ভালোভাবে রিপোর্ট না দেখেই ওষুধ সেবনের পরামর্শ, গাইনি চিকিৎসক লিপিকা দাশের বিরুদ্ধে অভিযোগ
- আপডেট সময়ঃ ০৭:১১:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬
- / ৩০ বার পড়া হয়েছে।
হকবার্তা ডেস্ক রিপোর্ট;
সুনামগঞ্জ ।। ১৪ অক্টোবর ২০২৬
সুনামগঞ্জের ‘আনিসা হেলথ কেয়ার অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার’-এ চিকিৎসা নিতে গিয়ে আল্ট্রাসনোগ্রাফির সঠিক তথ্য না দেখে গর্ভের সন্তান মৃত ঘোষণার এবং পরবর্তীতে ভুল ও অপ্রয়োজনীয় ওষুধ প্রদানের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে ডাইনিং ও গাইনি বিশেষজ্ঞ ডাঃ লিপিকা দাস-এর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী রোগীর স্বজনদের মধ্যে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
মূল ঘটনার বিবরণ ও স্বজনদের দাবি;
ভুক্তভোগী রোগীর স্বামী জানান, তাঁর স্ত্রী শারীরিক জটিলতা নিয়ে উক্ত ডায়াগনস্টিক সেন্টারে গিয়ে ডাঃ লিপিকা দাসের পরামর্শ নেন। অভিযোগ অনুযায়ী, চিকিৎসক আল্ট্রাসনোগ্রাফির লিখিত মূল রিপোর্ট ও বিবরণ গুরুত্বসহকারে না দেখে কেবল রিপোর্টের সঙ্গে থাকা ছবি দেখে সিদ্ধান্ত নেন যে গর্ভের সন্তান মারা গেছে।
এরপর গর্ভের ভেতরের অংশ পরিষ্কার বা গর্ভপাত করানোর উদ্দেশ্যে চিকিৎসক তাঁকে কিছু নির্দিষ্ট ওষুধ প্রেসক্রাইব করেন। চিকিৎসকের দেওয়া ওই ওষুধগুলো সেবনের পর রোগীর রক্তপাতসহ মারাত্মক শারীরিক জটিলতা দেখা দেয়।
পরবর্তীতে অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় প্রায় ১৫ থেকে ২০ দিন পর স্বজনরা অন্য একজন চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন। সেখানকার আল্ট্রাসনোগ্রাফি পরীক্ষায় জানা যায়, গর্ভে ২ থেকে ৩ মাসের সন্তান জীবিত ও ভালো অবস্থায় রয়েছে। কেবল পূর্বের ভুল রিপোর্ট ও ওষুধের কারণেই রোগী এই ধরনের ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছেন বলে অভিযোগ করেন স্বজনরা।
চিকিৎসকের বক্তব্য;
ঘটনার বিষয়ে সাংবাদিকরা মুখোমুখি হলে অভিযুক্ত ডাঃ লিপিকা দাস আল্ট্রাসনোগ্রাফি রিপোর্টের ঘাটতি বা অসঙ্গতির বিষয়ে অস্পষ্ট ব্যাখ্যা প্রদান করেন। তিনি বলেন, তিনি আল্ট্রাসনোগ্রাফির লিখিত মূল প্রতিবেদনের চেয়ে ছবিটির উপর নির্ভর করে চিকিৎসা দিয়েছিলেন। একই সাথে তিনি সোনোলজিস্ট বা আল্ট্রাসনোগ্রাফি তৈরি করা ব্যক্তির উপর কিছুটা দায় চাপানোর চেষ্টা করেন যে রিপোর্টটি সঠিকভাবে লেখা হয়েছিল কি না।
স্বজনদের দাবি, ভুল রিপোর্ট ও চিকিৎসকের চরম অবহেলার কারণে রোগীর প্রাণ ঝুঁকিতে পড়েছিল। এ ঘটনা কেন্দ্র করে এলাকার চিকিৎসক ও সাধারণ চিকিৎসা সেবাগ্রহীতাদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে।



















