০২:৫২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬

“দেশের বারোটা বাজবে, আমরা চুপ থাকবো না”—জামায়াত আমিরের কড়া হুঁশিয়ারি

হকবার্তা ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময়ঃ ০৩:২৫:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ অগাস্ট ২০২৬
  • / ১৩ বার পড়া হয়েছে।

‎হকবার্তা ডেস্ক রিপোর্ট;

‎০৫ আগস্ট ২০২৬

‎জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষে গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যায় নিহত শহীদদের স্মরণ এবং তাদের দাবিসমূহ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আয়োজিত এক সভায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির কঠোর বক্তব্য দিয়েছেন।

‎সভায় তিনি বলেন, “দেশের বারোটা বাজবে আর আমরা আঙুল চুষবো—এটা হবে না।” তাঁর ভাষ্যমতে, দেশের জনগণ যে প্রত্যাশা ও ত্যাগের মধ্য দিয়ে পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করেছে, তা উপেক্ষা করে কোনো পক্ষের একতরফা সিদ্ধান্ত বা গড়িমসি গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।

‎জামায়াত আমিরের দাবি, জুলাইয়ের আন্দোলন ও গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের আত্মত্যাগের মূল লক্ষ্য ছিল জনগণের রায়ের প্রতিফলন, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং একটি জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তোলা। তিনি বলেন, শহীদদের স্বপ্ন বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

‎তিনি আরও বলেন, জনগণের প্রত্যাশা পূরণে বিলম্ব হলে কিংবা গণরায় বাস্তবায়নের পথে বাধা সৃষ্টি করা হলে দেশের মানুষ তা মেনে নেবে না। প্রয়োজনে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে গণতান্ত্রিক কর্মসূচির মাধ্যমে দাবি আদায়ের পথে এগিয়ে যাওয়া হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

‎সভায় , জামায়াত আমির ও সংশ্লিষ্ট বক্তারা জুলাই গণহত্যার ঘটনায় দায়ীদের বিচারের দাবি পুনর্ব্যক্ত করেন এবং শহীদদের দেশপ্রেমে আত্মত্যাগের যথাযথ মূল্যায়ন ও গণরায় বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান।

ট্যাগসঃ

নিউজটি শেয়ার করুন

বিস্তারিত লিখুনঃ

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

“দেশের বারোটা বাজবে, আমরা চুপ থাকবো না”—জামায়াত আমিরের কড়া হুঁশিয়ারি

আপডেট সময়ঃ ০৩:২৫:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ অগাস্ট ২০২৬

‎হকবার্তা ডেস্ক রিপোর্ট;

‎০৫ আগস্ট ২০২৬

‎জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষে গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যায় নিহত শহীদদের স্মরণ এবং তাদের দাবিসমূহ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আয়োজিত এক সভায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির কঠোর বক্তব্য দিয়েছেন।

‎সভায় তিনি বলেন, “দেশের বারোটা বাজবে আর আমরা আঙুল চুষবো—এটা হবে না।” তাঁর ভাষ্যমতে, দেশের জনগণ যে প্রত্যাশা ও ত্যাগের মধ্য দিয়ে পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করেছে, তা উপেক্ষা করে কোনো পক্ষের একতরফা সিদ্ধান্ত বা গড়িমসি গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।

‎জামায়াত আমিরের দাবি, জুলাইয়ের আন্দোলন ও গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের আত্মত্যাগের মূল লক্ষ্য ছিল জনগণের রায়ের প্রতিফলন, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং একটি জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তোলা। তিনি বলেন, শহীদদের স্বপ্ন বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

‎তিনি আরও বলেন, জনগণের প্রত্যাশা পূরণে বিলম্ব হলে কিংবা গণরায় বাস্তবায়নের পথে বাধা সৃষ্টি করা হলে দেশের মানুষ তা মেনে নেবে না। প্রয়োজনে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে গণতান্ত্রিক কর্মসূচির মাধ্যমে দাবি আদায়ের পথে এগিয়ে যাওয়া হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

‎সভায় , জামায়াত আমির ও সংশ্লিষ্ট বক্তারা জুলাই গণহত্যার ঘটনায় দায়ীদের বিচারের দাবি পুনর্ব্যক্ত করেন এবং শহীদদের দেশপ্রেমে আত্মত্যাগের যথাযথ মূল্যায়ন ও গণরায় বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান।