দিরাই’র আমিরুল,সিলেট থেকে গ্রেফতার
- আপডেট সময়ঃ ০৬:৫৯:০৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ জুলাই ২০২৬
- / ২৬ বার পড়া হয়েছে।
- দিরাই’র আমিরুল,সিলেট থেকে গ্রেফতার
হক বার্তা ডেস্ক ৪জুলাই ২০২৬
দিরাইয়ে বিষ পান করিয়ে হত্যার ঘটনায় একমাত্র আসামি আমিরুল ইসলাম (৫০) কে সিলেট থেকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব—৯। গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি দিরাই উপজেলার বুরহানপুর গ্রামের মৃত. মদরিছ মিয়ার ছেলে।
শনিবার র্যাব জানায়, ভিকটিম জয় মহাপাত্র (২০) দিরাই উপজেলার ভাঙ্গাডহর এলাকার বাসিন্দা। ভিকটিম আনুমানিক দেড় মাস পূর্বে বিবাদী আমিরুল ইসলামের নিকট থেকে একটি পুরাতন মোবাইল ৫ হাজার ৫০০ টাকা দাম নির্ধারণ করে কিনে। মোবাইল কেনার সময় ভিকটিম বিবাদীকে নগদ ৫ হাজার টাকা দেন এবং বাকী ৫০০ টাকা পরে দেওয়ার কথা বলে মোবাইলটি নিয়ে যান। ঘটনার দিন গত ৮ জানুয়ারি সকাল ৯টায় ভাঙ্গাডহর এলাকার একটি কালভার্টের পাশে ভিকটিমের সাথে বিবাদীর দেখা হলে তিনি বাকী ৫০০ টাকা চান। তখন ভিকটিম তাৎক্ষণিক টাকা দিতে না পারায় বিবাদী তার নিকট থেকে মোবাইল ছিনিয়ে নেন এবং মোবাইলের ভেতর থাকা সিম আনার জন্য বিকালে তার দোকানে যেতে বলেন।
পরবর্তীতে ভিকটিম আনুমানিক বিকাল সাড়ে ৫টায় নিজের সিম আনার জন্য বিবাদীর মুদির দোকানে গেলে বিবাদী তার দোকানের দরজা বন্ধ করে ভিকটিমকে চড়—থাপ্পর মারেন এবং তাকে একটি গ্লাসে থাকা পানিতে বিষ মিশিয়ে জোরপূর্বক পান করিয়ে সিম কার্ডটি দিয়ে বাড়িতে পাঠিয়ে দেন। বাড়িতে গিয়ে ভিকটিম বার বার বমি করলে পরিবারের লোকজন তাকে চিকিৎসার জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স দিরাইয়ে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেট এমএজি মেডিকেল কলেজ হাপসাতাল রেফার্ড করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় গত ৯ জানুয়ারি ভিকটিম মৃত্যুবরণ করেন। এই ঘটনায় ভিকটিমের মা বাদী হয়ে সুনামগঞ্জ জেলার দিরাই থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এরই প্রেক্ষিতে আসামিকে আইনের আওতায় আনতে র্যাব—৯ এই ঘটনার ছায়া তদন্ত শুরু করে এবং গোয়েন্দা তৎপরতা জোরদার করে।
সুনামগঞ্জ ভ্রমণ গাইড
এরই ধারাবাহিকতায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব—৯, সিপিসি—৩, সুনামগঞ্জ এবং সদর কোম্পানী, সিলেটের একটি যৌথ আভিযানিক গত ৩ জুলাই সন্ধ্যা ৭টা ৫ মিনিটে সিলেটের শাহপরাণ থানাধীন তামাবিল রোডস্থ শিবগঞ্জ বাজার এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানকালে বিষ পান করিয়ে হত্যার ঘটনায় এজাহারনামীয় একমাত্র পলাতক আসামি আমিরুল ইসলাম কে গ্রেপ্তার করা হয়।
সিলেট র্যাব—৯ এর মিডিয়া অফিসার ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কে. এম. শহিদুল ইসলাম সোহাগ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানান, পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষে গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এছাড়াও দেশের আইন—শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং এই মামলার অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারের লক্ষে র্যাব—৯ এর চলমান গোয়েন্দা তৎপরতা ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।


















