বাংলাদেশ থেকে কাশ্মীরি শিক্ষার্থীদের অবিলম্বে ফিরিয়ে নেওয়ার দাবি
- আপডেট সময়ঃ ০৮:৩৩:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫
- / ৮৪ বার পড়া হয়েছে।
বাংলাদেশে অধ্যয়নরত কাশ্মীরি শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন আওয়ামী ইত্তিহাদ পার্টির এআইপি) প্রধান মুখপাত্র ইনাম উন নবী।
গতকাল সোমবার তিনি কোনো বিলম্ব না করে শিক্ষার্থীদের অবিলম্বে দেশে ফিরিয়ে নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
ইনাম উন নবী বলেন, উচ্চশিক্ষা—বিশেষ করে চিকিৎসা শাস্ত্রে পড়াশোনার জন্য কাশ্মীরের হাজার হাজার শিক্ষার্থী বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ভর্তি রয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, সেখানকার অবনতিশীল পরিস্থিতি, অস্থিতি শীলতার খবর, চলাফেরায় বিধিনিষেধ এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্রমবর্ধমান ভীতি তাদের পরিবারগুলোর মধ্যে গভীর উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে।
তিনি বলেন, “আমাদের শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা ও কল্যাণের বিষয়ে কোনো আপস করা যাবে না। বাড়ি থেকে অনেক দূরে এমন এক অনিশ্চিত ও অস্থির পরিস্থিতির মধ্যে তাদের আটকে পড়া অবস্থায় ফেলে রাখা ঠিক হবে না।” তিনি আরও বলেন, পরিস্থিতির আরও অবনতি হওয়ার জন্য অপেক্ষা করা হবে চরম দায়িত্বজ্ঞানহীনতা।
এআইপির প্রধান মুখপাত্র ভারত সরকার এবং দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে কেবল রুটিনমাফিক পরামর্শ জারি না করে, শিক্ষার্থীদের নিরাপদ প্রত্যাবর্তনের জন্য অবিলম্বে সুনির্দিষ্ট ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি জোর দিয়ে বলেন, এই সংকটময় সময়ে শিক্ষার্থী ও তাদের পরিবারের সাথে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি।
তিনি আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হবে। এআইপি প্রধান মুখপাত্র ইনাম উন নবী আরও উল্লেখ করেন যে, শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যের দিকেও বিশেষ নজর দেওয়া উচিত, কারণ এই ধরনের পরিস্থিতি তাদের উপর মানসিক চাপ সৃষ্টি করতে পারে। তিনি বলেন, “আমাদের উচিত শিক্ষার্থীদের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা এবং তাদের যেকোনো প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করা।”
তিনি আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের নিরাপদে দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য একটি সুসংগঠিত পরিকল্পনা প্রণয়ন করা উচিত এবং এই প্রক্রিয়ায় সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের সমন্বয় প্রয়োজন। ইনাম উন নবী কাশ্মীরি শিক্ষার্থীদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা প্রকাশ করেন এবং তাদের ধৈর্য্য ধারণ করার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, “আমরা এই কঠিন সময়ে আপনাদের পাশে আছি এবং শিক্ষার্থীদের নিরাপদ প্রত্যাবর্তনের জন্য আমরা আমাদের সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালিয়ে যাব।”
এছাড়াও, তিনি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন যে, শিক্ষার্থীদের এই সংকটময় পরিস্থিতি থেকে মুক্তি দিতে তাদেরও সহায়তা করা উচিত। তিনি বলেন, “আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উচিত এই বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি করা এবং শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া।”
তথ্যসহায়তাঃইনকিলাব











