আগামীর জুলাই হবে চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে প্রতিরোধের: সেলিম উদ্দিন
- আপডেট সময়ঃ ০৫:১২:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬
- / ২১ বার পড়া হয়েছে।
হকবার্তা ডেস্ক রিপোর্ট;
সুনামগঞ্জ ।। ০২ অক্টোবর ২০২৬
চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস, মাদক ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রয়োজনে দেশে চব্বিশের চেয়েও তীব্র প্রতিরোধ এবং আরো একটি গণ-অভ্যুত্থান সংঘটিত করার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগর উত্তরের আমির মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন। দেশের বৃহত্তর স্বার্থে আগামীর জুলাই আন্দোলনকে চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে পরিচালিত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন তিনি।
শুক্রবার চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে দলটির এই জ্যেষ্ঠ নেতা এসব কথা বলেন।
‘আন্দোলন কোনো দলের বিরুদ্ধে নয়, দেশকে রক্ষার লড়াই’;
প্রেস ব্রিফিংয়ে সেলিম উদ্দিন বলেন, চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে, অন্যায়ের বিরুদ্ধে এবং দুর্নীতি ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে আগামীতে যে আন্দোলন গড়ে তোলা হবে, তা কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের বিরুদ্ধে নয়। মূলত দেশকে রক্ষা এবং জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের মূল চেতনাকে সার্থক করার লক্ষ্যেই এই সংগ্রাম পরিচালিত হবে।
তিনি হুঁশিয়ার করে দিয়ে বলেন, দেশে কোনো ধরনের চাঁদাবাজ ও দখলদারের স্থান হবে না। প্রয়োজনে চব্বিশের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের চেয়েও বৃহত্তর ও তীব্র প্রতিরোধ গড়ে তুলে দেশকে এসব অপশক্তির হাত থেকে মুক্ত করা হবে।
মিরপুর রাড্ডা ক্লিনিক দখলচেষ্টার প্রতিবাদ ও কঠোর শাস্তির দাবি;
রাজধানীর মিরপুরে অবস্থিত ‘রাড্ডা ক্লিনিক’ দখলচেষ্টা ও ভাঙচুরের ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান জামায়াতের এই নেতা। তিনি বলেন, এই ন্যক্কারজনক ঘটনার সাথে জড়িতদের কেবল দলীয় পদ থেকে অব্যাহতি বা বহিষ্কার করলেই বিচার কাজ শেষ হয়ে যায় না।
ঘটনার একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করে তিনি বলেন, “জড়িত ব্যক্তিরা যে-ই হোন না কেন—তারা পদধারী জনপ্রতিনিধি কিংবা প্রভাবশালী যে পরিচয়েরই হোক—তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত কঠোর প্রশাসনিক ও আইনি পদক্ষেপ নিশ্চিত করতে হবে।”
স্বাস্থ্যকেন্দ্র আধুনিকায়নের জোর দাবি:
জুলাই গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে দেশের মানুষের প্রত্যাশা বহুলাংশে বৃদ্ধি পেয়েছে উল্লেখ করে সেলিম উদ্দিন বলেন, রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে জনগণের স্বার্থসংশ্লিষ্ট কোনো প্রতিষ্ঠান দখল করতে দেওয়া হবে না। জনস্বার্থ রক্ষা এবং মা ও শিশুর চিকিৎসাসেবা অব্যাহত রাখতে রাড্ডা ক্লিনিককে প্রয়োজনীয় আধুনিক সুযোগ-সুবিধাসম্পন্ন একটি পূর্ণাঙ্গ ও মানসম্মত স্বাস্থ্যকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার জন্য প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানান তিনি।










