০৪:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬

২২ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পাসের হার: এইচএসসিতে পাসের হার ৫২.১২%

হকবার্তা ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময়ঃ ১১:০১:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬
  • / ২২ বার পড়া হয়েছে।

 

হকবার্তা ডেস্ক রিপোর্ট;

সুনামগঞ্জ ।। ০১ নভেম্বর ২০২৬

 

উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষায় টানা দ্বিতীয় বছরের মতো পাসের হারে বড় ধরনের পতন ঘটেছে। চলতি বছর সারা দেশে গড় পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৫২ দশমিক ১২ শতাংশ, যা গত ২২ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। গত বছরের তুলনায় এবার পাসের হার কমেছে ৬ দশমিক ৭৯ শতাংশ। এর আগে সর্বশেষ ২০০৪ সালে পাসের হার ছিল ৪৭ দশমিক ৭৩ শতাংশ।

 

 

শনিবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়। ফলাফল ঘোষণা করেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিনসহ বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

 

ফলাফলের মূল পরিসংখ্যান এক নজরে;

•মোট পরীক্ষার্থী: ১২ লাখ ৪০ হাজার ৭৯৮ জন

•কৃতকার্য শিক্ষার্থী: ৬ লাখ ৪৬ হাজার ৬৮৫ জন

•অকৃতকার্য (ফেল) শিক্ষার্থী: ৫ লাখ ৯৪ হাজার ১১৩ জন

•পাসের হার: ৫২.১২% (গত বছর ছিল ৫৮.৮৩%)

•জিপিএ-৫ প্রাপ্তি: ৪০ হাজার ০৮৪ জন (গত বছর ছিল ৬৯,০৯৭ জন)

•শূন্য পাসের প্রতিষ্ঠান: ২৯৩টি (গত বছর ছিল ২০২টি)

•শতভাগ পাস করা প্রতিষ্ঠান: ১৩৯টি (গত বছর ছিল ৩৪৫টি)

 

ইংরেজি ও আইসিটিতেই যত বিপর্যয়;

এবারের ফল বিপর্যয়ের পেছনে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রেখেছে ইংরেজি এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিষয় দুটি। চলতি বছর পরীক্ষায় অংশ নেওয়া প্রায় ৬ লাখ শিক্ষার্থী ফেল করেছেন। এর মধ্যে কেবল এই দুই বিষয়েই ফেল করেছেন ৩ লাখ ৮২ হাজার ২১ জন।

•ইংরেজিতে ফেল: ২ লাখ ৪৩ হাজার ৫২৮ জন।

•আইসিটিতে ফেল: ১ লাখ ৩৮ হাজার ৪৯৩ জন।

 

বোর্ডভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, ঢাকা বোর্ডে ইংরেজিতে পাসের হার ৭৩ দশমিক ৬২ শতাংশ হলেও বাকি বোর্ডগুলোতে পাসের হার অর্ধেকের ঘরে নেমে এসেছে। অন্যদিকে, আইসিটিতে ঢাকা বোর্ডে সর্বোচ্চ ৭৬ দশমিক ১৯ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করলেও অধিকাংশ বোর্ডে পাসের হার ৬০ থেকে ৭০ শতাংশের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল।

 

বোর্ডভিত্তিক পাসের হার;

সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোর মধ্যে পাসের হারে শীর্ষে রয়েছে ঢাকা বোর্ড (৬১.৩৮%)। অন্যদিকে সবচেয়ে কম পাসের হার বরিশাল বোর্ডে (৪৪.৮৪%)।

 

অন্যান্য বোর্ডের চিত্র নিচে দেওয়া হলো:

•মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড: ৬১.০৭ শতাংশ

•চট্টগ্রাম বোর্ড: ৫২.০৭ শতাংশ

•ময়মনসিংহ বোর্ড: ৫১.৪৪০ শতাংশ

•সিলেট বোর্ড: ৫০.৯০ শতাংশ

•কারিগরি শিক্ষা বোর্ড: ৪৯.৪৩ শতাংশ

•কুমিল্লা বোর্ড: ৪৭.৯৮ শতাংশ

•দিনাজপুর বোর্ড: ৪৫.৯৮ শতাংশ

•রাজশাহী বোর্ড: ৪৫.০৬ শতাংশ

•যশোর বোর্ড: ৪৪.৯২ শতাংশ

এ ছাড়া বিদেশের ৮টি কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত পরীক্ষায় ২৩০ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ২০৯ জন পাস করেছেন; সেখানে পাসের হার ৯০ দশমিক ৮৭ শতাংশ।

 

ছাত্রীরা পাসের হারে এগিয়ে, ছাত্ররা জিপিএ-৫ এ;

এবারের ফলাফলে পাসের হারের দিক থেকে ছাত্রদের তুলনায় এগিয়ে রয়েছেন ছাত্রীরা। ১১টি শিক্ষা বোর্ডে ছাত্রীদের পাসের হার ৫৬ দশমিক ৩১ শতাংশ, যেখানে ছাত্রদের পাসের হার ৪৭ দশমিক ৭৫ শতাংশ। তবে জিপিএ-৫ অর্জনের ক্ষেত্রে ছাত্ররা কিছুটা এগিয়ে রয়েছেন; ২০ হাজার ৩৬৩ জন ছাত্র এবং ১৯ হাজার ৭২১ জন ছাত্রী জিপিএ-৫ পেয়েছেন।

 

১ বা ২ বিষয়ে ফেল করা শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ সুযোগ;

চলতি বছর এক বা দুই বিষয়ে অকৃতকার্য হয়েছেন ৪ লাখ ২২ হাজার ৯০৫ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে এক বিষয়ে ফেল করেছেন ২ লাখ ৯৮ হাজার ৪০ জন এবং দুই বিষয়ে ফেল করেছেন ১ লাখ ২৪ হাজার ৮৬৫ জন। এসব শিক্ষার্থীর শিক্ষাজীবন থেকে একটি বছর মূল্যবান সময় বাঁচাতে এক মাসের মধ্যে পুনরায় পরীক্ষার আয়োজন করার পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

পাশাপাশি, আগামী ১ থেকে ৭ই নভেম্বর পর্যন্ত খাতা পুনর্নিরীক্ষার আবেদন করার সুযোগ রাখা হয়েছে।

 

শিক্ষামন্ত্রীর উদ্বেগ ও সরকারের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা;

ফলাফল প্রকাশ অনুষ্ঠানে পাসের হারের এমন পতনে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, “ফলাফলের এমন পতন বা বিপর্যয় কখনোই প্রশংসনীয় হতে পারে না। শিক্ষার্থীদের শিখন অর্জন, পাঠদান পদ্ধতি, অভিভাবকদের ভূমিকা ও শিক্ষার পরিবেশে নানা ঘাটতি রয়েছে। এসব ঘাটতি দূর করতে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।”

 

তিনি আরও জানান, উত্তরপত্র মূল্যায়নে কোনো ত্রুটি বা অসঙ্গতি রয়েছে কি না তা পুনর্নিরীক্ষার পর স্পষ্ট হবে। মূল্যায়নে বড় ধরনের গরমিল পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট পরীক্ষকদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং পরীক্ষকদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে। এছাড়া শিক্ষক সংকটের বিষয়টি উল্লেখ করে তিনি জানান, সংকট নিরসনে সরকার কাজ করে যাচ্ছে।

 

সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহ্‌দী আমিন বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় এবার এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়নে শতভাগ নির্মোহ দৃষ্টিভঙ্গি নিশ্চিত করা হয়েছে। অতীতে পাসের হার ও জিপিএ-৫ কৃত্রিমভাবে বাড়িয়ে দেখানোর প্রবণতা থেকে বেরিয়ে এসে মেধার সঠিক মূল্যায়নে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।”

ট্যাগসঃ

নিউজটি শেয়ার করুন

বিস্তারিত লিখুনঃ

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

২২ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পাসের হার: এইচএসসিতে পাসের হার ৫২.১২%

আপডেট সময়ঃ ১১:০১:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬

 

হকবার্তা ডেস্ক রিপোর্ট;

সুনামগঞ্জ ।। ০১ নভেম্বর ২০২৬

 

উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষায় টানা দ্বিতীয় বছরের মতো পাসের হারে বড় ধরনের পতন ঘটেছে। চলতি বছর সারা দেশে গড় পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৫২ দশমিক ১২ শতাংশ, যা গত ২২ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। গত বছরের তুলনায় এবার পাসের হার কমেছে ৬ দশমিক ৭৯ শতাংশ। এর আগে সর্বশেষ ২০০৪ সালে পাসের হার ছিল ৪৭ দশমিক ৭৩ শতাংশ।

 

 

শনিবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়। ফলাফল ঘোষণা করেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিনসহ বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

 

ফলাফলের মূল পরিসংখ্যান এক নজরে;

•মোট পরীক্ষার্থী: ১২ লাখ ৪০ হাজার ৭৯৮ জন

•কৃতকার্য শিক্ষার্থী: ৬ লাখ ৪৬ হাজার ৬৮৫ জন

•অকৃতকার্য (ফেল) শিক্ষার্থী: ৫ লাখ ৯৪ হাজার ১১৩ জন

•পাসের হার: ৫২.১২% (গত বছর ছিল ৫৮.৮৩%)

•জিপিএ-৫ প্রাপ্তি: ৪০ হাজার ০৮৪ জন (গত বছর ছিল ৬৯,০৯৭ জন)

•শূন্য পাসের প্রতিষ্ঠান: ২৯৩টি (গত বছর ছিল ২০২টি)

•শতভাগ পাস করা প্রতিষ্ঠান: ১৩৯টি (গত বছর ছিল ৩৪৫টি)

 

ইংরেজি ও আইসিটিতেই যত বিপর্যয়;

এবারের ফল বিপর্যয়ের পেছনে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রেখেছে ইংরেজি এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিষয় দুটি। চলতি বছর পরীক্ষায় অংশ নেওয়া প্রায় ৬ লাখ শিক্ষার্থী ফেল করেছেন। এর মধ্যে কেবল এই দুই বিষয়েই ফেল করেছেন ৩ লাখ ৮২ হাজার ২১ জন।

•ইংরেজিতে ফেল: ২ লাখ ৪৩ হাজার ৫২৮ জন।

•আইসিটিতে ফেল: ১ লাখ ৩৮ হাজার ৪৯৩ জন।

 

বোর্ডভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, ঢাকা বোর্ডে ইংরেজিতে পাসের হার ৭৩ দশমিক ৬২ শতাংশ হলেও বাকি বোর্ডগুলোতে পাসের হার অর্ধেকের ঘরে নেমে এসেছে। অন্যদিকে, আইসিটিতে ঢাকা বোর্ডে সর্বোচ্চ ৭৬ দশমিক ১৯ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করলেও অধিকাংশ বোর্ডে পাসের হার ৬০ থেকে ৭০ শতাংশের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল।

 

বোর্ডভিত্তিক পাসের হার;

সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোর মধ্যে পাসের হারে শীর্ষে রয়েছে ঢাকা বোর্ড (৬১.৩৮%)। অন্যদিকে সবচেয়ে কম পাসের হার বরিশাল বোর্ডে (৪৪.৮৪%)।

 

অন্যান্য বোর্ডের চিত্র নিচে দেওয়া হলো:

•মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড: ৬১.০৭ শতাংশ

•চট্টগ্রাম বোর্ড: ৫২.০৭ শতাংশ

•ময়মনসিংহ বোর্ড: ৫১.৪৪০ শতাংশ

•সিলেট বোর্ড: ৫০.৯০ শতাংশ

•কারিগরি শিক্ষা বোর্ড: ৪৯.৪৩ শতাংশ

•কুমিল্লা বোর্ড: ৪৭.৯৮ শতাংশ

•দিনাজপুর বোর্ড: ৪৫.৯৮ শতাংশ

•রাজশাহী বোর্ড: ৪৫.০৬ শতাংশ

•যশোর বোর্ড: ৪৪.৯২ শতাংশ

এ ছাড়া বিদেশের ৮টি কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত পরীক্ষায় ২৩০ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ২০৯ জন পাস করেছেন; সেখানে পাসের হার ৯০ দশমিক ৮৭ শতাংশ।

 

ছাত্রীরা পাসের হারে এগিয়ে, ছাত্ররা জিপিএ-৫ এ;

এবারের ফলাফলে পাসের হারের দিক থেকে ছাত্রদের তুলনায় এগিয়ে রয়েছেন ছাত্রীরা। ১১টি শিক্ষা বোর্ডে ছাত্রীদের পাসের হার ৫৬ দশমিক ৩১ শতাংশ, যেখানে ছাত্রদের পাসের হার ৪৭ দশমিক ৭৫ শতাংশ। তবে জিপিএ-৫ অর্জনের ক্ষেত্রে ছাত্ররা কিছুটা এগিয়ে রয়েছেন; ২০ হাজার ৩৬৩ জন ছাত্র এবং ১৯ হাজার ৭২১ জন ছাত্রী জিপিএ-৫ পেয়েছেন।

 

১ বা ২ বিষয়ে ফেল করা শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ সুযোগ;

চলতি বছর এক বা দুই বিষয়ে অকৃতকার্য হয়েছেন ৪ লাখ ২২ হাজার ৯০৫ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে এক বিষয়ে ফেল করেছেন ২ লাখ ৯৮ হাজার ৪০ জন এবং দুই বিষয়ে ফেল করেছেন ১ লাখ ২৪ হাজার ৮৬৫ জন। এসব শিক্ষার্থীর শিক্ষাজীবন থেকে একটি বছর মূল্যবান সময় বাঁচাতে এক মাসের মধ্যে পুনরায় পরীক্ষার আয়োজন করার পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

পাশাপাশি, আগামী ১ থেকে ৭ই নভেম্বর পর্যন্ত খাতা পুনর্নিরীক্ষার আবেদন করার সুযোগ রাখা হয়েছে।

 

শিক্ষামন্ত্রীর উদ্বেগ ও সরকারের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা;

ফলাফল প্রকাশ অনুষ্ঠানে পাসের হারের এমন পতনে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, “ফলাফলের এমন পতন বা বিপর্যয় কখনোই প্রশংসনীয় হতে পারে না। শিক্ষার্থীদের শিখন অর্জন, পাঠদান পদ্ধতি, অভিভাবকদের ভূমিকা ও শিক্ষার পরিবেশে নানা ঘাটতি রয়েছে। এসব ঘাটতি দূর করতে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।”

 

তিনি আরও জানান, উত্তরপত্র মূল্যায়নে কোনো ত্রুটি বা অসঙ্গতি রয়েছে কি না তা পুনর্নিরীক্ষার পর স্পষ্ট হবে। মূল্যায়নে বড় ধরনের গরমিল পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট পরীক্ষকদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং পরীক্ষকদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে। এছাড়া শিক্ষক সংকটের বিষয়টি উল্লেখ করে তিনি জানান, সংকট নিরসনে সরকার কাজ করে যাচ্ছে।

 

সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহ্‌দী আমিন বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় এবার এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়নে শতভাগ নির্মোহ দৃষ্টিভঙ্গি নিশ্চিত করা হয়েছে। অতীতে পাসের হার ও জিপিএ-৫ কৃত্রিমভাবে বাড়িয়ে দেখানোর প্রবণতা থেকে বেরিয়ে এসে মেধার সঠিক মূল্যায়নে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।”