বিস্ফোরক ও ডেটোনেটর উদ্ধার
সিলেটের কানাইঘাট সীমান্তে শক্তিশালী বিজিবি-র্যাব অভিযান:
- আপডেট সময়ঃ ০৯:৩৫:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
- / ৭১ বার পড়া হয়েছে।
সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার সুরাইঘাট সীমান্তে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-৯ এর এক যৌথ অভিযানে বিপুল পরিমাণ উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন বিস্ফোরক উদ্ধার করা হয়েছে।
উদ্ধারকৃত সরঞ্জামাদির মধ্যে রয়েছে ১৪টি পাওয়ার জেল এবং ১৪টি ইলেকট্রিক ডেটোনেটর।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রাথমিক ধারণা, দেশের অভ্যন্তরে বড় ধরনের নাশকতা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে সীমান্ত দিয়ে এসব মরণাস্ত্র পাচার করে আনা হয়েছিল।
জকিগঞ্জ ব্যাটালিয়ন (১৯ বিজিবি) ও র্যাব-৯ এর একটি বিশেষ দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ১১টা ৫০ মিনিটে এই অভিযান পরিচালনা করে।
সীমান্তের ১৩১৪/এমপি পিলারের নিকটবর্তী ধর্মপুর এলাকায় তল্লাশি চালিয়ে পরিত্যক্ত অবস্থায় এসব বিস্ফোরক উদ্ধার করা হয়।
বিজিবি সূত্র জানায়, চোরাকারবারিরা গাছের ডালপালা দিয়ে পলিথিনে মোড়ানো অবস্থায় অত্যন্ত সুকৌশলে বিস্ফোরকগুলো লুকিয়ে রেখেছিল। তবে নিরাপত্তা বাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে তারা পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।
উদ্ধারকৃত বিস্ফোরকগুলোর প্রকৃতি বিশ্লেষণ করে নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন:
* উচ্চ ক্ষমতা: উদ্ধারকৃত পাওয়ার জেল ও ইলেকট্রিক ডেটনেটর ব্যবহার করে শক্তিশালী আইইডি (Improvised Explosive Device) বা হাতবোমা তৈরি করা সম্ভব।
* উদ্দেশ্য: গোয়েন্দা তথ্যানুযায়ী, কোনো বিশেষ গোষ্ঠী নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনার লক্ষ্যেই এই চালানটি সংগ্রহ করেছিল।
জকিগঞ্জ ব্যাটালিয়ন (১৯ বিজিবি) এর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সীমান্তে কড়া নজরদারি ও গোয়েন্দা তৎপরতা বৃদ্ধির ফলেই এই ভয়াবহ চালানটি জব্দ করা সম্ভব হয়েছে। সীমান্তের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে এবং দেশবিরোধী যেকোনো অপতৎপরতা রুখতে বিজিবির এ ধরনের কঠোর আভিযানিক কার্যক্রম ও টহল অব্যাহত থাকবে।
উদ্ধারকৃত বিস্ফোরকগুলো বর্তমানে পুলিশের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে এবং এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত মূল হোতাদের শনাক্ত করতে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।





















