০৬:৩৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬

এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের সংকট নিরসনে, সরকারের পাঁচটি জরুরী ও কার্যকর উদ্যোগ

হকবার্তা ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময়ঃ ১১:১৪:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬
  • / ১৬ বার পড়া হয়েছে।

‎প্রচ্ছদ ই-পেপার জাতীয় আন্তর্জাতিক উপজেলার খবর খেলাধুলা ভিডিও সম্পাদকীয় সিলেট সাহিত্য ও সংস্কৃতি বিশেষ সংখ্যা বর্ষপূর্তি সংখ্যা

‎এইচএসসি পরীক্ষা নিয়ে সরকারের ৫ উদ্যোগের কথা জানালেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন

‎হকবার্তা ডেস্ক;

‎প্রকাশিত: ১৫ জুলাই, ২০২৬ 

‎এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা নিয়ে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন বলেছেন, প্রতিকূল আবহাওয়া বা অনিবার্য কারণে যাঁরা চলমান এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার কোনো বিষয়ে অংশগ্রহণ করতে পারেননি, তাঁরা আবারও অংশ নিতে পারবেন। এসব পরীক্ষার্থী চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের ইতিমধ্যে স্থগিত হওয়া সংশ্লিষ্ট বিষয়ে অভিন্ন পরীক্ষাপত্রে, শিক্ষা মন্ত্রণালয় নির্ধারিত একই তারিখ ও সময়ে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন।

‎‎গত সোমবার হওয়া এইচএসসি পরীক্ষা আবার নেওয়াসহ বিভিন্ন দাবিতে শিক্ষার্থীরা গতকাল মঙ্গলবার দিনভর রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধ করেন। আজ বুধবারও তাঁরা আন্দোলন করছেন। এমন প্রেক্ষাপটে আজ ফেসবুকে পোস্টে এ বিষয়ে বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন।

‎‎‘এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনে শিক্ষার্থীবান্ধব পাঁচটি উদ্যোগ’ শিরোনামে দেওয়া পোস্টে মাহদী আমিন বলেন, আজ চট্টগ্রাম বোর্ড ছাড়া সারা দেশে ২ হাজার ৫৮৩টি পরীক্ষাকেন্দ্রে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শান্তিপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। আবহাওয়ার উল্লেখযোগ্য উন্নতির পাশাপাশি শিক্ষার্থীরাও যথেষ্ট উৎসাহ নিয়ে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে। সম্প্রতি বৈরী আবহাওয়ার কারণে পরীক্ষা গ্রহণে জটিলতা নিরসনে নির্বাচিত সরকার সময়োপযোগী ও শিক্ষার্থীবান্ধব কিছু উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।

‎‎১ . সারা দেশের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা নেওয়ার বিষয়ে বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, সব শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান, আবহাওয়া অধিদপ্তরের কর্মকর্তা এবং অংশীজনদের মতামতের ভিত্তিতে, বিপুলসংখ্যক সংখ্যাগরিষ্ঠ শিক্ষার্থীর স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে, সর্বসম্মতিক্রমে পূর্বনির্ধারিত সময় অনুযায়ী চট্টগ্রাম বোর্ড ছাড়া সারা দেশে পরীক্ষা চালু রাখা হয়েছে।

‎ ‎২ . কোথাও যাতায়াত বা জলাবদ্ধতার কারণে সমস্যা হলে প্রয়োজনে কেন্দ্র পরিবর্তন, পরীক্ষা স্থগিত কিংবা পরীক্ষার সময় বৃদ্ধিসহ যেকোনো প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য স্থানীয় প্রশাসনকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

‎৩ . প্রতিকূল আবহাওয়া কিংবা সংশ্লিষ্ট অনিবার্য কারণে যাঁরা চলমান এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার কোনো বিষয়ে অংশগ্রহণ করতে পারেননি, সেই অনুপস্থিত শিক্ষার্থীরা চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের ইতিমধ্যে স্থগিত হওয়া সংশ্লিষ্ট বিষয়ের অভিন্ন পরীক্ষাপত্রে, শিক্ষা মন্ত্রণালয় নির্ধারিত একই তারিখ ও সময়ে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন।

‎৪. পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্রের দুটি ভুল প্রশ্নের জন্য সব পরীক্ষার্থীকে পূর্ণ নম্বর দেওয়া হবে।

‎ ৫. পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্রের ভুল প্রশ্নপত্র প্রণয়নে দায়ী ব্যক্তিদের সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

‎ ‎ফেসবুক পোস্টে মাহদী আমিন বলেন, প্রধানমন্ত্রীর কাছে এইচএসসি শুধু একটি পরীক্ষা নয়, এটি আগামীর বাংলাদেশ গড়ার কারিগরদের ভবিষ্যৎ গঠনের গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণ। এ কারণে সরকার সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে পরীক্ষা পরিচালনায় সচেষ্ট রয়েছে। সেই পথযাত্রায় শিক্ষার্থীদের কল্যাণ এবং শিক্ষাজীবনের ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করা গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থার অন্যতম অগ্রাধিকার।

ট্যাগসঃ

নিউজটি শেয়ার করুন

বিস্তারিত লিখুনঃ

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের সংকট নিরসনে, সরকারের পাঁচটি জরুরী ও কার্যকর উদ্যোগ

আপডেট সময়ঃ ১১:১৪:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬

‎প্রচ্ছদ ই-পেপার জাতীয় আন্তর্জাতিক উপজেলার খবর খেলাধুলা ভিডিও সম্পাদকীয় সিলেট সাহিত্য ও সংস্কৃতি বিশেষ সংখ্যা বর্ষপূর্তি সংখ্যা

‎এইচএসসি পরীক্ষা নিয়ে সরকারের ৫ উদ্যোগের কথা জানালেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন

‎হকবার্তা ডেস্ক;

‎প্রকাশিত: ১৫ জুলাই, ২০২৬ 

‎এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা নিয়ে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন বলেছেন, প্রতিকূল আবহাওয়া বা অনিবার্য কারণে যাঁরা চলমান এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার কোনো বিষয়ে অংশগ্রহণ করতে পারেননি, তাঁরা আবারও অংশ নিতে পারবেন। এসব পরীক্ষার্থী চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের ইতিমধ্যে স্থগিত হওয়া সংশ্লিষ্ট বিষয়ে অভিন্ন পরীক্ষাপত্রে, শিক্ষা মন্ত্রণালয় নির্ধারিত একই তারিখ ও সময়ে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন।

‎‎গত সোমবার হওয়া এইচএসসি পরীক্ষা আবার নেওয়াসহ বিভিন্ন দাবিতে শিক্ষার্থীরা গতকাল মঙ্গলবার দিনভর রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধ করেন। আজ বুধবারও তাঁরা আন্দোলন করছেন। এমন প্রেক্ষাপটে আজ ফেসবুকে পোস্টে এ বিষয়ে বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন।

‎‎‘এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনে শিক্ষার্থীবান্ধব পাঁচটি উদ্যোগ’ শিরোনামে দেওয়া পোস্টে মাহদী আমিন বলেন, আজ চট্টগ্রাম বোর্ড ছাড়া সারা দেশে ২ হাজার ৫৮৩টি পরীক্ষাকেন্দ্রে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শান্তিপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। আবহাওয়ার উল্লেখযোগ্য উন্নতির পাশাপাশি শিক্ষার্থীরাও যথেষ্ট উৎসাহ নিয়ে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে। সম্প্রতি বৈরী আবহাওয়ার কারণে পরীক্ষা গ্রহণে জটিলতা নিরসনে নির্বাচিত সরকার সময়োপযোগী ও শিক্ষার্থীবান্ধব কিছু উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।

‎‎১ . সারা দেশের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা নেওয়ার বিষয়ে বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, সব শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান, আবহাওয়া অধিদপ্তরের কর্মকর্তা এবং অংশীজনদের মতামতের ভিত্তিতে, বিপুলসংখ্যক সংখ্যাগরিষ্ঠ শিক্ষার্থীর স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে, সর্বসম্মতিক্রমে পূর্বনির্ধারিত সময় অনুযায়ী চট্টগ্রাম বোর্ড ছাড়া সারা দেশে পরীক্ষা চালু রাখা হয়েছে।

‎ ‎২ . কোথাও যাতায়াত বা জলাবদ্ধতার কারণে সমস্যা হলে প্রয়োজনে কেন্দ্র পরিবর্তন, পরীক্ষা স্থগিত কিংবা পরীক্ষার সময় বৃদ্ধিসহ যেকোনো প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য স্থানীয় প্রশাসনকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

‎৩ . প্রতিকূল আবহাওয়া কিংবা সংশ্লিষ্ট অনিবার্য কারণে যাঁরা চলমান এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার কোনো বিষয়ে অংশগ্রহণ করতে পারেননি, সেই অনুপস্থিত শিক্ষার্থীরা চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের ইতিমধ্যে স্থগিত হওয়া সংশ্লিষ্ট বিষয়ের অভিন্ন পরীক্ষাপত্রে, শিক্ষা মন্ত্রণালয় নির্ধারিত একই তারিখ ও সময়ে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন।

‎৪. পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্রের দুটি ভুল প্রশ্নের জন্য সব পরীক্ষার্থীকে পূর্ণ নম্বর দেওয়া হবে।

‎ ৫. পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্রের ভুল প্রশ্নপত্র প্রণয়নে দায়ী ব্যক্তিদের সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

‎ ‎ফেসবুক পোস্টে মাহদী আমিন বলেন, প্রধানমন্ত্রীর কাছে এইচএসসি শুধু একটি পরীক্ষা নয়, এটি আগামীর বাংলাদেশ গড়ার কারিগরদের ভবিষ্যৎ গঠনের গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণ। এ কারণে সরকার সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে পরীক্ষা পরিচালনায় সচেষ্ট রয়েছে। সেই পথযাত্রায় শিক্ষার্থীদের কল্যাণ এবং শিক্ষাজীবনের ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করা গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থার অন্যতম অগ্রাধিকার।