০২:৪২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩১ মে ২০২৬

বার কাউন্সিলে ৩০০ শিক্ষার্থীকে পাস করানোর সুপারিশ এসেছিল: অ্যাটর্নি জেনারেল

হক বার্তা ডেস্ক রিপোর্ট :
  • আপডেট সময়ঃ ১০:৪৫:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ জুলাই ২০২৫
  • / ৭৯১ বার পড়া হয়েছে।

‎অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, ‘এবারের বার কাউন্সিলের পরীক্ষায় (এমসিকিউ) বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সঙ্গে সম্পৃক্ত ৩০০ শিক্ষার্থীকে পাস করিয়ে দেওয়ার সুপারিশ করেন কিছু আইনজীবী ও রাজনৈতিক নেতারা। সেগুলি নাকচ করে দেওয়া হয়েছে।’

‎তিনি বলেন, ‘আমরা এমন একটি বার কাউন্সিল তৈরি করছি যাতে এই আইন পেশাকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যেতে পারি।’

‎সোমবার (৩০ জুন) বিকেলে মৌলভীবাজার আইনজীবী সমিতির ২নং বার ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

‎অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, ‘আগে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের পরীক্ষার সিস্টেমে বড় ধরনের দুর্নীতি হতো। দুর্নীতির সমস্ত গলিপথ বন্ধ করে দিয়েছি। পরীক্ষার সিস্টেমে কোনো দুর্নীতি হবে, দুর্নীতির অংশীজন হিসেবে আমি থাকব, সে কারণে আমি আইনজীবী হইনি।’

‎জুলাই আন্দোলনের বছর পূর্তিতে নিহত ও আহতদের স্মরণ করে তিনি বলেন, ‘আমরা জুলাই গণহত্যার বিচারকে প্রশ্নবিদ্ধ বিচার হিসেবে বিশ্বের কাছে তুলে ধরতে চাই না। বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো একটি বিচারকে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের জন্য উন্মুক্ত করে দিয়েছি। বিচার প্রক্রিয়াকে টেলিভিশনে সরাসরি সম্প্রচারের উদ্যোগ নিয়েছি। এই বিচারকে কখনো কলঙ্কিত করে শহীদদের আত্মার কাছে ঋণী হয়ে থাকতে চাই না। ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠায় যতগুলো প্যারামিটার আছে সমস্ত প্যারামিটার ধরে আমরা হাঁটছি।’

‎মো. আসাদুজ্জামান আরও বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষ কাছে অঙ্গীকারবদ্ধ ও জুলাই শহীদদের কাছে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ আমরা। জুলাই গণহত্যার বিচার করব, মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার করব।’

‎এই বিচার প্রক্রিয়ায় যদি কেউ বাধা হয়ে দাঁড়ায় এবং বিচার প্রক্রিয়ায় কলঙ্কজনক অধ্যায় রচনার চেষ্টা করে তাদেরকেও আইনের আওতায় আনা হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন মো. আসাদুজ্জামান। 

‎আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন জেলা ও দায়রা জজ মো. খাদেম উল কায়েস, সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী ব্যারিস্টার রাগিব রউফ চৌধুরী, মৌলভীবাজার জজ আদালতের বিচারক (নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল) এনায়েত কবির সরকার, মৌলভীবাজার পুলিশ সুপার এমকেএইচ জাহাঙ্গীর হোসেন, বার কাউন্সিলের সদস্য (ডি অঞ্চল) আইনজীবী এটিএম ফয়েজ উদ্দিন প্রমুখ।

‎সুত্র:ইনডিপেনডেন্ট

নিউজটি শেয়ার করুন

বিস্তারিত লিখুনঃ

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

বার কাউন্সিলে ৩০০ শিক্ষার্থীকে পাস করানোর সুপারিশ এসেছিল: অ্যাটর্নি জেনারেল

আপডেট সময়ঃ ১০:৪৫:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ জুলাই ২০২৫

‎অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, ‘এবারের বার কাউন্সিলের পরীক্ষায় (এমসিকিউ) বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সঙ্গে সম্পৃক্ত ৩০০ শিক্ষার্থীকে পাস করিয়ে দেওয়ার সুপারিশ করেন কিছু আইনজীবী ও রাজনৈতিক নেতারা। সেগুলি নাকচ করে দেওয়া হয়েছে।’

‎তিনি বলেন, ‘আমরা এমন একটি বার কাউন্সিল তৈরি করছি যাতে এই আইন পেশাকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যেতে পারি।’

‎সোমবার (৩০ জুন) বিকেলে মৌলভীবাজার আইনজীবী সমিতির ২নং বার ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

‎অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, ‘আগে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের পরীক্ষার সিস্টেমে বড় ধরনের দুর্নীতি হতো। দুর্নীতির সমস্ত গলিপথ বন্ধ করে দিয়েছি। পরীক্ষার সিস্টেমে কোনো দুর্নীতি হবে, দুর্নীতির অংশীজন হিসেবে আমি থাকব, সে কারণে আমি আইনজীবী হইনি।’

‎জুলাই আন্দোলনের বছর পূর্তিতে নিহত ও আহতদের স্মরণ করে তিনি বলেন, ‘আমরা জুলাই গণহত্যার বিচারকে প্রশ্নবিদ্ধ বিচার হিসেবে বিশ্বের কাছে তুলে ধরতে চাই না। বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো একটি বিচারকে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের জন্য উন্মুক্ত করে দিয়েছি। বিচার প্রক্রিয়াকে টেলিভিশনে সরাসরি সম্প্রচারের উদ্যোগ নিয়েছি। এই বিচারকে কখনো কলঙ্কিত করে শহীদদের আত্মার কাছে ঋণী হয়ে থাকতে চাই না। ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠায় যতগুলো প্যারামিটার আছে সমস্ত প্যারামিটার ধরে আমরা হাঁটছি।’

‎মো. আসাদুজ্জামান আরও বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষ কাছে অঙ্গীকারবদ্ধ ও জুলাই শহীদদের কাছে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ আমরা। জুলাই গণহত্যার বিচার করব, মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার করব।’

‎এই বিচার প্রক্রিয়ায় যদি কেউ বাধা হয়ে দাঁড়ায় এবং বিচার প্রক্রিয়ায় কলঙ্কজনক অধ্যায় রচনার চেষ্টা করে তাদেরকেও আইনের আওতায় আনা হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন মো. আসাদুজ্জামান। 

‎আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন জেলা ও দায়রা জজ মো. খাদেম উল কায়েস, সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী ব্যারিস্টার রাগিব রউফ চৌধুরী, মৌলভীবাজার জজ আদালতের বিচারক (নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল) এনায়েত কবির সরকার, মৌলভীবাজার পুলিশ সুপার এমকেএইচ জাহাঙ্গীর হোসেন, বার কাউন্সিলের সদস্য (ডি অঞ্চল) আইনজীবী এটিএম ফয়েজ উদ্দিন প্রমুখ।

‎সুত্র:ইনডিপেনডেন্ট