নিয়োগকর্তাদের জন্য সুবর্ণ সুযোগ
মালয়েশিয়ায় বিদেশি কর্মী নিয়োগে সময়সীমা তুলে নিল সরকারঃ
- আপডেট সময়ঃ ০৯:২৬:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬
- / ৬ বার পড়া হয়েছে।
মালয়েশিয়ায় বিদেশি কর্মী নিয়োগের কোটা আবেদন প্রক্রিয়ায় বড় ধরনের নীতিগত পরিবর্তন এনেছে দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় (কেডিএন)।
ইতিপূর্বে নির্ধারিত কোটা আবেদনের শেষ সময়সীমা বাতিল করে এখন থেকে ‘ওপেন-এন্ডেড’ বা অনির্দিষ্টকালের জন্য আবেদনের সুযোগ উন্মুক্ত করা হয়েছে।
শনিবার দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীন পুসাত সেহেন্তি পেঙ্গুরুসান পেকেরজা আসিং (ওএসসি কেডিএন) এক বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
এর আগে সরকারের পক্ষ থেকে বিদেশি কর্মী নিয়োগের কোটা আবেদনের জন্য ৩১ মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছিল। তবে শ্রমবাজারের চাহিদা এবং নিয়োগকর্তাদের সুবিধার কথা বিবেচনা করে এই সময়সীমা বাতিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এর ফলে এখন থেকে কোনো নির্দিষ্ট ডেডলাইন ছাড়াই নিয়োগকর্তারা তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী ‘কেস বাই কেস’ ভিত্তিতে কোটা আবেদন করতে পারবেন।
সময়সীমা তুলে নেওয়া হলেও কর্মী নিয়োগের প্রক্রিয়া শিথিল করা হয়নি। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে:
* বিদ্যমান বিধিবিধান: প্রতিটি আবেদন মালয়েশিয়া সরকারের বর্তমান শ্রম আইন ও কঠোর নীতিমালার আওতায় নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হবে।
* যাচাই-বাছাই: কেস বাই কেস ভিত্তিতে প্রতিটি আবেদনের প্রয়োজনীয়তা এবং নিয়োগকর্তার সক্ষমতা যাচাই করে কোটা অনুমোদন দেওয়া হবে।
আবেদন প্রক্রিয়া সুশৃঙ্খল রাখতে এবং অফিসে ভিড় এড়াতে ডিজিটাল সিস্টেম বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। আবেদনকারীদের জন্য নির্দেশনাবলী হলো:
* অনলাইন অ্যাপয়েন্টমেন্ট: সরাসরি অফিসে না গিয়ে প্রথমে এই লিংকের মাধ্যমে অনলাইন অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিতে হবে।
* সাক্ষাৎকার ও নথিপত্র: নির্ধারিত সময়ে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ ওএসসি কেডিএন অফিসে উপস্থিত হয়ে আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে।
সিস্টেমটি ব্যবহার করতে আবেদনকারীরা https://que05-my.qbe.ee/KDN-OSC লিংকে প্রবেশ করতে পারবেন।
যেকোনো অস্পষ্টতা দূর করতে বা অতিরিক্ত তথ্যের জন্য নিয়োগকর্তাদের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দিষ্ট ই-মেইল ঠিকানায় (osc_kdn@moha.gov.my) যোগাযোগ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, সময়সীমা তুলে নেওয়ার ফলে মালয়েশিয়ার বিভিন্ন সেক্টরে (যেমন: নির্মাণ, কৃষি ও উৎপাদন শিল্প) শ্রমিকের যে তাৎক্ষণিক চাহিদা তৈরি হয়, তা মেটানো সহজ হবে। এতে করে অবৈধ পথে কর্মী নিয়োগের প্রবণতা কমবে এবং বৈধ প্রক্রিয়ায় কর্মী আনার সুযোগ বাড়বে।
তথ্যসহায়তাঃমানবজমিন


















