০৬:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬
‎প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রথম অফিস:

শহীদ দিবসের স্মারক ডাকটিকিট উন্মোচন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

হক বার্তা ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময়ঃ ০৮:০৬:০৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / ৮৮ বার পড়া হয়েছে।

‎মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে বিশেষ স্মারক ডাকটিকিট উন্মোচন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। 

‎শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে (পিএমও) এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তিনি এই ডাকটিকিট উন্মোচন করেন।

‎দায়িত্ব গ্রহণের পর এটিই ছিল প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে তাঁর প্রথম কর্মদিবস। এর আগে গত বুধবার ও বৃহস্পতিবার তিনি সচিবালয়ে নিয়মিত দাপ্তরিক কার্যক্রম পরিচালনা করেছিলেন।

 

‎শনিবার সকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পৌঁছালে তাঁকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানো হয়। কর্মদিবসের শুরুতেই প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের প্রাঙ্গণে একটি ‘স্বর্ণচাঁপা’ গাছের চারা রোপণ করেন। পরিবেশ সংরক্ষণ এবং সবুজায়ন প্রসারে সরকারের অঙ্গীকারের প্রতীক হিসেবে এই বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করা হয়।

 

‎প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের মূল ভবনে প্রবেশের আগে এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভবনে প্রবেশের মুখেই সেখানে কর্মরত কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সঙ্গে কুশলাদি বিনিময় করেন।

‎বিশেষ করে, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সরকারের আমলে দায়িত্ব পালনকারী অনেক পুরনো কর্মকর্তা ও কর্মচারীকে কাছে ডেকে নেন এবং তাঁদের খোঁজখবর নেন। প্রধানমন্ত্রীকে কাছে পেয়ে দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞ কর্মীরা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন।

‎ভাষা শহীদদের ত্যাগের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে স্মারক ডাকটিকিট উন্মোচনকালে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “৫২-এর ভাষা আন্দোলন আমাদের স্বাধিকার আন্দোলনের ভিত্তি। এই দিনটি বিশ্বজুড়ে মাতৃভাষার মর্যাদা রক্ষার প্রেরণা দেয়।”

‎অনুষ্ঠানের বিশেষ দিকসমূহ:

‎ডাকটিকিট উন্মোচন: একুশের চেতনাকে সমুন্নত রাখতে বিশেষ ডাকটিকিট ও উদ্বোধনী খাম অবমুক্তকরণ।

‎বিভাগীয় সমন্বয়: কার্যালয়ে উপস্থিত কর্মকর্তাদের সাথে সংক্ষিপ্ত পরিচিতি ও কাজের সমন্বয় সাধন।

‎ প্রথম অফিস: পিএমও-তে দীর্ঘ বিরতির পর নতুন সরকারের প্রশাসনিক কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক যাত্রা।

‎”প্রশাসনের প্রাণকেন্দ্র হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়কে জনবান্ধব এবং গতিশীল করাই আমাদের লক্ষ্য। কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আন্তরিক সহযোগিতা ও নিষ্ঠাই রাষ্ট্রের অগ্রগতির মূল চাবিকাঠি।”- বলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

‎সচিবালয়ের পর প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে নিয়মিত অফিস শুরু করার মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় কার্যক্রমে পূর্ণাঙ্গ গতিশীলতা আসবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। শহীদ দিবসের এই দিনে দায়িত্ব পালনের মধ্য দিয়ে প্রধানমন্ত্রী দেশপ্রেম ও কর্তব্যনিষ্ঠার এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন।

 

‎তথ্যসহায়তাঃমানবজমিন

নিউজটি শেয়ার করুন

বিস্তারিত লিখুনঃ

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

‎প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রথম অফিস:

শহীদ দিবসের স্মারক ডাকটিকিট উন্মোচন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

আপডেট সময়ঃ ০৮:০৬:০৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

‎মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে বিশেষ স্মারক ডাকটিকিট উন্মোচন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। 

‎শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে (পিএমও) এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তিনি এই ডাকটিকিট উন্মোচন করেন।

‎দায়িত্ব গ্রহণের পর এটিই ছিল প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে তাঁর প্রথম কর্মদিবস। এর আগে গত বুধবার ও বৃহস্পতিবার তিনি সচিবালয়ে নিয়মিত দাপ্তরিক কার্যক্রম পরিচালনা করেছিলেন।

 

‎শনিবার সকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পৌঁছালে তাঁকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানো হয়। কর্মদিবসের শুরুতেই প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের প্রাঙ্গণে একটি ‘স্বর্ণচাঁপা’ গাছের চারা রোপণ করেন। পরিবেশ সংরক্ষণ এবং সবুজায়ন প্রসারে সরকারের অঙ্গীকারের প্রতীক হিসেবে এই বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করা হয়।

 

‎প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের মূল ভবনে প্রবেশের আগে এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভবনে প্রবেশের মুখেই সেখানে কর্মরত কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সঙ্গে কুশলাদি বিনিময় করেন।

‎বিশেষ করে, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সরকারের আমলে দায়িত্ব পালনকারী অনেক পুরনো কর্মকর্তা ও কর্মচারীকে কাছে ডেকে নেন এবং তাঁদের খোঁজখবর নেন। প্রধানমন্ত্রীকে কাছে পেয়ে দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞ কর্মীরা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন।

‎ভাষা শহীদদের ত্যাগের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে স্মারক ডাকটিকিট উন্মোচনকালে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “৫২-এর ভাষা আন্দোলন আমাদের স্বাধিকার আন্দোলনের ভিত্তি। এই দিনটি বিশ্বজুড়ে মাতৃভাষার মর্যাদা রক্ষার প্রেরণা দেয়।”

‎অনুষ্ঠানের বিশেষ দিকসমূহ:

‎ডাকটিকিট উন্মোচন: একুশের চেতনাকে সমুন্নত রাখতে বিশেষ ডাকটিকিট ও উদ্বোধনী খাম অবমুক্তকরণ।

‎বিভাগীয় সমন্বয়: কার্যালয়ে উপস্থিত কর্মকর্তাদের সাথে সংক্ষিপ্ত পরিচিতি ও কাজের সমন্বয় সাধন।

‎ প্রথম অফিস: পিএমও-তে দীর্ঘ বিরতির পর নতুন সরকারের প্রশাসনিক কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক যাত্রা।

‎”প্রশাসনের প্রাণকেন্দ্র হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়কে জনবান্ধব এবং গতিশীল করাই আমাদের লক্ষ্য। কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আন্তরিক সহযোগিতা ও নিষ্ঠাই রাষ্ট্রের অগ্রগতির মূল চাবিকাঠি।”- বলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

‎সচিবালয়ের পর প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে নিয়মিত অফিস শুরু করার মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় কার্যক্রমে পূর্ণাঙ্গ গতিশীলতা আসবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। শহীদ দিবসের এই দিনে দায়িত্ব পালনের মধ্য দিয়ে প্রধানমন্ত্রী দেশপ্রেম ও কর্তব্যনিষ্ঠার এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন।

 

‎তথ্যসহায়তাঃমানবজমিন