০৩:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬

পরীক্ষা না দিয়েও তালিকায় নাম !

হকবার্তা ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময়ঃ ০১:২২:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬
  • / ৩৫ বার পড়া হয়েছে।

‎হকবার্তা ডেস্ক;

‎১১ আগস্ট ২০২৬

জগন্নাথপুরে ফ্যামিলি কার্ড শুমারিতে তথ্য সংগ্রহকারী পদে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ না করেও চূড়ান্ত তালিকায় এক নারী নাম অন্তভুর্ক্ত হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। সোমবার এক ভুক্তভোগী জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর লিখিতভাবে এমন অভিযোগ দায়ের করেছেন।

 

‎এদিকে ফ্যামিলি কার্ড শুমারিতে সুপারভাইজার, তথ্য সংগ্রহকারী ও স্বেচ্ছাসেবী পদে ব্যাপক অনিয়ম ও দলীয়করণের অভিযোগ তুলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে রবিবার রাত থেকে ক্ষোভের ঝড় বইছে।

‎ভুক্তভোগীর লিখিত অভিযোগ থেকে জানা যায়, জগন্নাথপুর উপজেলার রানীগঞ্জ ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের (নয়াগাঁও) গ্রামে তথ্য সংগ্রহকারী পদের জন্য আবেদন করেন ওই এলাকার সুলতান আহমেদ ও বিউটি বেগম। গত ২৬ জুলাই জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার অফিসে যথানিয়মে তারা লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন।

‎কিন্তু রবিরার চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশের পর দেখা যায়, পরীক্ষায় অংশ নেওয়া দুই প্রার্থীকে বাদ দিয়ে জুলি বেগম নামে এক নারীর নাম চূড়ান্ত তালিকায় ৪৩ নং ক্রমিকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। যিনি কোনো পরীক্ষাতেই অংশ নেননি। ওই নারী নোয়াগাঁও গ্রামের জসিম উদ্দিনের মেয়ে। স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে এ ঘটনায় প্রতিকার চেয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী প্রার্থী সুলতান আহমেদ।

‎অভিযোগকারী সুলতান আহমেদ জানান, আমরা যথাযথ প্রক্রিয়ায় আবেদন করে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করি। অথচ যিনি পরীক্ষাই দিলেন না, তাঁর নাম চূড়ান্ত তালিকায় চলে আসলো। এটি চরম অন্যায় ও অনিয়ম। ঘটনাটির সুষ্ঠু তদন্ত ও সঠিক প্রার্থীকে নিয়োগের দাবি জানিয়েছেন তিনি।

‎এ ব্যাপারে জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইসলাম উদ্দিন জানান, অভিযোগ এখনো দেখি নাই। সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে আমরা বিধি মোতাবেক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।

ট্যাগসঃ

নিউজটি শেয়ার করুন

বিস্তারিত লিখুনঃ

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

পরীক্ষা না দিয়েও তালিকায় নাম !

আপডেট সময়ঃ ০১:২২:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬

‎হকবার্তা ডেস্ক;

‎১১ আগস্ট ২০২৬

জগন্নাথপুরে ফ্যামিলি কার্ড শুমারিতে তথ্য সংগ্রহকারী পদে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ না করেও চূড়ান্ত তালিকায় এক নারী নাম অন্তভুর্ক্ত হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। সোমবার এক ভুক্তভোগী জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর লিখিতভাবে এমন অভিযোগ দায়ের করেছেন।

 

‎এদিকে ফ্যামিলি কার্ড শুমারিতে সুপারভাইজার, তথ্য সংগ্রহকারী ও স্বেচ্ছাসেবী পদে ব্যাপক অনিয়ম ও দলীয়করণের অভিযোগ তুলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে রবিবার রাত থেকে ক্ষোভের ঝড় বইছে।

‎ভুক্তভোগীর লিখিত অভিযোগ থেকে জানা যায়, জগন্নাথপুর উপজেলার রানীগঞ্জ ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের (নয়াগাঁও) গ্রামে তথ্য সংগ্রহকারী পদের জন্য আবেদন করেন ওই এলাকার সুলতান আহমেদ ও বিউটি বেগম। গত ২৬ জুলাই জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার অফিসে যথানিয়মে তারা লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন।

‎কিন্তু রবিরার চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশের পর দেখা যায়, পরীক্ষায় অংশ নেওয়া দুই প্রার্থীকে বাদ দিয়ে জুলি বেগম নামে এক নারীর নাম চূড়ান্ত তালিকায় ৪৩ নং ক্রমিকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। যিনি কোনো পরীক্ষাতেই অংশ নেননি। ওই নারী নোয়াগাঁও গ্রামের জসিম উদ্দিনের মেয়ে। স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে এ ঘটনায় প্রতিকার চেয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী প্রার্থী সুলতান আহমেদ।

‎অভিযোগকারী সুলতান আহমেদ জানান, আমরা যথাযথ প্রক্রিয়ায় আবেদন করে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করি। অথচ যিনি পরীক্ষাই দিলেন না, তাঁর নাম চূড়ান্ত তালিকায় চলে আসলো। এটি চরম অন্যায় ও অনিয়ম। ঘটনাটির সুষ্ঠু তদন্ত ও সঠিক প্রার্থীকে নিয়োগের দাবি জানিয়েছেন তিনি।

‎এ ব্যাপারে জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইসলাম উদ্দিন জানান, অভিযোগ এখনো দেখি নাই। সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে আমরা বিধি মোতাবেক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।