০২:১০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬

কিশোরী ধর্ষণে মূল অভিযুক্ত ‘এনকাউন্টারে’ নিহত, এখনো ক্ষোভে ফুঁসছে বারুইপুর

রিপোর্টার নামঃ
  • আপডেট সময়ঃ ০২:৩৪:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ জুলাই ২০২৬
  • / ২২ বার পড়া হয়েছে।

কিশোরী ধর্ষণে মূল অভিযুক্ত ‘এনকাউন্টারে’ নিহত,
এখনো ক্ষোভে ফুঁসছে বারুইপুর
৮জুলাই ২০২৬ইং
হক বার্তা ডেস্ক

পশ্চিমবঙ্গের বারুইপুরে এক কিশোরীকে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় পুলিশের ‘এনকাউন্টারে’ নিহত হয়েছেন অন্যতম একজন অভিযুক্ত। সর্বশেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, ওই অভিযুক্তের নাম প্রভাস মণ্ডল, যাকে সিসিটিভি ফুটেজ দেখে শনাক্ত করা হয়েছিল পরিবারের তরফে।
গত শনিবার চৌঠা জুলাই কলকাতার দক্ষিণ শহরতলি অঞ্চলের বারুইপুর থানার সূর্যপুরে একজন কিশোরীকে ধর্ষণ ও খুনের অভিযোগ আসে। স্কুলের ছাত্রী, ১১-১২ বছর বয়সী ওই কিশোরীকে পাঁচই জুলাই ওই অঞ্চলের পুকুর থেকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা যাচ্ছে, মঙ্গলবার মধ্যরাতে অন্যতম ওই অভিযুক্ত প্রভাস মণ্ডলকে নিয়ে ওই পুকুরের কাছেই তদন্তের স্বার্থে ঘটনার পুনর্নির্মাণ করতে পৌঁছান পুলিশ কর্তারা। পুলিশের অভিযোগ, তখন পুলিশের অস্ত্র ছিনিয়ে নিয়ে পালানোর চেষ্টা করছিল অভিযুক্ত।
পুলিশ জানিয়েছে, তখনই তারা গুলি চালায়। অভিযুক্তকে বারুইপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে তাকে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়।
“আমার ছেলের মৃতদেহ আমি দেখতে চাইনা, ওর শেষকৃত্যও করব না আমরা।” ঘটনা শোনার পরে জানিয়েছেন মৃত অভিযুক্তের মা। তিনি সাংবাদিকদের বলেছেন, “আমার ছেলে দোষ করলে ওর এই শাস্তিই কাম্য।”

ধর্ষণ করে খুনের ওই ঘটনা সামনে আসার পর থেকেই পুলিশি গাফিলতির অভিযোগ উঠেছিল। প্রাথমিক ময়নতদন্তের যে রিপোর্ট, সেই রিপোর্ট থেকে জানা যাচ্ছে যে ওই কিশোরীর মৃত্যু হয়েছে জলে ডুবে।
স্থানীয় মানুষের অভিযোগ, যে সময়ে পুলিশের কাছে যাওয়া হয়, তখনই পুলিশ যদি তৎপর হতো, তাহলে হয়তো সেই কিশোরীটিকে বাঁচানো যেত।
এক স্থানীয় বাসিন্দা সোমবার জানিয়েছেন, “রাতে প্রায় সাড়ে আটটা নাগাদ আমরা থানায় যোগাযোগ করেছিলাম, কিন্তু পুলিশ গুরুত্ব দিচ্ছিল না। রোববার সকালে আমরা স্থানীয়দের থেকে খবর পেলাম। পরে এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ দেখে দোষীকে আমরাই ধরে ফেলি।”
সুত্র বিবিসি

ট্যাগসঃ

নিউজটি শেয়ার করুন

বিস্তারিত লিখুনঃ

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

কিশোরী ধর্ষণে মূল অভিযুক্ত ‘এনকাউন্টারে’ নিহত, এখনো ক্ষোভে ফুঁসছে বারুইপুর

আপডেট সময়ঃ ০২:৩৪:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ জুলাই ২০২৬

কিশোরী ধর্ষণে মূল অভিযুক্ত ‘এনকাউন্টারে’ নিহত,
এখনো ক্ষোভে ফুঁসছে বারুইপুর
৮জুলাই ২০২৬ইং
হক বার্তা ডেস্ক

পশ্চিমবঙ্গের বারুইপুরে এক কিশোরীকে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় পুলিশের ‘এনকাউন্টারে’ নিহত হয়েছেন অন্যতম একজন অভিযুক্ত। সর্বশেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, ওই অভিযুক্তের নাম প্রভাস মণ্ডল, যাকে সিসিটিভি ফুটেজ দেখে শনাক্ত করা হয়েছিল পরিবারের তরফে।
গত শনিবার চৌঠা জুলাই কলকাতার দক্ষিণ শহরতলি অঞ্চলের বারুইপুর থানার সূর্যপুরে একজন কিশোরীকে ধর্ষণ ও খুনের অভিযোগ আসে। স্কুলের ছাত্রী, ১১-১২ বছর বয়সী ওই কিশোরীকে পাঁচই জুলাই ওই অঞ্চলের পুকুর থেকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা যাচ্ছে, মঙ্গলবার মধ্যরাতে অন্যতম ওই অভিযুক্ত প্রভাস মণ্ডলকে নিয়ে ওই পুকুরের কাছেই তদন্তের স্বার্থে ঘটনার পুনর্নির্মাণ করতে পৌঁছান পুলিশ কর্তারা। পুলিশের অভিযোগ, তখন পুলিশের অস্ত্র ছিনিয়ে নিয়ে পালানোর চেষ্টা করছিল অভিযুক্ত।
পুলিশ জানিয়েছে, তখনই তারা গুলি চালায়। অভিযুক্তকে বারুইপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে তাকে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়।
“আমার ছেলের মৃতদেহ আমি দেখতে চাইনা, ওর শেষকৃত্যও করব না আমরা।” ঘটনা শোনার পরে জানিয়েছেন মৃত অভিযুক্তের মা। তিনি সাংবাদিকদের বলেছেন, “আমার ছেলে দোষ করলে ওর এই শাস্তিই কাম্য।”

ধর্ষণ করে খুনের ওই ঘটনা সামনে আসার পর থেকেই পুলিশি গাফিলতির অভিযোগ উঠেছিল। প্রাথমিক ময়নতদন্তের যে রিপোর্ট, সেই রিপোর্ট থেকে জানা যাচ্ছে যে ওই কিশোরীর মৃত্যু হয়েছে জলে ডুবে।
স্থানীয় মানুষের অভিযোগ, যে সময়ে পুলিশের কাছে যাওয়া হয়, তখনই পুলিশ যদি তৎপর হতো, তাহলে হয়তো সেই কিশোরীটিকে বাঁচানো যেত।
এক স্থানীয় বাসিন্দা সোমবার জানিয়েছেন, “রাতে প্রায় সাড়ে আটটা নাগাদ আমরা থানায় যোগাযোগ করেছিলাম, কিন্তু পুলিশ গুরুত্ব দিচ্ছিল না। রোববার সকালে আমরা স্থানীয়দের থেকে খবর পেলাম। পরে এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ দেখে দোষীকে আমরাই ধরে ফেলি।”
সুত্র বিবিসি