০২:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ মে ২০২৬
‎ঈদের খুশিতে বৃষ্টির বাগড়াঃ

বজ্রপাত ও শিলাবৃষ্টির পূর্বাভাসের পর ধেয়ে আসছে তাপপ্রবাহ

হক বার্তা ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময়ঃ ০১:৪৭:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬
  • / ৫০ বার পড়া হয়েছে।

‎আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতরের আনন্দ উদযাপনে ভিন্ন মাত্রা যোগ করতে পারে প্রকৃতি। আবহাওয়া অধিদপ্তরের সর্বশেষ পূর্বাভাস অনুযায়ী, ঈদের দিনসহ এর পরবর্তী কয়েকদিন দেশের বড় একটি অংশে অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া, বজ্রপাত এবং ঝোড়ো বৃষ্টির প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। তবে বৃষ্টির এই শীতল আমেজ খুব বেশিদিন স্থায়ী হবে না।

‎আবহাওয়া অফিস সতর্ক করেছে যে, বৃষ্টির দাপট কমলেই সারা দেশে তাপমাত্রা দ্রুত বৃদ্ধি পেতে শুরু করবে, যা জনজীবনে গরমের তীব্রতা বাড়িয়ে দিতে পারে।

 

‎পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী শনিবার অর্থাৎ ঈদের দিনটি দেশজুড়ে বৃষ্টিময় কাটার সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় বৃষ্টির তীব্রতা বেশি থাকতে পারে। এছাড়া ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের দু-এক জায়গায় দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।

কোথাও কোথাও বৃষ্টির সাথে শিলাবৃষ্টির আশঙ্কাও রয়েছে, যা ঈদের সকালে ঈদগাহে যাওয়ার প্রস্তুতিতে কিছুটা বিঘ্ন ঘটাতে পারে।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার যে চিত্র পাওয়া গেছে, তাতে দেখা যাচ্ছে দেশের উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বৃষ্টির প্রভাব বেশি থাকবে।

বৃষ্টির কারণে দিনের তাপমাত্রা কিছুটা সহনীয় পর্যায়ে থাকলেও রাতের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। শুক্র ও শনিবারও প্রায় একই ধরনের আবহাওয়া বিরাজ করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ফলে ঈদের কেনাকাটা ও ভ্রমণের শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতিতে বৃষ্টির কথা মাথায় রাখা জরুরি।

 

‎তবে এই বৃষ্টির রেশ কাটতে শুরু করবে আগামী রবিবার থেকে। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, সপ্তাহের শুরু থেকেই বৃষ্টির প্রবণতা কমে আসবে এবং আকাশ আংশিক মেঘলাসহ আবহাওয়া মূলত শুষ্ক হয়ে যাবে। বৃষ্টির বিদায়ের সাথে সাথেই বায়ুমণ্ডলে আর্দ্রতা ও সূর্যের তাপের মিশেলে অস্বস্তিকর গরম বাড়তে শুরু করবে।

 

‎পরবর্তী পাঁচ দিনের বর্ধিত পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, দেশজুড়ে তাপমাত্রার পারদ ক্রমশ ঊর্ধ্বমুখী হবে। ফলে ঈদের ছুটির শেষ ভাগে চৈত্র-বৈশাখের চিরচেনা তপ্ত গরমের মুখোমুখি হতে হবে দেশবাসীকে। এক কথায়, ঈদের আনন্দ শুরু হতে যাচ্ছে বৃষ্টির শীতলতায়, আর শেষ হতে পারে তীব্র দাবদাহের মধ্য দিয়ে।

 

ট্যাগসঃ

নিউজটি শেয়ার করুন

বিস্তারিত লিখুনঃ

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

‎ঈদের খুশিতে বৃষ্টির বাগড়াঃ

বজ্রপাত ও শিলাবৃষ্টির পূর্বাভাসের পর ধেয়ে আসছে তাপপ্রবাহ

আপডেট সময়ঃ ০১:৪৭:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬

‎আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতরের আনন্দ উদযাপনে ভিন্ন মাত্রা যোগ করতে পারে প্রকৃতি। আবহাওয়া অধিদপ্তরের সর্বশেষ পূর্বাভাস অনুযায়ী, ঈদের দিনসহ এর পরবর্তী কয়েকদিন দেশের বড় একটি অংশে অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া, বজ্রপাত এবং ঝোড়ো বৃষ্টির প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। তবে বৃষ্টির এই শীতল আমেজ খুব বেশিদিন স্থায়ী হবে না।

‎আবহাওয়া অফিস সতর্ক করেছে যে, বৃষ্টির দাপট কমলেই সারা দেশে তাপমাত্রা দ্রুত বৃদ্ধি পেতে শুরু করবে, যা জনজীবনে গরমের তীব্রতা বাড়িয়ে দিতে পারে।

 

‎পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী শনিবার অর্থাৎ ঈদের দিনটি দেশজুড়ে বৃষ্টিময় কাটার সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় বৃষ্টির তীব্রতা বেশি থাকতে পারে। এছাড়া ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের দু-এক জায়গায় দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।

কোথাও কোথাও বৃষ্টির সাথে শিলাবৃষ্টির আশঙ্কাও রয়েছে, যা ঈদের সকালে ঈদগাহে যাওয়ার প্রস্তুতিতে কিছুটা বিঘ্ন ঘটাতে পারে।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার যে চিত্র পাওয়া গেছে, তাতে দেখা যাচ্ছে দেশের উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বৃষ্টির প্রভাব বেশি থাকবে।

বৃষ্টির কারণে দিনের তাপমাত্রা কিছুটা সহনীয় পর্যায়ে থাকলেও রাতের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। শুক্র ও শনিবারও প্রায় একই ধরনের আবহাওয়া বিরাজ করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ফলে ঈদের কেনাকাটা ও ভ্রমণের শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতিতে বৃষ্টির কথা মাথায় রাখা জরুরি।

 

‎তবে এই বৃষ্টির রেশ কাটতে শুরু করবে আগামী রবিবার থেকে। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, সপ্তাহের শুরু থেকেই বৃষ্টির প্রবণতা কমে আসবে এবং আকাশ আংশিক মেঘলাসহ আবহাওয়া মূলত শুষ্ক হয়ে যাবে। বৃষ্টির বিদায়ের সাথে সাথেই বায়ুমণ্ডলে আর্দ্রতা ও সূর্যের তাপের মিশেলে অস্বস্তিকর গরম বাড়তে শুরু করবে।

 

‎পরবর্তী পাঁচ দিনের বর্ধিত পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, দেশজুড়ে তাপমাত্রার পারদ ক্রমশ ঊর্ধ্বমুখী হবে। ফলে ঈদের ছুটির শেষ ভাগে চৈত্র-বৈশাখের চিরচেনা তপ্ত গরমের মুখোমুখি হতে হবে দেশবাসীকে। এক কথায়, ঈদের আনন্দ শুরু হতে যাচ্ছে বৃষ্টির শীতলতায়, আর শেষ হতে পারে তীব্র দাবদাহের মধ্য দিয়ে।