০৬:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা আসিফ, মাহফুজের সঙ্গে খলিলুর-এর অব্যাহতি চাইল বিএনপি

হক বার্তা ডেস্ক রিপোর্ট :
  • আপডেট সময়ঃ ০৮:০৫:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ মে ২০২৫
  • / ১০২ বার পড়া হয়েছে।

‎অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া ও মাহফুজ আলমের সঙ্গে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমানকে অব্যাহতি দেওয়ার দাবি জানিয়েছে বিএনপি। 

‎বিএনপি বলেছে, অন্তর্বর্তী সরকারের নিরপেক্ষতা রক্ষার জন্য উপদেষ্টাদের অব্যাহতি দিতে হবে। আর জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার গতকালের বক্তব্য আবারও নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। তাই সরকারের ভাবমূর্তি রক্ষায় তাঁকেও অব্যাহতি দিতে হবে।

‎আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজধানীর গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন এই দাবি জানান।

‎তিনি বলেন, ‘ফ্যাসিবাদ বিরোধী ঐক্যের স্বার্থে অন্তর্বর্তী সরকারকে সর্বোচ্চ নিরপেক্ষতার অবস্থান বজায় রাখার কথা ছিল। কিন্তু লক্ষ করা যাচ্ছে যে কোনো কোনো মহলের রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করাই যেন সরকারের কর্মপরিকল্পনার অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে।’

‎অন্তর্বর্তী সরকারের সাম্প্রতিক কিছু কর্মকাণ্ডে সরকারের নিরপেক্ষতা নিয়ে জনমনে সংশয় সৃষ্টি হয়েছে উল্লেখ করে খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘অন্তর্বর্তী সরকারের যেসব উপদেষ্টা একটি নতুন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত বলে সবাই জানে ও বোঝে; উপদেষ্টা পরিষদে তাঁদের উপস্থিতি সরকারের নির্দলীয়, নিরপেক্ষ পরিচিতিকে ক্রমাগত প্রশ্নবিদ্ধ করে চলেছে বলেই সরকারের ভাবমূর্তি রক্ষার্থে তাঁদের অব্যাহতি প্রদান করা প্রয়োজন।’

‎খন্দকার মোশাররফ নতুন দল–সংশ্লিষ্ট উপদেষ্টাদের নাম উল্লেখ না করলেও আগের দিন কাকরাইল মোড়ে আন্দোলনরত বিএনপির নেতা–কর্মীদের অবস্থানে যোগ দিয়ে দলটির নেতা ইশরাক হোসেন অন্তর্বর্তী সরকারের নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করার জন্য স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া ও তথ্য উপদেষ্টা মাহফুজ আলমের পদত্যাগ দাবি করেছিলেন। এই উপদেষ্টা পরিষদ বহাল থাকা অবস্থায় সুষ্ঠু, গ্রহণযোগ্য ও সঠিক নির্বাচন অনুষ্ঠান সম্ভব নয় মন্তব্য করে ইশরাক বলেছিলেন, ‘তাই এটাকে (উপদেষ্টা পরিষদকে) পরিবর্তন করতে হবে।’

‎আজকের সংবাদ সম্মেলনে খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘যেহেতু একটি জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠান করাই এই সরকারের প্রধান কাজ, তাই মাথাভারী উপদেষ্টা পরিষদ না রেখে শুধু রুটিন ওয়ার্ক (দৈনন্দিন কার্যক্রম) পরিচালনার জন্য একটি ছোট আকারের উপদেষ্টা পরিষদ রাখাই বাঞ্ছনীয়।’

‎জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমানকে অব্যাহতি দেওয়ার দাবি জানিয়ে খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলন, ‘জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার গতকালকের বক্তব্য আবারও নতুন বির্তকের জন্ম দিয়েছে, সরকারের ভাবমূর্তি রক্ষার্থে তাঁকে অব্যাহতি প্রদান করতে হবে।’

‎জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) গতকালের নির্বাচন কমিশন ঘেরাও কর্মসূচির দিকে ইঙ্গিত করে খন্দকার মোশাররফ বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোর ঐকমত্যের ভিত্তিতে একটি ‘সংস্কার সনদ’ তৈরির প্রক্রিয়ার মধ্যেই আলাপ-আলোচনা অব্যাহত থাকা সত্ত্বেও একই বিষয় নিয়ে এবং স্থানীয় সরকার নির্বাচনের দাবিতে একটি দলের নির্বাচন কমিশন ঘেরাও কর্মসূচি তাঁদের ও সরকারকে বিব্রত করেছে।

‎খন্দকার মোশাররফ নতুন দল–সংশ্লিষ্ট উপদেষ্টাদের নাম উল্লেখ না করলেও আগের দিন কাকরাইল মোড়ে আন্দোলনরত বিএনপির নেতা–কর্মীদের অবস্থানে যোগ দিয়ে দলটির নেতা ইশরাক হোসেন অন্তর্বর্তী সরকারের নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করার জন্য স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া ও তথ্য উপদেষ্টা মাহফুজ আলমের পদত্যাগ দাবি করেছিলেন। এই উপদেষ্টা পরিষদ বহাল থাকা অবস্থায় সুষ্ঠু, গ্রহণযোগ্য ও সঠিক নির্বাচন অনুষ্ঠান সম্ভব নয় মন্তব্য করে ইশরাক বলেছিলেন, ‘তাই এটাকে (উপদেষ্টা পরিষদকে) পরিবর্তন করতে হবে।’

‎আজকের সংবাদ সম্মেলনে খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘যেহেতু একটি জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠান করাই এই সরকারের প্রধান কাজ, তাই মাথাভারী উপদেষ্টা পরিষদ না রেখে শুধু রুটিন ওয়ার্ক (দৈনন্দিন কার্যক্রম) পরিচালনার জন্য একটি ছোট আকারের উপদেষ্টা পরিষদ রাখাই বাঞ্ছনীয়।’

‎জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমানকে অব্যাহতি দেওয়ার দাবি জানিয়ে খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলন, ‘জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার গতকালকের বক্তব্য আবারও নতুন বির্তকের জন্ম দিয়েছে, সরকারের ভাবমূর্তি রক্ষার্থে তাঁকে অব্যাহতি প্রদান করতে হবে।’

‎জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) গতকালের নির্বাচন কমিশন ঘেরাও কর্মসূচির দিকে ইঙ্গিত করে খন্দকার মোশাররফ বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোর ঐকমত্যের ভিত্তিতে একটি ‘সংস্কার সনদ’ তৈরির প্রক্রিয়ার মধ্যেই আলাপ-আলোচনা অব্যাহত থাকা সত্ত্বেও একই বিষয় নিয়ে এবং স্থানীয় সরকার নির্বাচনের দাবিতে একটি দলের নির্বাচন কমিশন ঘেরাও কর্মসূচি তাঁদের ও সরকারকে বিব্রত করেছে।

‎সুত্র:প্রথমআলো

নিউজটি শেয়ার করুন

বিস্তারিত লিখুনঃ

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা আসিফ, মাহফুজের সঙ্গে খলিলুর-এর অব্যাহতি চাইল বিএনপি

আপডেট সময়ঃ ০৮:০৫:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ মে ২০২৫

‎অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া ও মাহফুজ আলমের সঙ্গে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমানকে অব্যাহতি দেওয়ার দাবি জানিয়েছে বিএনপি। 

‎বিএনপি বলেছে, অন্তর্বর্তী সরকারের নিরপেক্ষতা রক্ষার জন্য উপদেষ্টাদের অব্যাহতি দিতে হবে। আর জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার গতকালের বক্তব্য আবারও নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। তাই সরকারের ভাবমূর্তি রক্ষায় তাঁকেও অব্যাহতি দিতে হবে।

‎আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজধানীর গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন এই দাবি জানান।

‎তিনি বলেন, ‘ফ্যাসিবাদ বিরোধী ঐক্যের স্বার্থে অন্তর্বর্তী সরকারকে সর্বোচ্চ নিরপেক্ষতার অবস্থান বজায় রাখার কথা ছিল। কিন্তু লক্ষ করা যাচ্ছে যে কোনো কোনো মহলের রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করাই যেন সরকারের কর্মপরিকল্পনার অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে।’

‎অন্তর্বর্তী সরকারের সাম্প্রতিক কিছু কর্মকাণ্ডে সরকারের নিরপেক্ষতা নিয়ে জনমনে সংশয় সৃষ্টি হয়েছে উল্লেখ করে খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘অন্তর্বর্তী সরকারের যেসব উপদেষ্টা একটি নতুন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত বলে সবাই জানে ও বোঝে; উপদেষ্টা পরিষদে তাঁদের উপস্থিতি সরকারের নির্দলীয়, নিরপেক্ষ পরিচিতিকে ক্রমাগত প্রশ্নবিদ্ধ করে চলেছে বলেই সরকারের ভাবমূর্তি রক্ষার্থে তাঁদের অব্যাহতি প্রদান করা প্রয়োজন।’

‎খন্দকার মোশাররফ নতুন দল–সংশ্লিষ্ট উপদেষ্টাদের নাম উল্লেখ না করলেও আগের দিন কাকরাইল মোড়ে আন্দোলনরত বিএনপির নেতা–কর্মীদের অবস্থানে যোগ দিয়ে দলটির নেতা ইশরাক হোসেন অন্তর্বর্তী সরকারের নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করার জন্য স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া ও তথ্য উপদেষ্টা মাহফুজ আলমের পদত্যাগ দাবি করেছিলেন। এই উপদেষ্টা পরিষদ বহাল থাকা অবস্থায় সুষ্ঠু, গ্রহণযোগ্য ও সঠিক নির্বাচন অনুষ্ঠান সম্ভব নয় মন্তব্য করে ইশরাক বলেছিলেন, ‘তাই এটাকে (উপদেষ্টা পরিষদকে) পরিবর্তন করতে হবে।’

‎আজকের সংবাদ সম্মেলনে খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘যেহেতু একটি জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠান করাই এই সরকারের প্রধান কাজ, তাই মাথাভারী উপদেষ্টা পরিষদ না রেখে শুধু রুটিন ওয়ার্ক (দৈনন্দিন কার্যক্রম) পরিচালনার জন্য একটি ছোট আকারের উপদেষ্টা পরিষদ রাখাই বাঞ্ছনীয়।’

‎জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমানকে অব্যাহতি দেওয়ার দাবি জানিয়ে খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলন, ‘জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার গতকালকের বক্তব্য আবারও নতুন বির্তকের জন্ম দিয়েছে, সরকারের ভাবমূর্তি রক্ষার্থে তাঁকে অব্যাহতি প্রদান করতে হবে।’

‎জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) গতকালের নির্বাচন কমিশন ঘেরাও কর্মসূচির দিকে ইঙ্গিত করে খন্দকার মোশাররফ বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোর ঐকমত্যের ভিত্তিতে একটি ‘সংস্কার সনদ’ তৈরির প্রক্রিয়ার মধ্যেই আলাপ-আলোচনা অব্যাহত থাকা সত্ত্বেও একই বিষয় নিয়ে এবং স্থানীয় সরকার নির্বাচনের দাবিতে একটি দলের নির্বাচন কমিশন ঘেরাও কর্মসূচি তাঁদের ও সরকারকে বিব্রত করেছে।

‎খন্দকার মোশাররফ নতুন দল–সংশ্লিষ্ট উপদেষ্টাদের নাম উল্লেখ না করলেও আগের দিন কাকরাইল মোড়ে আন্দোলনরত বিএনপির নেতা–কর্মীদের অবস্থানে যোগ দিয়ে দলটির নেতা ইশরাক হোসেন অন্তর্বর্তী সরকারের নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করার জন্য স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া ও তথ্য উপদেষ্টা মাহফুজ আলমের পদত্যাগ দাবি করেছিলেন। এই উপদেষ্টা পরিষদ বহাল থাকা অবস্থায় সুষ্ঠু, গ্রহণযোগ্য ও সঠিক নির্বাচন অনুষ্ঠান সম্ভব নয় মন্তব্য করে ইশরাক বলেছিলেন, ‘তাই এটাকে (উপদেষ্টা পরিষদকে) পরিবর্তন করতে হবে।’

‎আজকের সংবাদ সম্মেলনে খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘যেহেতু একটি জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠান করাই এই সরকারের প্রধান কাজ, তাই মাথাভারী উপদেষ্টা পরিষদ না রেখে শুধু রুটিন ওয়ার্ক (দৈনন্দিন কার্যক্রম) পরিচালনার জন্য একটি ছোট আকারের উপদেষ্টা পরিষদ রাখাই বাঞ্ছনীয়।’

‎জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমানকে অব্যাহতি দেওয়ার দাবি জানিয়ে খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলন, ‘জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার গতকালকের বক্তব্য আবারও নতুন বির্তকের জন্ম দিয়েছে, সরকারের ভাবমূর্তি রক্ষার্থে তাঁকে অব্যাহতি প্রদান করতে হবে।’

‎জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) গতকালের নির্বাচন কমিশন ঘেরাও কর্মসূচির দিকে ইঙ্গিত করে খন্দকার মোশাররফ বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোর ঐকমত্যের ভিত্তিতে একটি ‘সংস্কার সনদ’ তৈরির প্রক্রিয়ার মধ্যেই আলাপ-আলোচনা অব্যাহত থাকা সত্ত্বেও একই বিষয় নিয়ে এবং স্থানীয় সরকার নির্বাচনের দাবিতে একটি দলের নির্বাচন কমিশন ঘেরাও কর্মসূচি তাঁদের ও সরকারকে বিব্রত করেছে।

‎সুত্র:প্রথমআলো