০৪:০৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬

সারা দেশে তীব্র কালবৈশাখীর তাণ্ডবের আশঙ্কা: ৪টি জোনে ধেয়ে আসছে দুর্যোগ

হক বার্তা ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময়ঃ ০৩:২০:৩৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬
  • / ৩ বার পড়া হয়েছে।

‎সারা দেশে আজ দিনভর বড় ধরনের কালবৈশাখী ঝড় ও দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত দিয়ে একযোগে ৪টি শক্তিশালী ঝড়ের সিস্টেম বা বলয় প্রবেশ করছে বলে সতর্ক করেছেন কানাডার সাসকাচুয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের আবহাওয়া ও জলবায়ু গবেষক মোস্তফা কামাল পলাশ।

 

‎আজ এক ফেসবুক পোস্টে দেশের আবহাওয়া পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি জানান, “আজ সারাদিন একটা ফাডা-ফাডি হয়া যাবে পুরো দেশে।” তাঁর দেওয়া নিখুঁত তথ্য ও বিশ্লেষণ অনুযায়ী, দেশের ৪টি জোনে যেভাবে ঝড় আঘাত হানতে পারে, তা নিচে তুলে ধরা হলো:

১. উত্তর ও মধ্যাঞ্চলে ১ম ঝড়ের তাণ্ডব

‎প্রথম ঝড়ের সিস্টেমটি ইতিমধ্যে রংপুর বিভাগে প্রবেশ করতে শুরু করেছে। এটি ঠাকুরগাঁও, দিনাজপুর, রংপুর ও গাইবান্ধা জেলার ওপর দিয়ে তীব্র বেগে রাজশাহী বিভাগে প্রবেশ করবে এবং এর বেশিরভাগ জেলা অতিক্রম করবে। পরবর্তীতে এই ঝড় ময়মনসিংহ বিভাগের জামালপুর ও শেরপুর হয়ে ঢাকা বিভাগের টাঙ্গাইল, গাজীপুর, ঢাকা ও মানিকগঞ্জ জেলার ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়ার প্রবল আশঙ্কা রয়েছে।

২. সিলেট অঞ্চলে ২য় ঝড়ের আঘাত

‎দ্বিতীয় ঝড়ের বলয়টি ময়মনসিংহ বিভাগের ওপর দিয়ে সিলেট বিভাগে প্রবেশ করতে শুরু করেছে। এই ঝড়ের প্রভাবে সিলেট বিভাগের হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজার জেলায় ভারী ঝড়-বৃষ্টি ও ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে।

৩. দক্ষিণাঞ্চল ও উপকূলীয় এলাকায় ৩য় ঝড়

‎তৃতীয় ঝড়ের সিস্টেমটি ঢাকা বিভাগের ওপর দিয়ে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগে প্রবেশ করছে। এর মূল প্রভাব পড়বে বরিশাল, পটুয়াখালী, ভোলা এবং চট্টগ্রাম বিভাগের চাঁদপুর, লক্ষ্মীপুর, কুমিল্লা, নোয়াখালী ও ফেনী জেলার ওপর দিয়ে।

৪. পার্বত্য চট্টগ্রামে ৪ নম্বর ঝড়

‎চতুর্থ ঝড়টি দেশের পার্বত্য অঞ্চলে আঘাত হেনেছে। এটি ইতিমধ্যে খাগড়াছড়ি জেলায় প্রবেশ করেছে এবং পর্যায়ক্রমে রাঙ্গামাটি ও বান্দরবান জেলার ওপর দিয়ে অতিক্রম করবে।

সতর্কতা: আবহাওয়া গবেষক মোস্তফা কামাল পলাশ বজ্রপাতের তীব্র ঝুঁকির কথা মাথায় রেখে সাধারণ মানুষকে বিশেষ করে কৃষকদের খোলা মাঠে না থাকার এবং সবাইকে নিরাপদ আশ্রয়ে থাকার পরামর্শ দিয়েছেন। নদী বন্দর ও উপকূলীয় এলাকার বাসিন্দাদেরও বাড়তি সতর্কতা অবলম্বনের অনুরোধ করা হয়েছে।

ট্যাগসঃ

নিউজটি শেয়ার করুন

বিস্তারিত লিখুনঃ

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

সারা দেশে তীব্র কালবৈশাখীর তাণ্ডবের আশঙ্কা: ৪টি জোনে ধেয়ে আসছে দুর্যোগ

আপডেট সময়ঃ ০৩:২০:৩৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬

‎সারা দেশে আজ দিনভর বড় ধরনের কালবৈশাখী ঝড় ও দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত দিয়ে একযোগে ৪টি শক্তিশালী ঝড়ের সিস্টেম বা বলয় প্রবেশ করছে বলে সতর্ক করেছেন কানাডার সাসকাচুয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের আবহাওয়া ও জলবায়ু গবেষক মোস্তফা কামাল পলাশ।

 

‎আজ এক ফেসবুক পোস্টে দেশের আবহাওয়া পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি জানান, “আজ সারাদিন একটা ফাডা-ফাডি হয়া যাবে পুরো দেশে।” তাঁর দেওয়া নিখুঁত তথ্য ও বিশ্লেষণ অনুযায়ী, দেশের ৪টি জোনে যেভাবে ঝড় আঘাত হানতে পারে, তা নিচে তুলে ধরা হলো:

১. উত্তর ও মধ্যাঞ্চলে ১ম ঝড়ের তাণ্ডব

‎প্রথম ঝড়ের সিস্টেমটি ইতিমধ্যে রংপুর বিভাগে প্রবেশ করতে শুরু করেছে। এটি ঠাকুরগাঁও, দিনাজপুর, রংপুর ও গাইবান্ধা জেলার ওপর দিয়ে তীব্র বেগে রাজশাহী বিভাগে প্রবেশ করবে এবং এর বেশিরভাগ জেলা অতিক্রম করবে। পরবর্তীতে এই ঝড় ময়মনসিংহ বিভাগের জামালপুর ও শেরপুর হয়ে ঢাকা বিভাগের টাঙ্গাইল, গাজীপুর, ঢাকা ও মানিকগঞ্জ জেলার ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়ার প্রবল আশঙ্কা রয়েছে।

২. সিলেট অঞ্চলে ২য় ঝড়ের আঘাত

‎দ্বিতীয় ঝড়ের বলয়টি ময়মনসিংহ বিভাগের ওপর দিয়ে সিলেট বিভাগে প্রবেশ করতে শুরু করেছে। এই ঝড়ের প্রভাবে সিলেট বিভাগের হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজার জেলায় ভারী ঝড়-বৃষ্টি ও ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে।

৩. দক্ষিণাঞ্চল ও উপকূলীয় এলাকায় ৩য় ঝড়

‎তৃতীয় ঝড়ের সিস্টেমটি ঢাকা বিভাগের ওপর দিয়ে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগে প্রবেশ করছে। এর মূল প্রভাব পড়বে বরিশাল, পটুয়াখালী, ভোলা এবং চট্টগ্রাম বিভাগের চাঁদপুর, লক্ষ্মীপুর, কুমিল্লা, নোয়াখালী ও ফেনী জেলার ওপর দিয়ে।

৪. পার্বত্য চট্টগ্রামে ৪ নম্বর ঝড়

‎চতুর্থ ঝড়টি দেশের পার্বত্য অঞ্চলে আঘাত হেনেছে। এটি ইতিমধ্যে খাগড়াছড়ি জেলায় প্রবেশ করেছে এবং পর্যায়ক্রমে রাঙ্গামাটি ও বান্দরবান জেলার ওপর দিয়ে অতিক্রম করবে।

সতর্কতা: আবহাওয়া গবেষক মোস্তফা কামাল পলাশ বজ্রপাতের তীব্র ঝুঁকির কথা মাথায় রেখে সাধারণ মানুষকে বিশেষ করে কৃষকদের খোলা মাঠে না থাকার এবং সবাইকে নিরাপদ আশ্রয়ে থাকার পরামর্শ দিয়েছেন। নদী বন্দর ও উপকূলীয় এলাকার বাসিন্দাদেরও বাড়তি সতর্কতা অবলম্বনের অনুরোধ করা হয়েছে।