০৩:১৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬

বাংলাদেশ বৈশ্বিক পোশাক রফতানিতে দ্বিতীয় স্থান হারাতে পারে

স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট সময়ঃ ১২:০৫:৩৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ জুলাই ২০২৬
  • / ২৩ বার পড়া হয়েছে।

বাংলাদেশ বৈশ্বিক পোশাক রফতানিতে দ্বিতীয় স্থান হারাতে পারে
হক বার্তা ডেস্ক ০৩জুলাই ২০২৬

বৈশ্বিক পোশাক রফতানিতে দ্বিতীয় স্থান হারাতে পারে বাংলাদেশ— বণিক বার্তার প্রধান শিরোনাম এটি।
এই খবরে বলা হয়েছে, বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) ওয়ার্ল্ড ট্রেড স্ট্যাটিস্টিকস ২০২৫ অনুযায়ী, ২০২৪ সালে বৈশ্বিক পোশাক রফতানিতে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল দ্বিতীয়।
ওই বছর বাংলাদেশের পোশাক রফতানি ছিল প্রায় ৩৯ বিলিয়ন ডলার, যেখানে তৃতীয় অবস্থানে থাকা ভিয়েতনামের রফতানি ছিল ৩৮ বিলিয়ন ডলার।
কিন্তু এরপর থেকে রফতানির এ চিত্র বদলাতে শুরু করেছে।
সদ্যসমাপ্ত ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রফতানি কমে দাঁড়িয়েছে ৩৮ দশমিক ৭০ বিলিয়ন ডলারে।
বিজ্ঞাপন

অন্যদিকে, ভিয়েতনাম টেক্সটাইল অ্যান্ড অ্যাপারেল অ্যাসোসিয়েশনের (ভিআইটিএএস) তথ্য অনুযায়ী, দেশটির পোশাক ও টেক্সটাইল রফতানি এরই মধ্যে ৪৪ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে এবং চলতি বছরে ৪৭ থেকে ৪৮ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছানোর লক্ষ্য রয়েছে দেশটির।
একই সময়ে ভারত, কম্বোডিয়া, ইন্দোনেশিয়া ও পাকিস্তানও বৈশ্বিক বাজারে নিজেদের অবস্থান শক্তিশালী করছে। ফলে বৈশ্বিক পোশাক রফতানিতে বাংলাদেশের দ্বিতীয় অবস্থান ধরে রাখা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে খাত সংশ্লিষ্টদের মধ্যে।

সমকালের প্রধান শিরোনাম— দুই বছরে পাঁচ শতাধিক শিল্পকারখানা বন্ধ।
এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত দুই বছরে পাঁচ শতাধিক শিল্পকারখানা স্থায়ীভাবে বন্ধ হয়ে গেছে।
এই হিসাব শিল্প পুলিশ ও উদ্যোক্তা সংগঠনগুলোর।
কারখানাগুলো বন্ধ হয়ে যাওয়ার প্রধান কারণ গ্যাস-বিদ্যুতের অভাব এবং সে কারণে উৎপাদন সক্ষমতা কমে আসা।
এমন পরিস্থিতিতে আরও অনেক কারখানা বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে।
উদ্যোক্তা ও শ্রমিক নেতারা বলছেন, কারখানা বন্ধের কারণে বহু শ্রমিক কাজ হারিয়েছেন। শুধু পোশাক খাতেই কাজ হারিয়েছেন দেড় লাখ শ্রমিক।
শিল্পকারখানা বন্ধ হওয়ার প্রভাবে রপ্তানি আয়ও কমছে।
সদ্যসমাপ্ত ২০২৫-২৬ অর্থবছরে পণ্য রপ্তানি আগের অর্থছরের চেয়ে ১ শতাংশের মতো কমেছে। আর রপ্তানি আয় কমেছে আগের বছরের তুলনায় ১ দশমিক ৬৪ শতাংশ। পাশাপাশি এই সময়ে নতুন রপ্তানি আদেশ কমেছে।
পরিসংখ্যান ব্যুরোর হালনাগাদ উপাত্ত বলছে, গত অর্থবছরে মোট দেশজ উৎপাদনে শিল্প খাতের প্রবৃদ্ধি মাত্র ২ দশমিক ৮৬ শতাংশে নেমে এসেছে।

নেতিবাচক ধারা থেকে বের হতে পারেনি রপ্তানি খাত— ইত্তেফাকের প্রধান সংবাদ এটি।
এই খবরে বলা হয়েছে, বিদায়ী ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশের পণ্য রপ্তানি ৪৮ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। আগের অর্থবছরের যা ছিল ৪৮.২৮ বিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ দশমিক ৫৮ শতাংশ রপ্তানি কমেছে।
অর্থবছরের ১২ মাসের মধ্যে মাত্র দুই মাস রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি দেখা গেলেও বাকি ১০ মাসই নেতিবাচক ধারা থাকায় বছর শেষে সামগ্রিক রপ্তানি ইতিবাচক প্রবৃদ্ধিতে ফিরতে পারেনি।
বিশেষ করে, দেশের প্রধান রপ্তানি খাত তৈরি পোশাকের রপ্তানি কমে যাওয়াই সামগ্রিক চিত্রকে প্রভাবিত করেছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) প্রকাশিত হালনাগাদ পরিসংখ্যানে এসব তথ্য উঠে এসেছে।

ট্যাগসঃ

নিউজটি শেয়ার করুন

বিস্তারিত লিখুনঃ

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

বাংলাদেশ বৈশ্বিক পোশাক রফতানিতে দ্বিতীয় স্থান হারাতে পারে

আপডেট সময়ঃ ১২:০৫:৩৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ জুলাই ২০২৬

বাংলাদেশ বৈশ্বিক পোশাক রফতানিতে দ্বিতীয় স্থান হারাতে পারে
হক বার্তা ডেস্ক ০৩জুলাই ২০২৬

বৈশ্বিক পোশাক রফতানিতে দ্বিতীয় স্থান হারাতে পারে বাংলাদেশ— বণিক বার্তার প্রধান শিরোনাম এটি।
এই খবরে বলা হয়েছে, বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) ওয়ার্ল্ড ট্রেড স্ট্যাটিস্টিকস ২০২৫ অনুযায়ী, ২০২৪ সালে বৈশ্বিক পোশাক রফতানিতে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল দ্বিতীয়।
ওই বছর বাংলাদেশের পোশাক রফতানি ছিল প্রায় ৩৯ বিলিয়ন ডলার, যেখানে তৃতীয় অবস্থানে থাকা ভিয়েতনামের রফতানি ছিল ৩৮ বিলিয়ন ডলার।
কিন্তু এরপর থেকে রফতানির এ চিত্র বদলাতে শুরু করেছে।
সদ্যসমাপ্ত ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রফতানি কমে দাঁড়িয়েছে ৩৮ দশমিক ৭০ বিলিয়ন ডলারে।
বিজ্ঞাপন

অন্যদিকে, ভিয়েতনাম টেক্সটাইল অ্যান্ড অ্যাপারেল অ্যাসোসিয়েশনের (ভিআইটিএএস) তথ্য অনুযায়ী, দেশটির পোশাক ও টেক্সটাইল রফতানি এরই মধ্যে ৪৪ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে এবং চলতি বছরে ৪৭ থেকে ৪৮ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছানোর লক্ষ্য রয়েছে দেশটির।
একই সময়ে ভারত, কম্বোডিয়া, ইন্দোনেশিয়া ও পাকিস্তানও বৈশ্বিক বাজারে নিজেদের অবস্থান শক্তিশালী করছে। ফলে বৈশ্বিক পোশাক রফতানিতে বাংলাদেশের দ্বিতীয় অবস্থান ধরে রাখা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে খাত সংশ্লিষ্টদের মধ্যে।

সমকালের প্রধান শিরোনাম— দুই বছরে পাঁচ শতাধিক শিল্পকারখানা বন্ধ।
এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত দুই বছরে পাঁচ শতাধিক শিল্পকারখানা স্থায়ীভাবে বন্ধ হয়ে গেছে।
এই হিসাব শিল্প পুলিশ ও উদ্যোক্তা সংগঠনগুলোর।
কারখানাগুলো বন্ধ হয়ে যাওয়ার প্রধান কারণ গ্যাস-বিদ্যুতের অভাব এবং সে কারণে উৎপাদন সক্ষমতা কমে আসা।
এমন পরিস্থিতিতে আরও অনেক কারখানা বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে।
উদ্যোক্তা ও শ্রমিক নেতারা বলছেন, কারখানা বন্ধের কারণে বহু শ্রমিক কাজ হারিয়েছেন। শুধু পোশাক খাতেই কাজ হারিয়েছেন দেড় লাখ শ্রমিক।
শিল্পকারখানা বন্ধ হওয়ার প্রভাবে রপ্তানি আয়ও কমছে।
সদ্যসমাপ্ত ২০২৫-২৬ অর্থবছরে পণ্য রপ্তানি আগের অর্থছরের চেয়ে ১ শতাংশের মতো কমেছে। আর রপ্তানি আয় কমেছে আগের বছরের তুলনায় ১ দশমিক ৬৪ শতাংশ। পাশাপাশি এই সময়ে নতুন রপ্তানি আদেশ কমেছে।
পরিসংখ্যান ব্যুরোর হালনাগাদ উপাত্ত বলছে, গত অর্থবছরে মোট দেশজ উৎপাদনে শিল্প খাতের প্রবৃদ্ধি মাত্র ২ দশমিক ৮৬ শতাংশে নেমে এসেছে।

নেতিবাচক ধারা থেকে বের হতে পারেনি রপ্তানি খাত— ইত্তেফাকের প্রধান সংবাদ এটি।
এই খবরে বলা হয়েছে, বিদায়ী ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশের পণ্য রপ্তানি ৪৮ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। আগের অর্থবছরের যা ছিল ৪৮.২৮ বিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ দশমিক ৫৮ শতাংশ রপ্তানি কমেছে।
অর্থবছরের ১২ মাসের মধ্যে মাত্র দুই মাস রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি দেখা গেলেও বাকি ১০ মাসই নেতিবাচক ধারা থাকায় বছর শেষে সামগ্রিক রপ্তানি ইতিবাচক প্রবৃদ্ধিতে ফিরতে পারেনি।
বিশেষ করে, দেশের প্রধান রপ্তানি খাত তৈরি পোশাকের রপ্তানি কমে যাওয়াই সামগ্রিক চিত্রকে প্রভাবিত করেছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) প্রকাশিত হালনাগাদ পরিসংখ্যানে এসব তথ্য উঠে এসেছে।