০৪:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬

‎”হাদি, আবরার ফাহাদ, আবু সাঈদ, তোমাদেরকে এবং তোমাদের সঙ্গীদেরকে আমরা কথা দিয়ে যাচ্ছি—তোমাদের স্বপ্ন বাস্তবায়নে আমরা লড়ে যাব এবং দুনিয়ার জমিনে তোমাদের বিচার নিশ্চিত করে যাব, ইনশাআল্লাহ।” ‎

হকবার্তা ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময়ঃ ০১:৪৩:১১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬
  • / ১০ বার পড়া হয়েছে।

‎হকবার্তা ডেস্ক:

‎২৯ জুলাই ২০২৬ 

‎শহীদদের স্বপ্ন বাস্তবায়ন ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় আমিরে জামায়াতের দ্ব্যর্থহীন ঘোষণা ;

‎ঢাকা: দেশের বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে প্রাণ উৎসর্গকারী শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা এবং তাদের রক্তের সঙ্গে বেইমানি না করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান।

‎ তিনি স্পষ্টভাবে ঘোষণা দিয়েছেন যে, শহীদ হাদি, আবরার ফাহাদ ও আবু সাঈদসহ ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে গিয়ে যারা শহীদ হয়েছেন, তাদের স্বপ্ন বাস্তবায়নে এ দেশের জনতা রাজপথে লড়ে যাবে এবং প্রতিটি হত্যার ন্যায়বিচার দুনিয়ার জমিনেই নিশ্চিত করা হবে, ইনশাআল্লাহ।

‎শহীদদের আত্মত্যাগের প্রতি সম্মান:

‎সাম্প্রতিক বিভিন্ন জনসভা ও জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্যে আমিরে জামায়াত বলেন, যাঁদের তাজা রক্ত ও ত্যাগের বিনিময়ে জাতি ফ্যাসিবাদী শাসন থেকে মুক্তি পেয়েছে, জাতি চিরদিন তাদের কাছে কৃতজ্ঞ থাকবে। শহীদ আবু সাঈদ বুক পেতে যেভাবে ফ্যাসিবাদের বুলেট লুফে নিয়েছিলেন এবং আবরার ফাহাদ কিংবা হাদিরা যেভাবে অন্যায়ের প্রতিবাদ করে নিজেদের জীবন বিলিয়ে দিয়েছেন—তাঁদের সেই আত্মত্যাগ এ দেশের ইতিহাসে সোনালী অক্ষরে লেখা থাকবে। এই শহীদরা কেবল ব্যক্তি নন, তাঁরা একেকটি চেতনার প্রতীক।

‎প্রতিশ্রুতি ও রাজনৈতিক অঙ্গীকার :

‎বক্তব্যে ডা. শফিকুর রহমান দলীয় নেতাকর্মী ও দেশবাসীর উদ্দেশ্যে বলেন, শহীদদের আত্মত্যাগের মূল লক্ষ্য ছিল একটি বৈষম্যহীন, শোষণমুক্ত, দুর্নীতিমুক্ত এবং মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তোলা। পুরনো পচা ব্যবস্থা কিংবা কোনো ধরনের ফ্যাসিবাদী সংস্কৃতিকে এ দেশে আর মাথাচাড়া দিতে দেওয়া হবে না উল্লেখ করে তিনি বলেন:

“হাদি, আবরার ফাহাদ, আবু সাঈদ, তোমাদেরকে এবং তোমাদের সঙ্গীদেরকে আমরা কথা দিয়ে যাচ্ছি—তোমাদের স্বপ্ন বাস্তবায়নে আমরা লড়ে যাব এবং দুনিয়ার জমিনে তোমাদের বিচার নিশ্চিত করে যাব, ইনশাআল্লাহ।”

‎জাতীয় ঐক্য ও বিচার নিশ্চিতকরণের তাগিদ

‎তিনি আরও বলেন, বিগত দিনে সংঘটিত সকল রাজনৈতিক নিপীড়ন, গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের স্বচ্ছ বিচার নিশ্চিত করতে হবে। বিচারহীনতার সংস্কৃতির অবসান না ঘটলে রাষ্ট্র ও সমাজে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব নয়। তাই শহীদ পরিবারের কান্না ও চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের স্পৃহাকে ধারণ করে দলমত নির্বিশেষে সকলকে একটি শক্তিশালী জাতীয় ঐক্যের মাধ্যমে কাঙ্ক্ষিত রাষ্ট্র গঠনে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।

  • রাজনৈতিক অঙ্গনে এই ঘোষণা ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে এবং সচেতন মহল মনে করছে, শহীদদের রক্তের সঠিক মূল্যায়ন ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার মাধ্যমেই কেবল একটি টেকসই গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ বিনির্মাণ সম্ভব।
ট্যাগসঃ

নিউজটি শেয়ার করুন

বিস্তারিত লিখুনঃ

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

‎”হাদি, আবরার ফাহাদ, আবু সাঈদ, তোমাদেরকে এবং তোমাদের সঙ্গীদেরকে আমরা কথা দিয়ে যাচ্ছি—তোমাদের স্বপ্ন বাস্তবায়নে আমরা লড়ে যাব এবং দুনিয়ার জমিনে তোমাদের বিচার নিশ্চিত করে যাব, ইনশাআল্লাহ।” ‎

আপডেট সময়ঃ ০১:৪৩:১১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬

‎হকবার্তা ডেস্ক:

‎২৯ জুলাই ২০২৬ 

‎শহীদদের স্বপ্ন বাস্তবায়ন ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় আমিরে জামায়াতের দ্ব্যর্থহীন ঘোষণা ;

‎ঢাকা: দেশের বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে প্রাণ উৎসর্গকারী শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা এবং তাদের রক্তের সঙ্গে বেইমানি না করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান।

‎ তিনি স্পষ্টভাবে ঘোষণা দিয়েছেন যে, শহীদ হাদি, আবরার ফাহাদ ও আবু সাঈদসহ ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে গিয়ে যারা শহীদ হয়েছেন, তাদের স্বপ্ন বাস্তবায়নে এ দেশের জনতা রাজপথে লড়ে যাবে এবং প্রতিটি হত্যার ন্যায়বিচার দুনিয়ার জমিনেই নিশ্চিত করা হবে, ইনশাআল্লাহ।

‎শহীদদের আত্মত্যাগের প্রতি সম্মান:

‎সাম্প্রতিক বিভিন্ন জনসভা ও জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্যে আমিরে জামায়াত বলেন, যাঁদের তাজা রক্ত ও ত্যাগের বিনিময়ে জাতি ফ্যাসিবাদী শাসন থেকে মুক্তি পেয়েছে, জাতি চিরদিন তাদের কাছে কৃতজ্ঞ থাকবে। শহীদ আবু সাঈদ বুক পেতে যেভাবে ফ্যাসিবাদের বুলেট লুফে নিয়েছিলেন এবং আবরার ফাহাদ কিংবা হাদিরা যেভাবে অন্যায়ের প্রতিবাদ করে নিজেদের জীবন বিলিয়ে দিয়েছেন—তাঁদের সেই আত্মত্যাগ এ দেশের ইতিহাসে সোনালী অক্ষরে লেখা থাকবে। এই শহীদরা কেবল ব্যক্তি নন, তাঁরা একেকটি চেতনার প্রতীক।

‎প্রতিশ্রুতি ও রাজনৈতিক অঙ্গীকার :

‎বক্তব্যে ডা. শফিকুর রহমান দলীয় নেতাকর্মী ও দেশবাসীর উদ্দেশ্যে বলেন, শহীদদের আত্মত্যাগের মূল লক্ষ্য ছিল একটি বৈষম্যহীন, শোষণমুক্ত, দুর্নীতিমুক্ত এবং মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তোলা। পুরনো পচা ব্যবস্থা কিংবা কোনো ধরনের ফ্যাসিবাদী সংস্কৃতিকে এ দেশে আর মাথাচাড়া দিতে দেওয়া হবে না উল্লেখ করে তিনি বলেন:

“হাদি, আবরার ফাহাদ, আবু সাঈদ, তোমাদেরকে এবং তোমাদের সঙ্গীদেরকে আমরা কথা দিয়ে যাচ্ছি—তোমাদের স্বপ্ন বাস্তবায়নে আমরা লড়ে যাব এবং দুনিয়ার জমিনে তোমাদের বিচার নিশ্চিত করে যাব, ইনশাআল্লাহ।”

‎জাতীয় ঐক্য ও বিচার নিশ্চিতকরণের তাগিদ

‎তিনি আরও বলেন, বিগত দিনে সংঘটিত সকল রাজনৈতিক নিপীড়ন, গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের স্বচ্ছ বিচার নিশ্চিত করতে হবে। বিচারহীনতার সংস্কৃতির অবসান না ঘটলে রাষ্ট্র ও সমাজে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব নয়। তাই শহীদ পরিবারের কান্না ও চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের স্পৃহাকে ধারণ করে দলমত নির্বিশেষে সকলকে একটি শক্তিশালী জাতীয় ঐক্যের মাধ্যমে কাঙ্ক্ষিত রাষ্ট্র গঠনে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।

  • রাজনৈতিক অঙ্গনে এই ঘোষণা ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে এবং সচেতন মহল মনে করছে, শহীদদের রক্তের সঠিক মূল্যায়ন ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার মাধ্যমেই কেবল একটি টেকসই গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ বিনির্মাণ সম্ভব।