০৪:০০ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬

সুনামগঞ্জে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা প্রিন্স গ্রেফতার: পুলিশকে মারধর ও আসামি ছিনতাই চেষ্টার অভিযোগে পরিবার ও বন্ধুসহ আটক ৭

স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট সময়ঃ ০১:১১:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬
  • / ৫৯ বার পড়া হয়েছে।

হকবার্তা ডেস্ক রিপোর্ট;

সুনামগঞ্জ ।। ০১ নভেম্বর ২০২৬

 

 

সুনামগঞ্জে নাশকতার মামলার আসামি ও নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের নেতা প্রিন্সকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পরবর্তীতে তাকে সিলেট স্থানান্তরের সময় মব (উচ্ছৃঙ্খল জনতা) তৈরি করে পুলিশের কাজে বাধা দেওয়া, হামলা ও আসামি ছিনতাইয়ের চেষ্টার অভিযোগে তার পরিবার ও বন্ধুসহ আরও বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

 

শনিবার (৩১ অক্টোবর) দিবাগত মধ্যরাতে সিলেটের একটি বেসরকারি হাসপাতাল এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রতন সেখ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

 

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নাশকতার মামলায় জড়িত থাকার সুনির্দিষ্ট অভিযোগে ছাত্রলীগ নেতা প্রিন্সকে প্রথমে আটক করে পুলিশ। থানায় আনার ঘণ্টাখানেকের মধ্যেই হাজতখানায় তিনি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। চিকিৎসার জন্য তাৎক্ষণিকভাবে তাকে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরবর্তীতে সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেটে স্থানান্তরের (রেফার) পরামর্শ দেন।

 

পুলিশ জানায়, প্রিন্সকে সিলেট নেওয়ার প্রক্রিয়া চলাকালীন তার পরিবারের সদস্য ও বন্ধুরা হাসপাতাল এলাকায় জড়ো হন। একপর্যায়ে তারা উস্কানিমূলক আচরণ ও মব সৃষ্টি করে কর্তব্যরত পুলিশের ওপর চড়াও হন। পুলিশের কাজে সরাসরি বাধা প্রদান, মারধর এবং আসামি ছিনতাইয়ের চেষ্টা চালানো হয় বলে অভিযোগ উঠেছে।

 

উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার পর, শনিবার মধ্যরাতে সিলেটের সংশ্লিষ্ট বেসরকারি হাসপাতাল এলাকায় অভিযান চালিয়ে আসামি ছিনতাইয়ের চেষ্টা ও পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগে প্রিন্সের পরিবারের সদস্য এবং বন্ধুদের গ্রেফতার করে পুলিশ।

 

ওসি মো. রতন সেখ জানান, সরকারি কাজে বাধা, পুলিশের ওপর হামলা ও আসামি ছিনতাইয়ের চেষ্টার সুনির্দিষ্ট অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে পৃথক মামলা দায়ের করা হয়েছে। আজ (রবিবার) দুপুরের পর ছাত্রলীগ নেতা প্রিন্সসহ গ্রেফতারকৃত সব আসামিকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। মামলার তদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

ট্যাগসঃ

নিউজটি শেয়ার করুন

বিস্তারিত লিখুনঃ

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

সুনামগঞ্জে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা প্রিন্স গ্রেফতার: পুলিশকে মারধর ও আসামি ছিনতাই চেষ্টার অভিযোগে পরিবার ও বন্ধুসহ আটক ৭

আপডেট সময়ঃ ০১:১১:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬

হকবার্তা ডেস্ক রিপোর্ট;

সুনামগঞ্জ ।। ০১ নভেম্বর ২০২৬

 

 

সুনামগঞ্জে নাশকতার মামলার আসামি ও নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের নেতা প্রিন্সকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পরবর্তীতে তাকে সিলেট স্থানান্তরের সময় মব (উচ্ছৃঙ্খল জনতা) তৈরি করে পুলিশের কাজে বাধা দেওয়া, হামলা ও আসামি ছিনতাইয়ের চেষ্টার অভিযোগে তার পরিবার ও বন্ধুসহ আরও বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

 

শনিবার (৩১ অক্টোবর) দিবাগত মধ্যরাতে সিলেটের একটি বেসরকারি হাসপাতাল এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রতন সেখ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

 

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নাশকতার মামলায় জড়িত থাকার সুনির্দিষ্ট অভিযোগে ছাত্রলীগ নেতা প্রিন্সকে প্রথমে আটক করে পুলিশ। থানায় আনার ঘণ্টাখানেকের মধ্যেই হাজতখানায় তিনি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। চিকিৎসার জন্য তাৎক্ষণিকভাবে তাকে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরবর্তীতে সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেটে স্থানান্তরের (রেফার) পরামর্শ দেন।

 

পুলিশ জানায়, প্রিন্সকে সিলেট নেওয়ার প্রক্রিয়া চলাকালীন তার পরিবারের সদস্য ও বন্ধুরা হাসপাতাল এলাকায় জড়ো হন। একপর্যায়ে তারা উস্কানিমূলক আচরণ ও মব সৃষ্টি করে কর্তব্যরত পুলিশের ওপর চড়াও হন। পুলিশের কাজে সরাসরি বাধা প্রদান, মারধর এবং আসামি ছিনতাইয়ের চেষ্টা চালানো হয় বলে অভিযোগ উঠেছে।

 

উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার পর, শনিবার মধ্যরাতে সিলেটের সংশ্লিষ্ট বেসরকারি হাসপাতাল এলাকায় অভিযান চালিয়ে আসামি ছিনতাইয়ের চেষ্টা ও পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগে প্রিন্সের পরিবারের সদস্য এবং বন্ধুদের গ্রেফতার করে পুলিশ।

 

ওসি মো. রতন সেখ জানান, সরকারি কাজে বাধা, পুলিশের ওপর হামলা ও আসামি ছিনতাইয়ের চেষ্টার সুনির্দিষ্ট অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে পৃথক মামলা দায়ের করা হয়েছে। আজ (রবিবার) দুপুরের পর ছাত্রলীগ নেতা প্রিন্সসহ গ্রেফতারকৃত সব আসামিকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। মামলার তদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।