০৩:২১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬

ছাত্রদল নেতার গায়ে ফুটন্ত পানি ঢালার অভিযোগ আ. লীগ কর্মীর বিরুদ্ধে

হকবার্তা ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময়ঃ ১২:৩১:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬
  • / ৬০ বার পড়া হয়েছে।

 

হকবার্তা ডেস্ক রিপোর্ট;

সুনামগঞ্জ।।। ০৪ অক্টোবর ২০২৬

 

 

চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলায় এক চা স্টলে বাকবিতণ্ডার জেরে কেটলির ফুটন্ত গরম পানি ঢেলে জেলা ছাত্রদলের এক নেতাসহ তিনজনকে দগ্ধ করার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক আওয়ামী লীগ কর্মীর বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে গত শনিবার (৩ অক্টোবর) রাত আনুমানিক ১১টার দিকে উপজেলার শঙ্করচন্দ্র ইউনিয়নের পুকুরপাড়া মোড় এলাকায়।

 

 

দগ্ধ ব্যক্তিরা হলেন—চুয়াডাঙ্গা জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সম্পাদক হাসানুজ্জামান, শঙ্করচন্দ্র গ্রামের বাসিন্দা সিরাজুল ইসলাম (৪২) এবং হাসান (৩২)। আহত তিনজনকে তাৎক্ষণিকভাবে উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তাঁরা সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

 

 

স্থানীয় সূত্রের তথ্যমতে, শনিবার রাতে পুকুরপাড়া মোড়ের ‘জামাল চা স্টলে’ বসে অবস্থান করছিলেন ছাত্রদল নেতা হাসানুজ্জামান। সেখানে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে ১ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি আত্তাব হোসেনের ছেলে সুলতান মিয়াজীর সঙ্গে তাঁর বিরোধ তৈরি হয়।

 

অভিযোগ অনুযায়ী, সুলতান রাজনৈতিক নেতৃত্ব ও ধর্মীয় বিষয়ে বিতর্কিত বক্তব্য দিলে হাসানুজ্জামান তার প্রতিবাদ জানান। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে সুলতান দোকানে থাকা কেটলির ফুটন্ত গরম পানি হাসানুজ্জামানের শরীরে ঢেলে দেন। এ সময় তাকে বাঁচাতে গিয়ে পাশে থাকা সিরাজুল ও হাসানও গরম পানিতে দগ্ধ হন। ঘটনার পরপরই অভিযুক্ত সুলতান সেখান থেকে সটকে পড়েন।

 

 

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হাসানুজ্জামান দাবি করেন, “রাজনৈতিক আক্রোশ ও বাকবিতণ্ডার জেরেই সুলতান ইচ্ছাকৃতভাবে ফুটন্ত পানি ঢেলে দিয়ে পালিয়ে গেছে।”

 

 

চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বরাতে জানা গেছে, ভর্তি হওয়া তিনজনের শরীরের বেশ কিছু অংশ ঝলসে গেছে। তাঁদের চিকিৎসার জন্য নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।

 

 

এ বিষয়ে চুয়াডাঙ্গা জেলা যুবদলের সভাপতি শরীফ উর জামান সিজার গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করে ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। তিনি অভিযুক্ত সুলতানকে অবিলম্বে গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

 

 

আইনগত প্রক্রিয়ার বিষয়ে চুয়াডাঙ্গা সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) হিমেল রানা জানান, ঘটনার বিষয়ে অবগত হয়ে পুলিশ বিষয়টি গুরুত্বের সাথে তদারকি করছে। ভুক্তভোগী পক্ষের আনুষ্ঠানিক অভিযোগ বা লিখিত এজাহার পেলেই তদন্তসাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ট্যাগসঃ

নিউজটি শেয়ার করুন

বিস্তারিত লিখুনঃ

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

ছাত্রদল নেতার গায়ে ফুটন্ত পানি ঢালার অভিযোগ আ. লীগ কর্মীর বিরুদ্ধে

আপডেট সময়ঃ ১২:৩১:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬

 

হকবার্তা ডেস্ক রিপোর্ট;

সুনামগঞ্জ।।। ০৪ অক্টোবর ২০২৬

 

 

চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলায় এক চা স্টলে বাকবিতণ্ডার জেরে কেটলির ফুটন্ত গরম পানি ঢেলে জেলা ছাত্রদলের এক নেতাসহ তিনজনকে দগ্ধ করার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক আওয়ামী লীগ কর্মীর বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে গত শনিবার (৩ অক্টোবর) রাত আনুমানিক ১১টার দিকে উপজেলার শঙ্করচন্দ্র ইউনিয়নের পুকুরপাড়া মোড় এলাকায়।

 

 

দগ্ধ ব্যক্তিরা হলেন—চুয়াডাঙ্গা জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সম্পাদক হাসানুজ্জামান, শঙ্করচন্দ্র গ্রামের বাসিন্দা সিরাজুল ইসলাম (৪২) এবং হাসান (৩২)। আহত তিনজনকে তাৎক্ষণিকভাবে উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তাঁরা সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

 

 

স্থানীয় সূত্রের তথ্যমতে, শনিবার রাতে পুকুরপাড়া মোড়ের ‘জামাল চা স্টলে’ বসে অবস্থান করছিলেন ছাত্রদল নেতা হাসানুজ্জামান। সেখানে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে ১ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি আত্তাব হোসেনের ছেলে সুলতান মিয়াজীর সঙ্গে তাঁর বিরোধ তৈরি হয়।

 

অভিযোগ অনুযায়ী, সুলতান রাজনৈতিক নেতৃত্ব ও ধর্মীয় বিষয়ে বিতর্কিত বক্তব্য দিলে হাসানুজ্জামান তার প্রতিবাদ জানান। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে সুলতান দোকানে থাকা কেটলির ফুটন্ত গরম পানি হাসানুজ্জামানের শরীরে ঢেলে দেন। এ সময় তাকে বাঁচাতে গিয়ে পাশে থাকা সিরাজুল ও হাসানও গরম পানিতে দগ্ধ হন। ঘটনার পরপরই অভিযুক্ত সুলতান সেখান থেকে সটকে পড়েন।

 

 

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হাসানুজ্জামান দাবি করেন, “রাজনৈতিক আক্রোশ ও বাকবিতণ্ডার জেরেই সুলতান ইচ্ছাকৃতভাবে ফুটন্ত পানি ঢেলে দিয়ে পালিয়ে গেছে।”

 

 

চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বরাতে জানা গেছে, ভর্তি হওয়া তিনজনের শরীরের বেশ কিছু অংশ ঝলসে গেছে। তাঁদের চিকিৎসার জন্য নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।

 

 

এ বিষয়ে চুয়াডাঙ্গা জেলা যুবদলের সভাপতি শরীফ উর জামান সিজার গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করে ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। তিনি অভিযুক্ত সুলতানকে অবিলম্বে গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

 

 

আইনগত প্রক্রিয়ার বিষয়ে চুয়াডাঙ্গা সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) হিমেল রানা জানান, ঘটনার বিষয়ে অবগত হয়ে পুলিশ বিষয়টি গুরুত্বের সাথে তদারকি করছে। ভুক্তভোগী পক্ষের আনুষ্ঠানিক অভিযোগ বা লিখিত এজাহার পেলেই তদন্তসাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।