১১:৪২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ মার্চ ২০২৬
আস্থার কেন্দ্রবিন্দু কর্মকর্তাঃ

সুনামগঞ্জ সদর থানার ওসি রতন শেখের মানবিক পুলিশিংঃ

স্টাফ রিপোর্টারঃ
  • আপডেট সময়ঃ ০৯:৫৬:৩৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ মার্চ ২০২৬
  • / ৩ বার পড়া হয়েছে।

‎সুনামগঞ্জ জেলা শহরের আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পুলিশি সেবা পৌঁছে দিতে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রতন শেখ।

‎যোগদানের পর থেকেই অপরাধ দমনে কঠোর অবস্থানের পাশাপাশি মানবিক পুলিশিংয়ের মাধ্যমে তিনি স্থানীয় মহলে প্রশংসিত হচ্ছেন।

এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল এক কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় জড়িত ৩ পাষণ্ডকে মাত্র ২৪ ঘণ্টার ঝটিকা অভিযানে গ্রেফতার করে পুলিশ।

‎গতকাল ৫ মার্চ ২০২৬, ওসি রতন শেখের সরাসরি তদারকিতে পুলিশের একটি বিশেষ টিম সুনামগঞ্জ পৌর শহরের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৩ ধর্ষককে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।

 

‎পুলিশ সূত্রে জানা যায়, এক কিশোরীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে আটকে রাখা এবং পরবর্তীতে চলন্ত সিএনজিতে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়ার পরপরই ওসি রতন শেখ বিষয়টিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেন। তার নির্দেশনায় এসআই জহিরের নেতৃত্বে একটি চৌকস টিম গতকাল ভোর থেকে সাঁড়াশি অভিযান চালিয়ে আসামিদের আইনের আওতায় আনে। এ সময় ধর্ষণের কাজে ব্যবহৃত সিএনজিটিও জব্দ করা হয়।

‎বিপদে সাধারণ মানুষের পাশে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি বিভিন্ন সময়ে অসহায় ও দুস্থ মানুষের সাহায্যে ওসি রতন শেখকে সশরীরে উপস্থিত হতে দেখা গেছে। রাস্তাঘাটে অসহায় অবস্থায় পড়ে থাকা ব্যক্তি বা চিকিৎসা সংকটে থাকা নিম্নবিত্তদের হাসপাতালে পাঠানো এবং প্রয়োজনীয় অর্থ সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়ে তিনি মানবিক পুলিশিংয়ের এক অনন্য উদাহরণ তৈরি করেছেন।

 

‎​সামাজিক সচেতনতা ও মানবিক উদ্যোগ তরুণ প্রজন্মকে মাদক ও কিশোর গ্যাংয়ের মতো অপরাধ থেকে দূরে রাখতে তিনি কেবল আইনি পদক্ষেপেই সীমাবদ্ধ থাকেননি; বরং ব্যক্তিগত উদ্যোগে বিভিন্ন পাড়া-মহল্লায় গিয়ে তরুণদের সাথে কথা বলেন এবং তাদের সুস্থ ধারার জীবনে ফেরার আহ্বান জানান। এ ছাড়া শীতকালীন সময়ে অসহায়দের মাঝে কম্বল বিতরণ এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়ানোর মতো সামাজিক কাজেও তিনি অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছেন।

‎ওসি রতন শেখের মানবিক আচরণের ফলে থানায় আসা সাধারণ মানুষ এখন হয়রানি ছাড়াই জিডি বা অভিযোগ দায়ের করতে পারছে। ভুক্তভোগীদের কথা ধৈর্য সহকারে শোনা এবং দ্রুত আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের ফলে পুলিশের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা আগের চেয়ে বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।

‎এ প্রসঙ্গে ওসি রতন শেখ বলেন, “পুলিশ জনগণের বন্ধু- এই স্লোগানকে বাস্তবে রূপ দিতে আমরা কাজ করছি। সুনামগঞ্জ সদর থানাকে অপরাধমুক্ত ও নিরাপদ রাখতে জেলা পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় আমাদের জিরো টলারেন্স নীতি অব্যাহত থাকবে।গতকালের ধর্ষণের ঘটনায় জড়িতদের দ্রুততম সময়ে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং কোনো অপরাধীকেই ছাড় দেওয়া হবে না।”

‎সুনামগঞ্জের সচেতন মহল মনে করছেন, পেশাদারিত্বের পাশাপাশি মানবিক গুণাবলির সমন্বয় ঘটিয়ে ওসি রতন শেখ জেলা সদরের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতে পারবেন।

 

 

 

 

নিউজটি শেয়ার করুন

বিস্তারিত লিখুনঃ

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

আস্থার কেন্দ্রবিন্দু কর্মকর্তাঃ

সুনামগঞ্জ সদর থানার ওসি রতন শেখের মানবিক পুলিশিংঃ

আপডেট সময়ঃ ০৯:৫৬:৩৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ মার্চ ২০২৬

‎সুনামগঞ্জ জেলা শহরের আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পুলিশি সেবা পৌঁছে দিতে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রতন শেখ।

‎যোগদানের পর থেকেই অপরাধ দমনে কঠোর অবস্থানের পাশাপাশি মানবিক পুলিশিংয়ের মাধ্যমে তিনি স্থানীয় মহলে প্রশংসিত হচ্ছেন।

এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল এক কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় জড়িত ৩ পাষণ্ডকে মাত্র ২৪ ঘণ্টার ঝটিকা অভিযানে গ্রেফতার করে পুলিশ।

‎গতকাল ৫ মার্চ ২০২৬, ওসি রতন শেখের সরাসরি তদারকিতে পুলিশের একটি বিশেষ টিম সুনামগঞ্জ পৌর শহরের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৩ ধর্ষককে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।

 

‎পুলিশ সূত্রে জানা যায়, এক কিশোরীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে আটকে রাখা এবং পরবর্তীতে চলন্ত সিএনজিতে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়ার পরপরই ওসি রতন শেখ বিষয়টিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেন। তার নির্দেশনায় এসআই জহিরের নেতৃত্বে একটি চৌকস টিম গতকাল ভোর থেকে সাঁড়াশি অভিযান চালিয়ে আসামিদের আইনের আওতায় আনে। এ সময় ধর্ষণের কাজে ব্যবহৃত সিএনজিটিও জব্দ করা হয়।

‎বিপদে সাধারণ মানুষের পাশে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি বিভিন্ন সময়ে অসহায় ও দুস্থ মানুষের সাহায্যে ওসি রতন শেখকে সশরীরে উপস্থিত হতে দেখা গেছে। রাস্তাঘাটে অসহায় অবস্থায় পড়ে থাকা ব্যক্তি বা চিকিৎসা সংকটে থাকা নিম্নবিত্তদের হাসপাতালে পাঠানো এবং প্রয়োজনীয় অর্থ সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়ে তিনি মানবিক পুলিশিংয়ের এক অনন্য উদাহরণ তৈরি করেছেন।

 

‎​সামাজিক সচেতনতা ও মানবিক উদ্যোগ তরুণ প্রজন্মকে মাদক ও কিশোর গ্যাংয়ের মতো অপরাধ থেকে দূরে রাখতে তিনি কেবল আইনি পদক্ষেপেই সীমাবদ্ধ থাকেননি; বরং ব্যক্তিগত উদ্যোগে বিভিন্ন পাড়া-মহল্লায় গিয়ে তরুণদের সাথে কথা বলেন এবং তাদের সুস্থ ধারার জীবনে ফেরার আহ্বান জানান। এ ছাড়া শীতকালীন সময়ে অসহায়দের মাঝে কম্বল বিতরণ এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়ানোর মতো সামাজিক কাজেও তিনি অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছেন।

‎ওসি রতন শেখের মানবিক আচরণের ফলে থানায় আসা সাধারণ মানুষ এখন হয়রানি ছাড়াই জিডি বা অভিযোগ দায়ের করতে পারছে। ভুক্তভোগীদের কথা ধৈর্য সহকারে শোনা এবং দ্রুত আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের ফলে পুলিশের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা আগের চেয়ে বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।

‎এ প্রসঙ্গে ওসি রতন শেখ বলেন, “পুলিশ জনগণের বন্ধু- এই স্লোগানকে বাস্তবে রূপ দিতে আমরা কাজ করছি। সুনামগঞ্জ সদর থানাকে অপরাধমুক্ত ও নিরাপদ রাখতে জেলা পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় আমাদের জিরো টলারেন্স নীতি অব্যাহত থাকবে।গতকালের ধর্ষণের ঘটনায় জড়িতদের দ্রুততম সময়ে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং কোনো অপরাধীকেই ছাড় দেওয়া হবে না।”

‎সুনামগঞ্জের সচেতন মহল মনে করছেন, পেশাদারিত্বের পাশাপাশি মানবিক গুণাবলির সমন্বয় ঘটিয়ে ওসি রতন শেখ জেলা সদরের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতে পারবেন।