১১:১২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬
সন্ধানে দিশেহারা পরিবার সদর পুলিশের দারস্থঃ

‎বিয়ের ১১ দিনেই বিষাদ: সুনামগঞ্জে কাকার বাড়ি থেকে নিখোঁজ নববধূ

নিজস্ব সংবাদদাতাঃ
  • আপডেট সময়ঃ ১০:৫৯:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬
  • / ৪ বার পড়া হয়েছে।

বিয়ের পিঁড়িতে বসার মাত্র ১১ দিন। হাতের মেহেদির রঙ এখনও উজ্জ্বল, চোখে ছিল নতুন জীবনের স্বপ্ন। কিন্তু সেই স্বপ্ন আর রঙিন হলো না চয়ন-জয়া দম্পতির। 

সুনামগঞ্জ শহরের জামাই পাড়া এলাকা থেকে রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হয়েছেন নববধূ জয়া দাস (২০)। আনন্দঘন একটি পারিবারিক আবহে বেড়াতে এসে এমন আকস্মিক নিখোঁজের ঘটনায় পরিবারজুড়ে এখন শুধুই কান্নার রোল আর অনিশ্চয়তা।

 

‎ঘটনার সূত্রপাত হয় সুনামগঞ্জ শহরের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের জামাই পাড়া এলাকায়। জামালগঞ্জ উপজেলার বেহেলি ইউনিয়নের পুটিয়া গ্রামের হেমেন্দ্র তালুকদারের ছেলে চয়ন তালুকদারের (২৬) সঙ্গে সম্প্রতি পারিবারিকভাবে বিয়ে হয় একই উপজেলার কলোতা গ্রামের নিপেশ দাসের মেয়ে জয়া দাসের।

বিয়ের পর রীতি অনুযায়ী নবদম্পতি সুনামগঞ্জ শহরে চয়নের কাকার বাড়িতে বেড়াতে আসেন। সেখানে অবস্থানকালেই ঘটে এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা।

 

‎পরিবার সূত্রে জানা গেছে, নিখোঁজ হওয়ার দিন জয়া দাস তার আপন ভাইয়ের সঙ্গে দেখা করার কথা বলে ঘর থেকে বের হয়েছিলেন। দীর্ঘ সময় পার হয়ে গেলেও তিনি আর ফিরে আসেননি।

সম্ভাব্য সব আত্মীয়-স্বজন এবং পরিচিতদের বাড়িতে যোগাযোগ করেও তার কোনো হদিস পাওয়া যায়নি। একজন নববধূর এভাবে হঠাৎ নিখোঁজ হয়ে যাওয়ার ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

 

‎এই ঘটনায় মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন স্বামী চয়ন তালুকদারসহ উভয় পরিবারের সদস্যরা। স্ত্রীকে ফিরে পেতে এবং প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটনে তারা ইতোমধ্যে সুনামগঞ্জ সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।

নিখোঁজ জয়ার বাবা নিপেশ দাস এবং তার শ্বশুরবাড়ির লোকজনের এখন একমাত্র ভরসা প্রশাসন। পুলিশ যেন দ্রুততম সময়ের মধ্যে জয়াকে খুঁজে বের করে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেয়, এটাই তাদের এখন একমাত্র আকুতি।

 

‎জয়া দাসের সন্ধান পেতে সাধারণ মানুষের কাছেও সহযোগিতার আবেদন জানিয়েছেন তার স্বামী চয়ন তালুকদার। যদি কোনো সহৃদয় ব্যক্তি ২০ বছর বয়সী এই নববধূর খোঁজ পেয়ে থাকেন বা তার সম্পর্কে কোনো তথ্য জেনে থাকেন, তবে মানবিক খাতিরে ০১৬০৯৯২১৪৩৫ এই মোবাইল নাম্বারে যোগাযোগ করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হয়েছে।

 

ট্যাগসঃ

নিউজটি শেয়ার করুন

বিস্তারিত লিখুনঃ

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

সন্ধানে দিশেহারা পরিবার সদর পুলিশের দারস্থঃ

‎বিয়ের ১১ দিনেই বিষাদ: সুনামগঞ্জে কাকার বাড়ি থেকে নিখোঁজ নববধূ

আপডেট সময়ঃ ১০:৫৯:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬

বিয়ের পিঁড়িতে বসার মাত্র ১১ দিন। হাতের মেহেদির রঙ এখনও উজ্জ্বল, চোখে ছিল নতুন জীবনের স্বপ্ন। কিন্তু সেই স্বপ্ন আর রঙিন হলো না চয়ন-জয়া দম্পতির। 

সুনামগঞ্জ শহরের জামাই পাড়া এলাকা থেকে রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হয়েছেন নববধূ জয়া দাস (২০)। আনন্দঘন একটি পারিবারিক আবহে বেড়াতে এসে এমন আকস্মিক নিখোঁজের ঘটনায় পরিবারজুড়ে এখন শুধুই কান্নার রোল আর অনিশ্চয়তা।

 

‎ঘটনার সূত্রপাত হয় সুনামগঞ্জ শহরের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের জামাই পাড়া এলাকায়। জামালগঞ্জ উপজেলার বেহেলি ইউনিয়নের পুটিয়া গ্রামের হেমেন্দ্র তালুকদারের ছেলে চয়ন তালুকদারের (২৬) সঙ্গে সম্প্রতি পারিবারিকভাবে বিয়ে হয় একই উপজেলার কলোতা গ্রামের নিপেশ দাসের মেয়ে জয়া দাসের।

বিয়ের পর রীতি অনুযায়ী নবদম্পতি সুনামগঞ্জ শহরে চয়নের কাকার বাড়িতে বেড়াতে আসেন। সেখানে অবস্থানকালেই ঘটে এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা।

 

‎পরিবার সূত্রে জানা গেছে, নিখোঁজ হওয়ার দিন জয়া দাস তার আপন ভাইয়ের সঙ্গে দেখা করার কথা বলে ঘর থেকে বের হয়েছিলেন। দীর্ঘ সময় পার হয়ে গেলেও তিনি আর ফিরে আসেননি।

সম্ভাব্য সব আত্মীয়-স্বজন এবং পরিচিতদের বাড়িতে যোগাযোগ করেও তার কোনো হদিস পাওয়া যায়নি। একজন নববধূর এভাবে হঠাৎ নিখোঁজ হয়ে যাওয়ার ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

 

‎এই ঘটনায় মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন স্বামী চয়ন তালুকদারসহ উভয় পরিবারের সদস্যরা। স্ত্রীকে ফিরে পেতে এবং প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটনে তারা ইতোমধ্যে সুনামগঞ্জ সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।

নিখোঁজ জয়ার বাবা নিপেশ দাস এবং তার শ্বশুরবাড়ির লোকজনের এখন একমাত্র ভরসা প্রশাসন। পুলিশ যেন দ্রুততম সময়ের মধ্যে জয়াকে খুঁজে বের করে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেয়, এটাই তাদের এখন একমাত্র আকুতি।

 

‎জয়া দাসের সন্ধান পেতে সাধারণ মানুষের কাছেও সহযোগিতার আবেদন জানিয়েছেন তার স্বামী চয়ন তালুকদার। যদি কোনো সহৃদয় ব্যক্তি ২০ বছর বয়সী এই নববধূর খোঁজ পেয়ে থাকেন বা তার সম্পর্কে কোনো তথ্য জেনে থাকেন, তবে মানবিক খাতিরে ০১৬০৯৯২১৪৩৫ এই মোবাইল নাম্বারে যোগাযোগ করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হয়েছে।