০৬:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

নাটোরে আওয়ামী লীগের অফিস দখল করে বিএনপির কার্যালয়

হক বার্তা ডেস্ক রিপোর্ট :
  • আপডেট সময়ঃ ০৯:২২:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ মে ২০২৫
  • / ৮৯ বার পড়া হয়েছে।

‎নাটোরের বড়াইগ্রামে আওয়ামী লীগের অফিস দখল করে ইউনিয়ন বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় করা হয়েছে।

স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা সেখানে ‘বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি ৪ নম্বর নগর ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়’ লেখা সাইনবোর্ড দ দিয়েছেন।

‎ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে গত ৫ আগস্ট উপজেলার নগর ইউনিয়নের ধানাইদহ বাজারের আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ আব্দুল কুদ্দুসের ছেলের ‘শহীদ কল্লোল স্মৃতি সংঘের’ এ কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে।

‎এই কার্যালয় শহীদ কল্লোল স্মৃতি সংঘ নামে হলেও নগর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও উপজেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক নীলুফার ইয়াসমিন ডালু ব্যবহার করতেন। এখানে জেলা ও উপজেলা আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীদের নিয়মিত উঠা-বসা ছিল।

‎পুড়ে যাওয়া আধা পাকা কার্যালয়টিতে উপরের টিনের চাল নষ্ট হলেও দেয়াল ঠিক ছিল। সেখানেই ‘বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি ৪ নম্বর নগর ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের কেন্দ্রীয় কার্যালয় করা হয়েছে।

‎স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নগর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি সাজদার রহমান, ৮ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আসাব সরকার, ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি আতাউর রহমান, ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি তৌরাদ মন্ডল এই কার্যালয় নিয়ন্ত্রণ করেন। এই কার্যালয়ে ইউনিয়ন বিএনপির বেশির ভাগ সদস্য নিয়মিত আড্ডা দেন।

‎আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে সাইনবোর্ড টাঙানো বিষয়ে বিএনপি নেতা সাজদার রহমান বলেন, এই অফিসের জায়গার মালিক ৮ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আসাব সরকার। নীলুফার ইয়াসমিন ডালু দখল করে অফিস বানিয়েছিল। ৫ আগস্ট বিএনপি ও আসাব সরকারের ছেলে সেটি পুড়িয়ে দেয়। পরে সেটি আবার মেরামত করে দলীয় কার্যালয় করা হয়েছে।

‎নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক নগর ইউনিয়নের এক আওয়ামীলীগের এক নেতা বলেন, এভাবে রাজনৈতিক দলের কার্যালয় দখল করা নিন্দনীয়। কিন্তু চলমান পরিস্থিতিতে আমাদের কিছু করার নেই। নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তার স্বার্থে প্রকাশ্যে কিছু বলতে পারছি না।

‎উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক আব্দুল কাদের মিয়া বলেন, আওয়ামীলীগের অফিস দখলে নেওয়া ও সাইনবোর্ড টাঙানোর বিষয় আমরা জানি না। এ ব্যাপারে আমি কিছু বলতেও চাই না।

‎বড়াইগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম সারোয়ার হোসেন বলেন, এ বিষয়ে থানায় কেউ লিখিত অভিযোগ করেননি। বিষয়টি আমার জানা নেই।

#@#

‎সুত্র:ইত্তেফাক

নিউজটি শেয়ার করুন

বিস্তারিত লিখুনঃ

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

নাটোরে আওয়ামী লীগের অফিস দখল করে বিএনপির কার্যালয়

আপডেট সময়ঃ ০৯:২২:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ মে ২০২৫

‎নাটোরের বড়াইগ্রামে আওয়ামী লীগের অফিস দখল করে ইউনিয়ন বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় করা হয়েছে।

স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা সেখানে ‘বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি ৪ নম্বর নগর ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়’ লেখা সাইনবোর্ড দ দিয়েছেন।

‎ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে গত ৫ আগস্ট উপজেলার নগর ইউনিয়নের ধানাইদহ বাজারের আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ আব্দুল কুদ্দুসের ছেলের ‘শহীদ কল্লোল স্মৃতি সংঘের’ এ কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে।

‎এই কার্যালয় শহীদ কল্লোল স্মৃতি সংঘ নামে হলেও নগর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও উপজেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক নীলুফার ইয়াসমিন ডালু ব্যবহার করতেন। এখানে জেলা ও উপজেলা আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীদের নিয়মিত উঠা-বসা ছিল।

‎পুড়ে যাওয়া আধা পাকা কার্যালয়টিতে উপরের টিনের চাল নষ্ট হলেও দেয়াল ঠিক ছিল। সেখানেই ‘বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি ৪ নম্বর নগর ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের কেন্দ্রীয় কার্যালয় করা হয়েছে।

‎স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নগর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি সাজদার রহমান, ৮ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আসাব সরকার, ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি আতাউর রহমান, ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি তৌরাদ মন্ডল এই কার্যালয় নিয়ন্ত্রণ করেন। এই কার্যালয়ে ইউনিয়ন বিএনপির বেশির ভাগ সদস্য নিয়মিত আড্ডা দেন।

‎আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে সাইনবোর্ড টাঙানো বিষয়ে বিএনপি নেতা সাজদার রহমান বলেন, এই অফিসের জায়গার মালিক ৮ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আসাব সরকার। নীলুফার ইয়াসমিন ডালু দখল করে অফিস বানিয়েছিল। ৫ আগস্ট বিএনপি ও আসাব সরকারের ছেলে সেটি পুড়িয়ে দেয়। পরে সেটি আবার মেরামত করে দলীয় কার্যালয় করা হয়েছে।

‎নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক নগর ইউনিয়নের এক আওয়ামীলীগের এক নেতা বলেন, এভাবে রাজনৈতিক দলের কার্যালয় দখল করা নিন্দনীয়। কিন্তু চলমান পরিস্থিতিতে আমাদের কিছু করার নেই। নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তার স্বার্থে প্রকাশ্যে কিছু বলতে পারছি না।

‎উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক আব্দুল কাদের মিয়া বলেন, আওয়ামীলীগের অফিস দখলে নেওয়া ও সাইনবোর্ড টাঙানোর বিষয় আমরা জানি না। এ ব্যাপারে আমি কিছু বলতেও চাই না।

‎বড়াইগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম সারোয়ার হোসেন বলেন, এ বিষয়ে থানায় কেউ লিখিত অভিযোগ করেননি। বিষয়টি আমার জানা নেই।

#@#

‎সুত্র:ইত্তেফাক