যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা পেতে বাংলাদেশিদের সর্বোচ্চ ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত জামানত দিতে হবে
- আপডেট সময়ঃ ০৩:১৮:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ জানুয়ারী ২০২৬
- / ৭৬ বার পড়া হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা বন্ড তালিকায় এবার উঠলো বাংলাদেশের নামও। অর্থাৎ, এবার থেকে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে ব্যবসায়ী বা পর্যটক হিসাবে আবেদনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশিদেরকেও মোটা অংকের বাড়তি জামানত দিতে হবে।
যার পরিমাণ পাঁচ থেকে সর্বোচ্চ ১৫ হাজার ডলার নির্ধারণ করা হয়েছে।
ভিসা বন্ডের শর্তযুক্ত দেশগুলোর তালিকায় প্রথমে ছিল সাতটি দেশ। কিন্তু সাত দিন যেতে না যেতেই সেই তালিকা প্রায় চার গুণ বাড়িয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন, যাতে আছে বাংলাদেশের নামও।
গতকাল মঙ্গলবার, ছয়ই জানুয়ারি, মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর তালিকা আপডেট করেছে। বর্তমানে এই তালিকায় রয়েছে বাংলাদেশসহ বিশ্বের মোট ৩৮টি দেশ।
এই নতুন দেশগুলো ‘ভিসা বন্ড’ কার্যকর হওয়ার তারিখ প্রকাশ করেছে স্টেট ডিপার্টমেন্ট।
বাংলাদেশের ক্ষেত্রে এটি চালু হবে আগামী ২১শে জানুয়ারি থেকে। তবে যারা পর্যটক বা ব্যবসায়ী হিসাবে ভিসার আবেদন করবেন, তাদের ক্ষেত্রে এই নতুন নিয়ম প্রযোজ্য হবে।
বাংলাদেশিদের জন্য তিন নির্দিষ্ট বিমান বন্দর
ভিসা বন্ড জমা দিয়ে যারা যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা পাবেন, তাদের জন্য বিমানবন্দর নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছে।
বিমানবন্দর তিনটি হলো: বোস্টন লোগান ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট (বিওএস), জন এফ কেনেডি ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট (জেএফকে) ও ওয়াশিংটন ডুলস ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট (আইএডি)।
অর্থাৎ, যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের ক্ষেত্রে বাংলাদেশিদের জন্য এই তিন বিমান বন্দর বরাদ্দ এখন। এর বাইরে অন্য কোনও বিমানবন্দর দিয়ে তারা যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করতে বা সে দেশ থেকে বের হতে পারবে না।
এই নতুন নিয়মের ফলে বাংলাদেশি ভ্রমণকারীদের জন্য কিছুটা জটিলতা তৈরি হতে পারে। বিশেষ করে যারা যুক্তরাষ্ট্রে ব্যবসায়িক কাজ বা পর্যটন উদ্দেশ্যে যাতায়াত করেন, তাদেরকে এই শর্ত মেনে চলতে হবে।
এই ভিসা বন্ডের নিয়ম কার্যকর হওয়ার পর থেকে বাংলাদেশি আবেদনকারীদের জন্য ভিসা প্রক্রিয়াটি কিছুটা সময়সাপেক্ষ হতে পারে। তবে, এই নিয়মের মাধ্যমে ভিসা প্রাপ্তির ক্ষেত্রে আরও সতর্কতা অবলম্বন করা হবে বলে মনে করা হচ্ছে।
এছাড়া, এই ভিসা বন্ডের নিয়ম কার্যকর হওয়ার ফলে অনেক বাংলাদেশি ভ্রমণকারীকে তাদের ভ্রমণ পরিকল্পনা পুনর্বিবেচনা করতে হতে পারে। বিশেষ করে যারা প্রথমবার যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণ করতে যাচ্ছেন, তাদের জন্য এই নিয়ম কিছুটা চ্যালেঞ্জের সৃষ্টি করতে পারে। তবে, যারা নিয়ম মেনে চলবেন, তাদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণ সহজতর হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এদিকে, বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে এই বিষয়ে আলোচনা চলছে এবং তারা মার্কিন সরকারের সাথে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করতে পারে। আশা করা যায়, দুই দেশের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রেখে এই সমস্যার সমাধান করা সম্ভব হবে।
তথ্যসহায়তাঃবিবিসিনিউজবাংলা













