০৩:২০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬

মাদকদ্রব্য বহনকারীরাই ধরা পড়ে কিন্তু ব্যবসার সঙ্গে জড়িতরা সংসদে যায়

স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট সময়ঃ ০২:২২:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬
  • / ১৩ বার পড়া হয়েছে।

সংসদে রুমিন ফারহানা
মাদকদ্রব্য বহনকারীরাই ধরা পড়ে কিন্তু ব্যবসার সঙ্গে জড়িতরা সংসদে যায়
ডেস্ক রিপোর্ট

১৪ জুলাই ২০২৬,ইংরেজি

 

মাদক মামলায় মাদকদ্রব্য বহনকারীরাই বারবার ধরা পড়ে কিন্তু মাদক ব্যবসার সঙ্গে যারা জড়িত তারা বা তাদের পরিবারের সদস্যরা সংসদে যায় বলে অভিযোগ করেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা।

সোমবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও প্রথম অধিবেশনের ২৩তম দিন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ সংশোধন বিল ২০২৬ পাসের জন্য উত্থাপনের পর বিলটির ওপর জনমত যাচাই-বাছাইয়ের প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে রুমিন ফারহানা এ অভিযোগ করেন।

এখন পর্যন্ত ৩২ জনের মৃত্যু, নামতে শুরু করেছে পানি
এ সময় ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন। রুমিন ফারহানা বলেন, প্রতিদিন আমরা যে মামলাগুলো দেখি সেখানে দেখা যায়, ক্যারিয়াররাই (বাহক) বার বার ধরা পড়ে ৷ কিন্তু বদির মত যারা ব্যবসার সঙ্গে জড়িত হিসেবে সমস্ত সরকারি দপ্তরের রিপোর্টে উঠে আসে, তারা সংসদে যায়, তারা যেতে না পারলে তাদের পরিবারের সদস্যরা সংসদে যায়। যতদিন পর্যন্ত না আমরা যারা সরাসরি মাদকের ব্যবসায় যুক্ত এবং যাদের হাত দিয়ে মাদক বাংলাদেশে প্রবেশ করে টেকনাফ দিয়ে, সেই মানুষগুলো, মূল হোতাদের যতদিন পর্যন্ত আমরা ধরতে না পারবো, আমার মনে হয় না কোনও আইন দিয়ে আমরা এই সমস্যার সমাধান করতে পারবো। আইন যথেষ্ট শক্ত, মাত্র ২৫ গ্রামের উপরে মাদক পেলেই যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা মৃত্যুদণ্ড পর্যন্ত দেয়া হয়। কিন্তু তারপরেও কী করে লাখ লাখ পিস ইয়াবা কিংবা কয়েক কেজি হেরোইনসহ ক্যারিয়াররা যখন ধরা পড়ে আমরা কিন্তু তার উপরে আর উঠতে পারি না ৷

এর আগে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও প্রথম বাজেট অধিবেশনের ১৬তম দিন ২৭ জুন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে সরকারি দল বিএনপি’র সংসদ সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় সংসদে বলেছিলেন, আগে শুনতাম বদি, এখনতো বদি নাই, বদিতো বধ হয়ে গেছে। এখন ওইখানকার দায়িত্বটা কে নিছে? বাড়ির আশেপাশের লোক, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরতো চেনার কথা। এতদিন ওইদিক দিয়ে মাদক আসা বন্ধ হওয়া উচিত ছিল। আইন দিয়ে কোনও কিছু হয় না। আইন কার্যকরী করার জন্য সাহস লাগে, সৎ সাহস লাগে, ইচ্ছা লাগে। সুতরাং আমাদের একটা বড় চ্যালেঞ্জ এখন বাংলাদেশে মাদকাসক্ত।

ট্যাগসঃ

নিউজটি শেয়ার করুন

বিস্তারিত লিখুনঃ

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

১০

মাদকদ্রব্য বহনকারীরাই ধরা পড়ে কিন্তু ব্যবসার সঙ্গে জড়িতরা সংসদে যায়

আপডেট সময়ঃ ০২:২২:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬

সংসদে রুমিন ফারহানা
মাদকদ্রব্য বহনকারীরাই ধরা পড়ে কিন্তু ব্যবসার সঙ্গে জড়িতরা সংসদে যায়
ডেস্ক রিপোর্ট

১৪ জুলাই ২০২৬,ইংরেজি

 

মাদক মামলায় মাদকদ্রব্য বহনকারীরাই বারবার ধরা পড়ে কিন্তু মাদক ব্যবসার সঙ্গে যারা জড়িত তারা বা তাদের পরিবারের সদস্যরা সংসদে যায় বলে অভিযোগ করেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা।

সোমবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও প্রথম অধিবেশনের ২৩তম দিন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ সংশোধন বিল ২০২৬ পাসের জন্য উত্থাপনের পর বিলটির ওপর জনমত যাচাই-বাছাইয়ের প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে রুমিন ফারহানা এ অভিযোগ করেন।

এখন পর্যন্ত ৩২ জনের মৃত্যু, নামতে শুরু করেছে পানি
এ সময় ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন। রুমিন ফারহানা বলেন, প্রতিদিন আমরা যে মামলাগুলো দেখি সেখানে দেখা যায়, ক্যারিয়াররাই (বাহক) বার বার ধরা পড়ে ৷ কিন্তু বদির মত যারা ব্যবসার সঙ্গে জড়িত হিসেবে সমস্ত সরকারি দপ্তরের রিপোর্টে উঠে আসে, তারা সংসদে যায়, তারা যেতে না পারলে তাদের পরিবারের সদস্যরা সংসদে যায়। যতদিন পর্যন্ত না আমরা যারা সরাসরি মাদকের ব্যবসায় যুক্ত এবং যাদের হাত দিয়ে মাদক বাংলাদেশে প্রবেশ করে টেকনাফ দিয়ে, সেই মানুষগুলো, মূল হোতাদের যতদিন পর্যন্ত আমরা ধরতে না পারবো, আমার মনে হয় না কোনও আইন দিয়ে আমরা এই সমস্যার সমাধান করতে পারবো। আইন যথেষ্ট শক্ত, মাত্র ২৫ গ্রামের উপরে মাদক পেলেই যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা মৃত্যুদণ্ড পর্যন্ত দেয়া হয়। কিন্তু তারপরেও কী করে লাখ লাখ পিস ইয়াবা কিংবা কয়েক কেজি হেরোইনসহ ক্যারিয়াররা যখন ধরা পড়ে আমরা কিন্তু তার উপরে আর উঠতে পারি না ৷

এর আগে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও প্রথম বাজেট অধিবেশনের ১৬তম দিন ২৭ জুন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে সরকারি দল বিএনপি’র সংসদ সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় সংসদে বলেছিলেন, আগে শুনতাম বদি, এখনতো বদি নাই, বদিতো বধ হয়ে গেছে। এখন ওইখানকার দায়িত্বটা কে নিছে? বাড়ির আশেপাশের লোক, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরতো চেনার কথা। এতদিন ওইদিক দিয়ে মাদক আসা বন্ধ হওয়া উচিত ছিল। আইন দিয়ে কোনও কিছু হয় না। আইন কার্যকরী করার জন্য সাহস লাগে, সৎ সাহস লাগে, ইচ্ছা লাগে। সুতরাং আমাদের একটা বড় চ্যালেঞ্জ এখন বাংলাদেশে মাদকাসক্ত।