময় বিষ্ণুর নাভিপদ্ম থেকে উৎপত্তি হয় প্রজাপতি ব্রহ্মার। এই সময় বিষ্ণুর কর্ণকমল থেকে দুটি দৈত্যের জন্ম হয়। এই দুই দৈত্যের নাম ছিল মধু ও কৈটভ। মধু ও কৈটভ নামে এই দুই দৈত্য ব্রহ্মাকে আক্রমণ করতে উদ্যত হয়। তখন ব্রহ্মা মহাকালীর স্তব শুরু করেন। ভক্তের ডাকে আদ্যা শক্তি মহামায়া কালী রূপে আবির্ভূতা হন। মা কালীর বিভিন্ন রূপ রয়েছে। কোথাও তিনি ভদ্রকালী, কোথাও তিনি রক্ষাকালী, কোথাও আবার শ্মশানকালী, কোথাও আবার তিনি শকুন্তলা কালী। শুক্রবার হবে বিসর্জন। এ উপলক্ষে কেন্দ্রীয় শশ্মানঘাট আশপাশ এলাকা ঢেলে সাজানো হয়েছে। সার্বিক নিরাপত্তায় সিসি ক‍্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে।

‎শশ্মানঘাট পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক অরুন দে, কোষাধ‍্যক্ষ সুমন সাহা সোমবার রাতে জানান, কেন্দ্রীয় শশ্মানঘাটে এই কালিপূজা নিরাপত্তার মধ‍্যদিয়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

বিস্তারিত লিখুনঃ

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের দ্বিতীয় বৃহত্তম ‎ধর্মীয় উৎসব কালী পূজা আজ শুরু

আপডেট সময়ঃ ১০:২৮:৫৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ অক্টোবর ২০২৫

‎হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসব কালী পূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

‎সুনামগঞ্জ শহরের ষোলঘর ধোপাখালী এলাকায় সোমবার কেন্দ্রীয় শশ্মানঘাটে এই কালিপূজা অনুষ্ঠিত হয়। 

‎কার্তিক মাসের অমবস্যা তিথিতে সাধারণত শ্যামা পূজা বা কালী পূজা অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। কালী পূজার দিন সনাতন ধর্মাবলম্বীরা সন্ধ্যায় তাদের বাড়িতে ও শ্মশানে প্রদীপ প্রজ্জ্বলন করে স্বর্গীয় পিতা-মাতা ও আত্মীয়-স্বজনদের স্মরণ করেন।

‎ধর্মীয় গ্রন্থ পুরাণ অনুসারে সৃষ্টির শুরুতে শ্রীবিষ্ণু তখন যোগনিদ্রায় মগ্ন ছিলেন। সেই সময় বিষ্ণুর নাভিপদ্ম থেকে উৎপত্তি হয় প্রজাপতি ব্রহ্মার। এই সময় বিষ্ণুর কর্ণকমল থেকে দুটি দৈত্যের জন্ম হয়। এই দুই দৈত্যের নাম ছিল মধু ও কৈটভ। মধু ও কৈটভ নামে এই দুই দৈত্য ব্রহ্মাকে আক্রমণ করতে উদ্যত হয়। তখন ব্রহ্মা মহাকালীর স্তব শুরু করেন। ভক্তের ডাকে আদ্যা শক্তি মহামায়া কালী রূপে আবির্ভূতা হন। মা কালীর বিভিন্ন রূপ রয়েছে। কোথাও তিনি ভদ্রকালী, কোথাও তিনি রক্ষাকালী, কোথাও আবার শ্মশানকালী, কোথাও আবার তিনি শকুন্তলা কালী। শুক্রবার হবে বিসর্জন। এ উপলক্ষে কেন্দ্রীয় শশ্মানঘাট আশপাশ এলাকা ঢেলে সাজানো হয়েছে। সার্বিক নিরাপত্তায় সিসি ক‍্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে।

‎শশ্মানঘাট পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক অরুন দে, কোষাধ‍্যক্ষ সুমন সাহা সোমবার রাতে জানান, কেন্দ্রীয় শশ্মানঘাটে এই কালিপূজা নিরাপত্তার মধ‍্যদিয়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে।