ধর্মপাশা উপজেলায় ‘নাগরিক অধিকার আন্দোলন’-এর ৫১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি গঠন
- আপডেট সময়ঃ ০৯:৪৪:১১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৬
- / ৩৪ বার পড়া হয়েছে।
সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলায় সাধারণ মানুষের অধিকার রক্ষা ও জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ‘নাগরিক অধিকার আন্দোলন’-এর ৫১ সদস্য বিশিষ্ট নতুন আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে।
১০ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে সংগঠনের এক সভায় সর্বসম্মতিক্রমে আগামী ৬ মাসের জন্য (১০ জুলাই ২০২৬ পর্যন্ত) এই কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়।
নবগঠিত কমিটিতে আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন মোল্লা মাহমুদ হাসান এবং সদস্য সচিব হিসেবে মনোনীত হয়েছেন আজহারুল ইসলাম দ্বীপ্ত।
কমিটির যুগ্ম-আহ্বায়ক হিসেবে রয়েছেন মুফিদ বিন আহমদ, যোবায়ের আলম, আনোয়ার হোসাইন আজাদী, সদরুল আমীন, আজিজুর রহমান ও রিফাত হাসান জনি। সহ-সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন জহিরুল ইসলাম ও সাঈদ আহমদ।
এছাড়া সাংগঠনিক কাঠামোর গুরুত্বপূর্ণ পদে মুখ্য সংগঠক হিসেবে শরীফ উদ্দিন এবং মুখপাত্র হিসেবে মোমিনুল হক সাঈদ মনোনীত হয়েছেন।
সম্পাদকীয় পদে অর্থ সম্পাদক হিসেবে নজরুল ইসলাম, দপ্তর সম্পাদক হিসেবে আব্দুল আউয়াল, প্রচার সম্পাদক হিসেবে নিজাম উদ্দিন খান এবং তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক হিসেবে আবরারুল হক নাঈম দায়িত্ব পেয়েছেন।
কমিটিতে সহ-সাংগঠনিক, সহ-দপ্তর, সহ-অর্থ ও সহ-প্রচার সম্পাদকসহ আরও বেশ কয়েকজন কার্যকরী সদস্য অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
কমিটির অনুমোদনকারী মুফিদ বিন আহমদ এক বিবৃতিতে বলেন, “সচেতন নাগরিক-সুরক্ষিত অধিকার” এবং “নাগরিক অধিকার রক্ষা করি—বৈষম্যহীন সমাজ গড়ি” এই মূলমন্ত্রকে সামনে রেখে সংগঠনটি ধর্মপাশার মানুষের সেবায় কাজ করে যাবে।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, নবগঠিত এই কমিটি আগামী ছয় মাসে সংগঠনের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করবে এবং এলাকার নাগরিক সমস্যা সমাধানে অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে।
নবগঠিত কমিটির সদস্যরা তাদের দায়িত্ব পালনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং তারা নিশ্চিত করেছেন যে, তারা এলাকার মানুষের অধিকার রক্ষা ও জনসচেতনতা বৃদ্ধির জন্য নিরলসভাবে কাজ করবেন। কমিটির সদস্যরা বিভিন্ন কর্মসূচি ও সেমিনারের মাধ্যমে জনগণের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির উদ্যোগ নেবেন।
তারা স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে নাগরিক সমস্যাগুলোর সমাধানে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন। এছাড়া, সংগঠনটি নিয়মিতভাবে বিভিন্ন ওয়ার্কশপ ও আলোচনা সভার আয়োজন করবে, যেখানে বিশেষজ্ঞরা নাগরিক অধিকার ও দায়িত্ব সম্পর্কে আলোকপাত করবেন।
কমিটির সদস্যরা আশাবাদী যে, তাদের প্রচেষ্টার মাধ্যমে ধর্মপাশায় একটি সুস্থ ও সচেতন সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব হবে, যা সকলের জন্য সমান সুযোগ ও অধিকার নিশ্চিত করবে। তারা সকলের সহযোগিতা কামনা করেছেন এবং বলেছেন যে, একসঙ্গে কাজ করলে সমাজের উন্নয়ন সম্ভব হবে।











