০৩:২৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬

ধর্মপাশায় বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণের অভিযোগে চিকিৎসক কারাগারে

স্টাফ রিপোর্টারঃ
  • আপডেট সময়ঃ ০৮:৩০:৩৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / ১৬০ বার পড়া হয়েছে।

‎বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলায় এক নারী (২৮)কে ধর্ষণ করার অভিযোগে কিবরিয়া খান (৩২) নামের এমবিবিএস চিকিৎসকের বিরুদ্ধে থানায় মামলা হয়েছে। 

‎ভূক্তভোগী ওই নারী বাদী হয়ে শনিবার রাতে ধর্মপাশা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে এই মামলাটি করেছেন।   

‎উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে থাকা স্বর্ণা ডায়াগনষ্টিক সেন্টারের ভেতর থেকে ওইদিন রাত সোয়া ১২টার দিকে চিকিৎসককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তার বাড়ি কিশোরগঞ্জ জেলার কটিয়াদি উপজেলার চড়িয়াকোনা গ্রামে।

‎ধর্মপাশা থানা পুলিশ ও মামলার এজহার সূত্রে জানা গেছে, কিশোরগঞ্জ জেলার কটিয়াদি উপজেলার চড়িয়াকোনা গ্রামের বাসিন্দা এমবিবিএস পাস ডা. কিবরিয়া গত নয়মাস ধরে তিনি ধর্মপাশা উপজেলার স্বর্ণা ডায়াগনষ্টিক সেন্টারে প্রাইভেট রোগী দেখতেন। তিনি উপজেলার রাজনগর গ্রামে একটি ভাড়াটে বাসায় থাকতেন।

উপজেলার পাইকুরাটি ইউনিয়নের বৌলাম গ্রামের বাসিন্দা দুই সন্তানের জননী ওই নারী শারিরীক অসুস্থতা বোধ করলে তিনি স্বর্ণা ডায়াগনষ্টিক সেন্টারে এসে প্রাইভেট ওই ডাক্তারের চিকিৎসা পরামর্শ নেওয়ায় তাঁদের দুইজনের মধ্যে পরিচয় ঘটে। এর পর থেকে তাদের দুইজনের মধ্যে প্রায়ই মোবাইলে কথাবার্তা চলছিল। প্রায় ছয় মাস ধরে ওই ডাক্তারের সঙ্গে ওই নারীর প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে।

‎বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে রাতের বেলায় বেশ কয়েকদিন ওই নারীর বাসায় গিয়ে তাকে ধর্ষণ করেন। এ নিয়ে ওই নারী বাধা দিলেও কোনো কাজ হচ্ছিল না। সর্বশেষ গত ৩০ আগস্ট রাত দুইটার সময় ওই নারীর বাসায় গিয়ে তাকে ধর্ষণ করেন ওই ডাক্তার। বিয়ের করার কথা বললে ওই চিকিৎসক নানা কৌশলে বিষয়টি এড়িয়ে যেতেন।

 

 

‎ধর্মপাশা থানাের ওসি মোহাম্মদ এনামুল হক সাংবাদিকদের বলেন,এ ঘটনায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে শনিবার রাতে থানায় একটি মামলা হয়েছে।

‎এই মামলায় চিকিৎসক কিবরিয়া খানকে গ্রেফতার করা হয়েছে। রবিবার দুপুরে তাঁকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। ভুক্তভোগী নারীকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য সুনামগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

বিস্তারিত লিখুনঃ

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

ধর্মপাশায় বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণের অভিযোগে চিকিৎসক কারাগারে

আপডেট সময়ঃ ০৮:৩০:৩৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫

‎বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলায় এক নারী (২৮)কে ধর্ষণ করার অভিযোগে কিবরিয়া খান (৩২) নামের এমবিবিএস চিকিৎসকের বিরুদ্ধে থানায় মামলা হয়েছে। 

‎ভূক্তভোগী ওই নারী বাদী হয়ে শনিবার রাতে ধর্মপাশা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে এই মামলাটি করেছেন।   

‎উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে থাকা স্বর্ণা ডায়াগনষ্টিক সেন্টারের ভেতর থেকে ওইদিন রাত সোয়া ১২টার দিকে চিকিৎসককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তার বাড়ি কিশোরগঞ্জ জেলার কটিয়াদি উপজেলার চড়িয়াকোনা গ্রামে।

‎ধর্মপাশা থানা পুলিশ ও মামলার এজহার সূত্রে জানা গেছে, কিশোরগঞ্জ জেলার কটিয়াদি উপজেলার চড়িয়াকোনা গ্রামের বাসিন্দা এমবিবিএস পাস ডা. কিবরিয়া গত নয়মাস ধরে তিনি ধর্মপাশা উপজেলার স্বর্ণা ডায়াগনষ্টিক সেন্টারে প্রাইভেট রোগী দেখতেন। তিনি উপজেলার রাজনগর গ্রামে একটি ভাড়াটে বাসায় থাকতেন।

উপজেলার পাইকুরাটি ইউনিয়নের বৌলাম গ্রামের বাসিন্দা দুই সন্তানের জননী ওই নারী শারিরীক অসুস্থতা বোধ করলে তিনি স্বর্ণা ডায়াগনষ্টিক সেন্টারে এসে প্রাইভেট ওই ডাক্তারের চিকিৎসা পরামর্শ নেওয়ায় তাঁদের দুইজনের মধ্যে পরিচয় ঘটে। এর পর থেকে তাদের দুইজনের মধ্যে প্রায়ই মোবাইলে কথাবার্তা চলছিল। প্রায় ছয় মাস ধরে ওই ডাক্তারের সঙ্গে ওই নারীর প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে।

‎বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে রাতের বেলায় বেশ কয়েকদিন ওই নারীর বাসায় গিয়ে তাকে ধর্ষণ করেন। এ নিয়ে ওই নারী বাধা দিলেও কোনো কাজ হচ্ছিল না। সর্বশেষ গত ৩০ আগস্ট রাত দুইটার সময় ওই নারীর বাসায় গিয়ে তাকে ধর্ষণ করেন ওই ডাক্তার। বিয়ের করার কথা বললে ওই চিকিৎসক নানা কৌশলে বিষয়টি এড়িয়ে যেতেন।

 

 

‎ধর্মপাশা থানাের ওসি মোহাম্মদ এনামুল হক সাংবাদিকদের বলেন,এ ঘটনায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে শনিবার রাতে থানায় একটি মামলা হয়েছে।

‎এই মামলায় চিকিৎসক কিবরিয়া খানকে গ্রেফতার করা হয়েছে। রবিবার দুপুরে তাঁকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। ভুক্তভোগী নারীকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য সুনামগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।