০২:২৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬

গন মিছিলে ঘটনা ঘটাইদিছে সুনামগঞ্জ বিজ্ঞান প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আন্দোলন!

বিশেষ প্রতিনিধি
  • আপডেট সময়ঃ ০৬:২৩:৫৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬
  • / ১৩৩ বার পড়া হয়েছে।

গন মিছিলে ঘটনা ঘটাইদিছে
সুনামগঞ্জ বিজ্ঞান প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আন্দোলন!
১জুলাই ২০২৬
হক বার্তা বিশেষ প্রতিবাদ ঃ
সুনামগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাস জেলা সদরে স্থাপনের দাবীতে শহরে গণমিছিল, ও সমাবেশ পালন করেছে সদর উপজেলাসহ শহরে বসবাসরত জেলার অন্যান্য উপজেলার আন্দোলনরত লোকজন। এতে বিভিন্ন স্কুলের শিক্ষার্থীরাও এই আন্দোলনে অংশ গ্রহন করে। বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ শেষে জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি দেন আন্দোলকারীরা।

উল্লেখ্য বিগত হাসিনা সরকারের আমলে প্রতি জেলায় বিশ্ববিদ্যালয় নির্মান পরিকল্পনার অংশ হিসেবে সরকার বিগত সালে সুনামগঞ্জ বিজ্ঞান প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের নীতিগত সিদ্ধান্ত অনুমোদন করে সালে

প্রসঙ্গত আরো উল্লেখ্য যে,তত ক্ষালীন সর৯কারের মাননীয় প্রভাবশালী প্লানিং মিনিস্টার এমএমান্নান সাহেব ক্ষমতার অপব্যবহার করে উনার নিজ এলাকায় অর্থাৎ শান্তিগন্জ উপজেলায় স্থান নির্ধারন করতঃ সেখানকার একটি ভাড়া বাসায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কার্যক্রম শুরু হয়
যা এখনো ভাড়া বাসাতেই পরচালিত হচ্ছে
ফলশ্রুতিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের অপূরনীয় ক্ষতি হচ্ছে
প্রশাসনিক একাডেমিক সার্বিক বিষয়ে একধরনের স্থবিরতা বিরাজ,এবং এভাবে চলতে থাকলে শেষপর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয় স্বপ্ন থেকে যায় কিনা জনমনে শঙ্কা আছে

কেন তবে ভাড়া বাসায়?
এখানে সরকারের অসহযোগিতার কিংবা ফান্ডের সীমাবদ্ধতার কোনো বিষয় জড়িত নয়
সমস্যা কোথায়?
জানা যায় সমস্যাটা এলাকায় ;
, ঐযে পূর্বেকার স্হানীয় মতবিরোধ!
অনেকেই আবার ইহা এলাকার বিষয় মানতে রাজি নয়
না বলে, মুলত মুষ্টিমেয় ব্যক্তি গোষ্ঠীর স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয় জড়িত বলে ব্যাপক আলোচনা!

#স্বার্থ⁉️
সরেজমিন পরিদর্শনে দেখা যায়;তখনকার সময়ে স্থান নির্ধারনে পরিকল্পনা মন্ত্রীর মদদপুষ্ট হাবিল কাবিলদের পরিকল্পনায় মুক্ক ভূমিকায়,সুক্ষ প্রতারনায়
,প্রথমে এলাকার সবচেয়ে কমদামী জমির এলাকা চিহ্নিত করে অধিকাংশ জায়গা উক্ত সিন্ডিকেট নামমাত্র মুল্যে অধিকাংশ জায়গা তাদের আয়ত্তে নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের কথা প্রকাশ করা হয়,
বর্তমানে ওখানকার জায়গার মুল্য আকাশছোঁয়া, এযেন সোনায় সোহাগা

বর্তমানে হয়তো;আগের সরকারের সেই হাবিল কাবিল নাই,কথা সত্য
তাদের করায়ত্তকৃত সম্পত্তি অরক্ষিত রেখে,এখন তাহারা মুলত নিজেদের পশ্চাৎপদ রক্ষায় ব্যস্ত,
আর মাননীয় মন্ত্রী মহোদয় ক্ষমতাহীন অর্বাচিনের মতো সাথে মারাত্মক অসহায়ত্ব, শোনা যায় ঠিকমতো খাড়া হইতেও লাগে পত্ত,আর নতুন সরকারের আগমনে
ইতিমধ্যে নতুন হাবিল কাবিল নিয়েছেন দায়িত্ব

অসমর্থিত সুত্রে প্রাপ্ত তত্ত্বে জানা যায়, আন্দোলনকারীদের কেহকেহ তাদের প্রস্তাবিত স্থানের আশপাশের বহু জায়গায় করিয়াছেন নিজেদের অনুগতদের নামে দানপত্র কিংবা বায়নাপত্র সহ বিভিন্ন পদ্ধতিতে সম্পত্তি কুক্ষিগত করতে চাচ্ছেন ঠিক ঐখানকার মতো!

দৃশ্যত এখানে দুটো পক্ষ
একটা সদরের পক্ষে অন্যটা শান্তিগঞ্জের পক্ষে
এখন প্রশ্ন হল এই যে দুটি পক্ষ, ওরা পরস্পর সমকক্ষ কিনা!?
অতীত বর্তমান বিশ্লেষণে দেখা যায়
আমরা সদরের বাসিন্দারা
তখনও শক্তিশালী ছিলাম না, এখনো না
আর দেখা যাচ্ছে না কোনো সম্ভাবনা।

আব্দুস সামাদ আজাদ,সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত, হুমায়ুন রশিদ চৌধুরী, মেজর ইকবাল হোসেন চৌধুরী, প্রসুন কান্তি বরুন
থেকে সর্বশেষ ফজলুল হক আসফিয়া পর্যন্ত
যে সমস্ত দেশবিখ্যাত নেতৃত্ব ছিলেন
তাহাদের মধ্যে সদরের কে আছেন বলেনতো?

সুনামগঞ্জ সদরের কখনো কোনো সময় কোনো নেতা সৃষ্টি হয়নাই,বলতে পারেন ভালো নেতৃত্ব তৈরী হতে দেওয়া হয় নাই;সেজন্য দায়ী মুলত আমরা সবাই
তাছাড়া সদরের বাসিন্দারা কেন জানি লাঠিয়ালের ভুমিকায় তৃপ্তি পায়।

এই আন্দোলনে সদরের পক্ষে নেতৃত্ব দিচ্ছেন যারা
উনারা আসলে কারা?
উনাদের কতটুকুই বা আছে শক্তি সামর্থ্য,ওদের সাথে পাল্লা দেয়ার মতো?
নিকট অতীত পর্যবেক্ষণে দেখা যায়,জেলার বাকি সব নেতা এমপিরা জনার মান্নান সাহেবের সামনে বসে থাকতেন
বিড়ালের বাচ্চার ন্যায়!

শেখ হাসিনার বিদায়
মান্নান সাহেবের পাওয়ার চলে গেল কোমায়,
সরকার বদলায়,প্রশাসন বদলায়
ক্ষমতার এই পালাবদলে
শুধু সদর উপজেলার ক্ষমতা অধরা থেকে যায়!

রবিবার (২৮ জুন) সকাল ১১ টা থেকে সুনামগঞ্জ শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে স্থায়ী ক্যাম্পাস স্থাপনের দাবী জানিয়ে বিভিন্ন স্লোগানে মিছিল সহকারে শহরের ঐতিহ্য যাদুঘর প্রাঙ্গণে মিলিত হন তারা।
সমাবেশে জেলা সিপিবিরি সাবেক সভাপতি অব. অধ্যাপক চিত্ত রঞ্জন তালুকদারের সভাপতিত্বে এবং সুনামগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাস জেলা সদরে বাস্তবায়ন আন্দোলনের সদস্য সচিব মুনাজ্জির হোসেন সুজন ও যুগ্ম সদস্য সচিব রাজু আহমেদের সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য দেন- জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির অমুক তমুক ইত্যাদি প্রমুখ!

এইবার আসেন টার্নিংপয়েন্টেঃ
১)প্রথমত কথিত গনমিছিলে লোকসমাগম ছিলো বড্ড বেশি কম,
২)উপস্থিত জনতার মধ্যে ফিফটি পার্সেন্টের উপরে,ফুরুতা
অর্থাৎ আইনত তাদের মতামতের কোনো মুল্য নাই
ওরাতো নাবালক বুঝলি বেটা আহাম্মক?
👉তোর আট আনা মিছা!
৩)মঞ্চে উপস্থিত নেতৃত্বের একটা অংশ বিতর্কিত আবার কেহকেহ জনৈক নেতার অনুসারী যাদের স্বাধীনতা নাই নিজের অনুভূতি করিতে প্রকাশিত,সুর্য্যের উদয় অস্ত কর্তা নির্দেশিত,
সীদ্ধান্ত হয় যে উনারাও নাবালক শ্রেণির আওতাভুক্ত
প্রথম সারিতে উপস্থিত ৪/৫ জন বাম ঘরানার নিরীহ ভদ্রলোক হিসাবে সমাদৃত!

সর্বশেষঃসদরের আন্দোলন হলে সম্পৃক্ত করা যেতো,বিগত নির্বাচনে বিভিন্ন দল থেকে প্রতিনিধিত্ব করানো যেতো
তবুও শেষপর্যন্ত যে আন্দোলন কমিটি গঠিত হয়েছে, তাতে সর্বজন শ্রদ্ধেয় এডভোকেট হুমায়ুন মঞ্জুর, এডভোকেট রবিউল লেইস এডভোকেট রুহুল তুহিনদের উপস্থিতি কমিটিতে গ্রহনযোগ্যতা বাড়াতে সহযোগিতা করলেও গতকালের গন মিছিল পূর্বে যে জনসমাবেশ অনুষ্ঠিত হলো সেখানে উনাদের উপস্থিতিও নিশ্চিত করা গেলোনা!

সুনামগঞ্জের ৫ এমপির মধ্যে সদরের সাথে সম্পৃক্ত আন্দোলনের সাথে একাত্মতা প্রকাশ করতে কাউকে দেখা গেলোনা! নাসির উদ্দীন চৌধুরী অসুস্থতা জনিত কারণে কোনো পক্ষে সম্পৃক্ত না,কামরুজ্জামান কামরুলও নিরপেক্ষ ভেন্যুতে অপর দিকে এম কয়ছর আহমদ বিলাত ফেরত এবং কলিমউদ্দিন মিলন সাহেব একত্রে!
বলতে দুঃখের সাথে;হায় মোদের জনদরদী নেতা!
কেন পারোনা একটা সমাধানে পৌঁছাতে ঐক্যমতে
এলাকার স্বার্থ!

 

নিউজটি শেয়ার করুন

বিস্তারিত লিখুনঃ

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

গন মিছিলে ঘটনা ঘটাইদিছে সুনামগঞ্জ বিজ্ঞান প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আন্দোলন!

আপডেট সময়ঃ ০৬:২৩:৫৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬

গন মিছিলে ঘটনা ঘটাইদিছে
সুনামগঞ্জ বিজ্ঞান প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আন্দোলন!
১জুলাই ২০২৬
হক বার্তা বিশেষ প্রতিবাদ ঃ
সুনামগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাস জেলা সদরে স্থাপনের দাবীতে শহরে গণমিছিল, ও সমাবেশ পালন করেছে সদর উপজেলাসহ শহরে বসবাসরত জেলার অন্যান্য উপজেলার আন্দোলনরত লোকজন। এতে বিভিন্ন স্কুলের শিক্ষার্থীরাও এই আন্দোলনে অংশ গ্রহন করে। বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ শেষে জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি দেন আন্দোলকারীরা।

উল্লেখ্য বিগত হাসিনা সরকারের আমলে প্রতি জেলায় বিশ্ববিদ্যালয় নির্মান পরিকল্পনার অংশ হিসেবে সরকার বিগত সালে সুনামগঞ্জ বিজ্ঞান প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের নীতিগত সিদ্ধান্ত অনুমোদন করে সালে

প্রসঙ্গত আরো উল্লেখ্য যে,তত ক্ষালীন সর৯কারের মাননীয় প্রভাবশালী প্লানিং মিনিস্টার এমএমান্নান সাহেব ক্ষমতার অপব্যবহার করে উনার নিজ এলাকায় অর্থাৎ শান্তিগন্জ উপজেলায় স্থান নির্ধারন করতঃ সেখানকার একটি ভাড়া বাসায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কার্যক্রম শুরু হয়
যা এখনো ভাড়া বাসাতেই পরচালিত হচ্ছে
ফলশ্রুতিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের অপূরনীয় ক্ষতি হচ্ছে
প্রশাসনিক একাডেমিক সার্বিক বিষয়ে একধরনের স্থবিরতা বিরাজ,এবং এভাবে চলতে থাকলে শেষপর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয় স্বপ্ন থেকে যায় কিনা জনমনে শঙ্কা আছে

কেন তবে ভাড়া বাসায়?
এখানে সরকারের অসহযোগিতার কিংবা ফান্ডের সীমাবদ্ধতার কোনো বিষয় জড়িত নয়
সমস্যা কোথায়?
জানা যায় সমস্যাটা এলাকায় ;
, ঐযে পূর্বেকার স্হানীয় মতবিরোধ!
অনেকেই আবার ইহা এলাকার বিষয় মানতে রাজি নয়
না বলে, মুলত মুষ্টিমেয় ব্যক্তি গোষ্ঠীর স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয় জড়িত বলে ব্যাপক আলোচনা!

#স্বার্থ⁉️
সরেজমিন পরিদর্শনে দেখা যায়;তখনকার সময়ে স্থান নির্ধারনে পরিকল্পনা মন্ত্রীর মদদপুষ্ট হাবিল কাবিলদের পরিকল্পনায় মুক্ক ভূমিকায়,সুক্ষ প্রতারনায়
,প্রথমে এলাকার সবচেয়ে কমদামী জমির এলাকা চিহ্নিত করে অধিকাংশ জায়গা উক্ত সিন্ডিকেট নামমাত্র মুল্যে অধিকাংশ জায়গা তাদের আয়ত্তে নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের কথা প্রকাশ করা হয়,
বর্তমানে ওখানকার জায়গার মুল্য আকাশছোঁয়া, এযেন সোনায় সোহাগা

বর্তমানে হয়তো;আগের সরকারের সেই হাবিল কাবিল নাই,কথা সত্য
তাদের করায়ত্তকৃত সম্পত্তি অরক্ষিত রেখে,এখন তাহারা মুলত নিজেদের পশ্চাৎপদ রক্ষায় ব্যস্ত,
আর মাননীয় মন্ত্রী মহোদয় ক্ষমতাহীন অর্বাচিনের মতো সাথে মারাত্মক অসহায়ত্ব, শোনা যায় ঠিকমতো খাড়া হইতেও লাগে পত্ত,আর নতুন সরকারের আগমনে
ইতিমধ্যে নতুন হাবিল কাবিল নিয়েছেন দায়িত্ব

অসমর্থিত সুত্রে প্রাপ্ত তত্ত্বে জানা যায়, আন্দোলনকারীদের কেহকেহ তাদের প্রস্তাবিত স্থানের আশপাশের বহু জায়গায় করিয়াছেন নিজেদের অনুগতদের নামে দানপত্র কিংবা বায়নাপত্র সহ বিভিন্ন পদ্ধতিতে সম্পত্তি কুক্ষিগত করতে চাচ্ছেন ঠিক ঐখানকার মতো!

দৃশ্যত এখানে দুটো পক্ষ
একটা সদরের পক্ষে অন্যটা শান্তিগঞ্জের পক্ষে
এখন প্রশ্ন হল এই যে দুটি পক্ষ, ওরা পরস্পর সমকক্ষ কিনা!?
অতীত বর্তমান বিশ্লেষণে দেখা যায়
আমরা সদরের বাসিন্দারা
তখনও শক্তিশালী ছিলাম না, এখনো না
আর দেখা যাচ্ছে না কোনো সম্ভাবনা।

আব্দুস সামাদ আজাদ,সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত, হুমায়ুন রশিদ চৌধুরী, মেজর ইকবাল হোসেন চৌধুরী, প্রসুন কান্তি বরুন
থেকে সর্বশেষ ফজলুল হক আসফিয়া পর্যন্ত
যে সমস্ত দেশবিখ্যাত নেতৃত্ব ছিলেন
তাহাদের মধ্যে সদরের কে আছেন বলেনতো?

সুনামগঞ্জ সদরের কখনো কোনো সময় কোনো নেতা সৃষ্টি হয়নাই,বলতে পারেন ভালো নেতৃত্ব তৈরী হতে দেওয়া হয় নাই;সেজন্য দায়ী মুলত আমরা সবাই
তাছাড়া সদরের বাসিন্দারা কেন জানি লাঠিয়ালের ভুমিকায় তৃপ্তি পায়।

এই আন্দোলনে সদরের পক্ষে নেতৃত্ব দিচ্ছেন যারা
উনারা আসলে কারা?
উনাদের কতটুকুই বা আছে শক্তি সামর্থ্য,ওদের সাথে পাল্লা দেয়ার মতো?
নিকট অতীত পর্যবেক্ষণে দেখা যায়,জেলার বাকি সব নেতা এমপিরা জনার মান্নান সাহেবের সামনে বসে থাকতেন
বিড়ালের বাচ্চার ন্যায়!

শেখ হাসিনার বিদায়
মান্নান সাহেবের পাওয়ার চলে গেল কোমায়,
সরকার বদলায়,প্রশাসন বদলায়
ক্ষমতার এই পালাবদলে
শুধু সদর উপজেলার ক্ষমতা অধরা থেকে যায়!

রবিবার (২৮ জুন) সকাল ১১ টা থেকে সুনামগঞ্জ শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে স্থায়ী ক্যাম্পাস স্থাপনের দাবী জানিয়ে বিভিন্ন স্লোগানে মিছিল সহকারে শহরের ঐতিহ্য যাদুঘর প্রাঙ্গণে মিলিত হন তারা।
সমাবেশে জেলা সিপিবিরি সাবেক সভাপতি অব. অধ্যাপক চিত্ত রঞ্জন তালুকদারের সভাপতিত্বে এবং সুনামগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাস জেলা সদরে বাস্তবায়ন আন্দোলনের সদস্য সচিব মুনাজ্জির হোসেন সুজন ও যুগ্ম সদস্য সচিব রাজু আহমেদের সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য দেন- জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির অমুক তমুক ইত্যাদি প্রমুখ!

এইবার আসেন টার্নিংপয়েন্টেঃ
১)প্রথমত কথিত গনমিছিলে লোকসমাগম ছিলো বড্ড বেশি কম,
২)উপস্থিত জনতার মধ্যে ফিফটি পার্সেন্টের উপরে,ফুরুতা
অর্থাৎ আইনত তাদের মতামতের কোনো মুল্য নাই
ওরাতো নাবালক বুঝলি বেটা আহাম্মক?
👉তোর আট আনা মিছা!
৩)মঞ্চে উপস্থিত নেতৃত্বের একটা অংশ বিতর্কিত আবার কেহকেহ জনৈক নেতার অনুসারী যাদের স্বাধীনতা নাই নিজের অনুভূতি করিতে প্রকাশিত,সুর্য্যের উদয় অস্ত কর্তা নির্দেশিত,
সীদ্ধান্ত হয় যে উনারাও নাবালক শ্রেণির আওতাভুক্ত
প্রথম সারিতে উপস্থিত ৪/৫ জন বাম ঘরানার নিরীহ ভদ্রলোক হিসাবে সমাদৃত!

সর্বশেষঃসদরের আন্দোলন হলে সম্পৃক্ত করা যেতো,বিগত নির্বাচনে বিভিন্ন দল থেকে প্রতিনিধিত্ব করানো যেতো
তবুও শেষপর্যন্ত যে আন্দোলন কমিটি গঠিত হয়েছে, তাতে সর্বজন শ্রদ্ধেয় এডভোকেট হুমায়ুন মঞ্জুর, এডভোকেট রবিউল লেইস এডভোকেট রুহুল তুহিনদের উপস্থিতি কমিটিতে গ্রহনযোগ্যতা বাড়াতে সহযোগিতা করলেও গতকালের গন মিছিল পূর্বে যে জনসমাবেশ অনুষ্ঠিত হলো সেখানে উনাদের উপস্থিতিও নিশ্চিত করা গেলোনা!

সুনামগঞ্জের ৫ এমপির মধ্যে সদরের সাথে সম্পৃক্ত আন্দোলনের সাথে একাত্মতা প্রকাশ করতে কাউকে দেখা গেলোনা! নাসির উদ্দীন চৌধুরী অসুস্থতা জনিত কারণে কোনো পক্ষে সম্পৃক্ত না,কামরুজ্জামান কামরুলও নিরপেক্ষ ভেন্যুতে অপর দিকে এম কয়ছর আহমদ বিলাত ফেরত এবং কলিমউদ্দিন মিলন সাহেব একত্রে!
বলতে দুঃখের সাথে;হায় মোদের জনদরদী নেতা!
কেন পারোনা একটা সমাধানে পৌঁছাতে ঐক্যমতে
এলাকার স্বার্থ!