ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতি মালয়েশিয়ায় – ৭ জন শিশু সহ ১৩ জনের মৃত্যু, ৫৩টি স্কুল ক্ষতিগ্রস্ত
- আপডেট সময়ঃ ০১:৪৩:১৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫
- / ৮২ বার পড়া হয়েছে।
মালয়েশিয়ার সাবাহ রাজ্যে টানা প্রবল বর্ষণ ও ভূমিধসে অন্তত ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে, যার মধ্যে ৭ জন শিশু। পাঁচ দিনের ব্যবধানে কোতাকিনাবালু, পেনামপাং ও পাপার জেলায় চারটি ভূমিধস ঘটে প্রাণহানি ঘটে।
একই সঙ্গে সারাওয়াকসহ ছয়টি জেলায় বন্যা পরিস্থিতি এখনো মারাত্মক আকারে রয়েছে।
দেশটির প্রধান প্রধান গণমাধ্যমগুলো শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উদ্ধৃতি দিয়ে জানিয়েছে, সাবাহ ও সারাওয়াকে মোট ৫৩টি স্কুল বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে সাবাহতে ২৪টি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ৫টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং সারাওয়াকে ২২টি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ২টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় রয়েছে।

ক্ষতিগ্রস্ত বিদ্যালয়গুলোতে রাজ্য শিক্ষা দফতরের মাধ্যমে জরুরি সহায়তা পাঠানো হচ্ছে। এছাড়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রাঙ্গণে ৬টি অস্থায়ী ত্রাণকেন্দ্র চালু রয়েছে- ৫টি সাবাহতে এবং ১টি সারাওয়াকে।
মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম শিগগিরই সাবাহ সফর করবেন বলে জানিয়েছে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর। তিনি দুর্যোগ পরিস্থিতি সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করবেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন।

এদিকে দি স্টার অনলাইনের বর্ণনায় উঠে এসেছে মর্মান্তিক দৃশ্য, দেশটির পাপারের একটি মর্মান্তিক ঘটনায় ১৭ বছর বয়সী জেভিয়ার জুনিয়র অ্যারিস্টটল নিজের চোখে দেখেছেন কিভাবে ভূমিধসে তার মা এমিলি জনি (৩৮) এবং ছোট ভাই জারেল মাইর (১১) প্রাণ হারিয়েছেন। পরবর্তীতে উদ্ধারকারীরা তাদের মরদেহ উদ্ধার করে বুধবার দাফন সম্পন্ন করে।
মলায়শিয়ার শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, স্কুলশিক্ষার্থী, শিক্ষক ও শিক্ষা সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। একই সঙ্গে প্রাণ হারানো চার শিক্ষার্থীর পরিবারের প্রতি গভীর শোক ও সমবেদনা জানানো হয়েছে।
সুত্রঃমানবজমিন











