কুরবানির হাটে জাল নোটের আতঙ্কঃ
বড় অঙ্কের নোট ও লেনদেনে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ৫ সতর্কতাঃ
- আপডেট সময়ঃ ০৬:৪০:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬
- / ১৬ বার পড়া হয়েছে।
পবিত্র ঈদুল আজহা ঘনিয়ে আসতেই দেশজুড়ে শুরু হয়েছে কুরবানির পশুর কেনাবেচা। হাটে-বাজারে এখন কোটি কোটি টাকার লেনদেন। তবে এই উৎসবের সুযোগ নিয়ে সক্রিয় হয়ে ওঠে জাল নোট কারবারিরা।
সাধারণ মানুষের কষ্টার্জিত টাকা যেন প্রতারকদের পকেটে না যায়, সেজন্য বড় অঙ্কের নোট লেনদেনে বিশেষ সতর্কতা জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
সম্প্রতি বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে, কুরবানির ঈদকে কেন্দ্র করে ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোটের ব্যবহার অনেক বেড়ে যায়। এই সুযোগে অসাধু চক্র বাজারে জাল নোট ছড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে। তবে সচেতন থাকলে এই জালিয়াতি রোধ করা সম্ভব।
জাল নোটের হাত থেকে বাঁচতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক বেশ কিছু জরুরি নির্দেশনা দিয়েছেঃ
* নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য যাচাইঃ
১০০, ২০০, ৫০০ এবং ১০০০ টাকার নোট লেনদেনের সময় অবশ্যই সেটির নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্যগুলো দেখে নিন। বিশেষ করে জলছাপ, নিরাপত্তা সুতা, রং পরিবর্তনশীল কালি এবং অসমতল ছাপের ওপর নজর দিন।
* ব্যাংক বুথের সহায়তাঃ
আপনার নিকটস্থ তফশিলি ব্যাংক অথবা পশুর হাটে স্থাপিত ব্যাংকের অস্থায়ী বুথগুলোতে গিয়ে নোট যাচাই করে নিতে পারেন। সেখানে দায়িত্বরত কর্মকর্তারা আপনাকে বিনামূল্যে এই সেবা দেবেন।
* সন্দেহজনক উৎস এড়িয়ে চলাঃ
অপরিচিত বা সন্দেহজনক কোনো মাধ্যম থেকে টাকা গ্রহণ বা প্রদান করা থেকে বিরত থাকুন।
* প্রাতিষ্ঠানিক লেনদেনে গুরুত্বঃ
লেনদেনের ক্ষেত্রে ব্যাংক বা অনুমোদিত আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ওপর আস্থা রাখাই হবে সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ।
বাংলাদেশ ব্যাংক স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, জালিয়াতি রুখতে সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টার কোনো বিকল্প নেই। নিজে সতর্ক হওয়ার পাশাপাশি আপনার চারপাশের মানুষ ও ব্যবসায়ীদেরও এ বিষয়ে সচেতন করুন। একটু সাবধানতাই পারে আপনার ঈদকে নিরাপদ ও আনন্দময় রাখতে।


















