০৩:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬

আমার এলাকায় ( ব্রাহ্মণবাড়িয়া) ১০/১১ ঘন্টা বিদ্যুৎ থাকে না.! আর বিদ্যুৎ মন্ত্রী বলেন লোডশেডিং নেই: রুমিন ফারহানার বিস্ফোরণ বক্তব্য

হকবার্তা ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময়ঃ ০৪:০০:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬
  • / ১৯ বার পড়া হয়েছে।

হকবার্তা ডেস্ক রিপোর্ট;

‎১৩ আগস্ট ২০২৬

‎দেশের গ্রামাঞ্চলে চলমান তীব্র লোডশেডিং এবং বিদ্যুৎ খাতের অব্যবস্থাপনা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা। সম্প্রতি জাতীয় সংসদে দেওয়া এক বক্তব্যে তিনি মাঠপর্যায়ের বাস্তব চিত্র তুলে ধরে বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয়ের তীব্র সমালোচনা করেন।

 

‎সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা জানান, তার নির্বাচনী এলাকা ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দৈনিক ১০ থেকে ১১ ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ থাকে না। লোডশেডিং কিংবা মেরামতজনিত যে কারণই দেখানো হোক না কেন, গ্রামাঞ্চলের মানুষ দীর্ঘ সময় ধরে বিদ্যুৎহীন থাকছে—এটাই বর্তমান সময়ের সবচেয়ে বড় বাস্তবতা। তীব্র গরমের মধ্যে এই দীর্ঘমেয়াদি বিদ্যুৎ বিভ্রাট গ্রামীণ জনজীবন, জনস্বাস্থ্য এবং শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় মারাত্মক ব্যাঘাত ঘটাচ্ছে।

‎সরকারি দাবি বনাম মাঠপর্যায়ের বাস্তবতা:

‎ একদিকে বিদ্যুৎমন্ত্রী দাবি করছেন দেশে কোনো লোডশেডিং নেই, অন্যদিকে প্রান্তিক পর্যায়ে মানুষ বিদ্যুতের জন্য হাহাকার করছে। সরকারের উচ্চপর্যায়ের এই দাবির সাথে মাঠপর্যায়ের বাস্তব পরিস্থিতির কোনো মিল নেই বলে অভিযোগ করেন এই সংসদ সদস্য।

‎রাজনৈতিক সমালোচনা ও অতীত ইতিহাস:

‎বক্তব্যে বিদ্যুৎ খাতের বর্তমান ব্যর্থতার দায় সরাসরি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীর ওপর চাপিয়ে রাজনৈতিক সমালোচনাও করা হয়। তিনি উল্লেখ করেন, এই মন্ত্রীর ভুল নীতি ও ব্যর্থতার কারণেই ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত সময়কালে দেশের অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক দল বিএনপির রাজনৈতিক ভাবমূর্তি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল।

‎ তৎকালীন বিদ্যুৎ সংকটের কারণে সৃষ্ট জনঅসন্তোষই সেই সরকারের পতনের অন্যতম অনুঘটক হিসেবে কাজ করেছিল বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকগণ মনে করেন।

 

‎একটি দেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক সচলতা বজায় রাখার মূল চালিকাশক্তি হলো নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ। রুমিন ফারহানা অবিলম্বে গ্রামীণ এলাকার এই বৈষম্যমূলক বিদ্যুৎ সংকটের সমাধান করার এবং আশুগঞ্জ সার কারখানাসহ সামগ্রিক বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রে জ্বালানি (গ্যাস) সরবরাহ নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

ট্যাগসঃ

নিউজটি শেয়ার করুন

বিস্তারিত লিখুনঃ

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

আমার এলাকায় ( ব্রাহ্মণবাড়িয়া) ১০/১১ ঘন্টা বিদ্যুৎ থাকে না.! আর বিদ্যুৎ মন্ত্রী বলেন লোডশেডিং নেই: রুমিন ফারহানার বিস্ফোরণ বক্তব্য

আপডেট সময়ঃ ০৪:০০:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬

হকবার্তা ডেস্ক রিপোর্ট;

‎১৩ আগস্ট ২০২৬

‎দেশের গ্রামাঞ্চলে চলমান তীব্র লোডশেডিং এবং বিদ্যুৎ খাতের অব্যবস্থাপনা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা। সম্প্রতি জাতীয় সংসদে দেওয়া এক বক্তব্যে তিনি মাঠপর্যায়ের বাস্তব চিত্র তুলে ধরে বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয়ের তীব্র সমালোচনা করেন।

 

‎সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা জানান, তার নির্বাচনী এলাকা ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দৈনিক ১০ থেকে ১১ ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ থাকে না। লোডশেডিং কিংবা মেরামতজনিত যে কারণই দেখানো হোক না কেন, গ্রামাঞ্চলের মানুষ দীর্ঘ সময় ধরে বিদ্যুৎহীন থাকছে—এটাই বর্তমান সময়ের সবচেয়ে বড় বাস্তবতা। তীব্র গরমের মধ্যে এই দীর্ঘমেয়াদি বিদ্যুৎ বিভ্রাট গ্রামীণ জনজীবন, জনস্বাস্থ্য এবং শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় মারাত্মক ব্যাঘাত ঘটাচ্ছে।

‎সরকারি দাবি বনাম মাঠপর্যায়ের বাস্তবতা:

‎ একদিকে বিদ্যুৎমন্ত্রী দাবি করছেন দেশে কোনো লোডশেডিং নেই, অন্যদিকে প্রান্তিক পর্যায়ে মানুষ বিদ্যুতের জন্য হাহাকার করছে। সরকারের উচ্চপর্যায়ের এই দাবির সাথে মাঠপর্যায়ের বাস্তব পরিস্থিতির কোনো মিল নেই বলে অভিযোগ করেন এই সংসদ সদস্য।

‎রাজনৈতিক সমালোচনা ও অতীত ইতিহাস:

‎বক্তব্যে বিদ্যুৎ খাতের বর্তমান ব্যর্থতার দায় সরাসরি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীর ওপর চাপিয়ে রাজনৈতিক সমালোচনাও করা হয়। তিনি উল্লেখ করেন, এই মন্ত্রীর ভুল নীতি ও ব্যর্থতার কারণেই ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত সময়কালে দেশের অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক দল বিএনপির রাজনৈতিক ভাবমূর্তি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল।

‎ তৎকালীন বিদ্যুৎ সংকটের কারণে সৃষ্ট জনঅসন্তোষই সেই সরকারের পতনের অন্যতম অনুঘটক হিসেবে কাজ করেছিল বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকগণ মনে করেন।

 

‎একটি দেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক সচলতা বজায় রাখার মূল চালিকাশক্তি হলো নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ। রুমিন ফারহানা অবিলম্বে গ্রামীণ এলাকার এই বৈষম্যমূলক বিদ্যুৎ সংকটের সমাধান করার এবং আশুগঞ্জ সার কারখানাসহ সামগ্রিক বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রে জ্বালানি (গ্যাস) সরবরাহ নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।