১২:৩৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

গণহত্যার বিচার বাংলাদেশে দৃশ্যমান করতে হবে — ‎জামায়াতের আমীর ডা. শফিকুর রহমান

হক বার্তা ডেস্ক রিপোর্ট :
  • আপডেট সময়ঃ ০৬:১৯:০৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ জুলাই ২০২৫
  • / ২৬০ বার পড়া হয়েছে।

‎জামায়াতের আমীর ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ২০২৪ সালে জীবনবাজি রেখে যদি আন্দোলন না হতো তাহলে যারা আজ কথা বলছেন তারা কোথায় থাকতেন? তাই রাজনৈতিক শিষ্টাচার রক্ষা করে আমাদের কথা বলতে হবে। 

‎শনিবার বিকালে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জামায়াতের জাতীয় সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

‎তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, আগামীর বাংলাদেশটা কেমন হবে? আমি বলব আরেকটা লড়াই হবে। এই লড়াই হবে দুর্নীতির বিরুদ্ধে। এই লড়াইয়েও আমরা বিজয় লাভ করব। জামায়াত দুর্নীতিমুক্ত সমাজ গড়বে। 

 

‎এই কথা বলার পর প্রথমবার পড়ে যান তিনি। এরপর ফের দাঁড়িয়ে কথা বলা শুরু করার পর আবার পড়ে যান। এরপর তিনি মঞ্চে বসে বক্তব্য দেন। 

‎তিনি বলেন, কোনো এমপি মন্ত্রী টাকা চালাচালি করবে না। চাঁদা আমরা নেবো না, দুর্নীতি আমরা করব না। আমি জামায়াতের আমীর হিসেবে কথা বলতে আসি নাই। বাংলাদেশের নির্দিষ্ট শ্রেণির মুক্তির জন্য এই লড়াই নয়। আমি কোনো অভিজাত শ্রেণির হয়ে কথা বলতে আসি নাই। আমি কথা বলছি খেটে খাওয়া মানুষের জন্য। ইনসাফের ভিত্তিতে একটা দেশ গড়ে তোলার জন্য, আগামী দিনে যে লড়াই হবে আল্লাহ যেনো সেই লড়াইয়ে একজন শহীদ হিসেবে গ্রহণ করে।

‎তিনি বলেন, পল্টন-শাহবাগ-পিলখানা-২৪’র গণহত্যা যারা করেছে তাদের বিচার বাংলাদেশে দৃশ্যমান করতে হবে। এদের বিচার না হওয়া পর্যন্ত পুরনো বন্দোবস্তে চলবে না। এতোগুলো মানুষ এমনি এমনি জীবন দেয় নাই। নতুন ব্যবস্থায় নতুন বাংলাদেশ গড়ে তোলা হবে ইনশাল্লাহ।

‎সুত্র:মানবজমিন

নিউজটি শেয়ার করুন

বিস্তারিত লিখুনঃ

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

গণহত্যার বিচার বাংলাদেশে দৃশ্যমান করতে হবে — ‎জামায়াতের আমীর ডা. শফিকুর রহমান

আপডেট সময়ঃ ০৬:১৯:০৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ জুলাই ২০২৫

‎জামায়াতের আমীর ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ২০২৪ সালে জীবনবাজি রেখে যদি আন্দোলন না হতো তাহলে যারা আজ কথা বলছেন তারা কোথায় থাকতেন? তাই রাজনৈতিক শিষ্টাচার রক্ষা করে আমাদের কথা বলতে হবে। 

‎শনিবার বিকালে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জামায়াতের জাতীয় সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

‎তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, আগামীর বাংলাদেশটা কেমন হবে? আমি বলব আরেকটা লড়াই হবে। এই লড়াই হবে দুর্নীতির বিরুদ্ধে। এই লড়াইয়েও আমরা বিজয় লাভ করব। জামায়াত দুর্নীতিমুক্ত সমাজ গড়বে। 

 

‎এই কথা বলার পর প্রথমবার পড়ে যান তিনি। এরপর ফের দাঁড়িয়ে কথা বলা শুরু করার পর আবার পড়ে যান। এরপর তিনি মঞ্চে বসে বক্তব্য দেন। 

‎তিনি বলেন, কোনো এমপি মন্ত্রী টাকা চালাচালি করবে না। চাঁদা আমরা নেবো না, দুর্নীতি আমরা করব না। আমি জামায়াতের আমীর হিসেবে কথা বলতে আসি নাই। বাংলাদেশের নির্দিষ্ট শ্রেণির মুক্তির জন্য এই লড়াই নয়। আমি কোনো অভিজাত শ্রেণির হয়ে কথা বলতে আসি নাই। আমি কথা বলছি খেটে খাওয়া মানুষের জন্য। ইনসাফের ভিত্তিতে একটা দেশ গড়ে তোলার জন্য, আগামী দিনে যে লড়াই হবে আল্লাহ যেনো সেই লড়াইয়ে একজন শহীদ হিসেবে গ্রহণ করে।

‎তিনি বলেন, পল্টন-শাহবাগ-পিলখানা-২৪’র গণহত্যা যারা করেছে তাদের বিচার বাংলাদেশে দৃশ্যমান করতে হবে। এদের বিচার না হওয়া পর্যন্ত পুরনো বন্দোবস্তে চলবে না। এতোগুলো মানুষ এমনি এমনি জীবন দেয় নাই। নতুন ব্যবস্থায় নতুন বাংলাদেশ গড়ে তোলা হবে ইনশাল্লাহ।

‎সুত্র:মানবজমিন