০৪:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নেই সংযোগ-নেই মিটার, তবুও ৬৯২ টাকা এসেছে বিদ্যুৎ বিল

রিপোর্টার নামঃ
  • আপডেট সময়ঃ ০৬:৪৮:৩৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ২২ বার পড়া হয়েছে।

হকবার্তা ডেস্ক রিপোর্ট;

সুনামগঞ্জ ।। ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

 

জামালপুরের মাদারগঞ্জে মিটার ও বিদ্যুৎ সংযোগ না থাকলেও গ্রাহকের নামে এসেছে ৬৯২ টাকার বিল। নতুন মিটারের জন্য আবেদন করার পর সংযোগ দেওয়ার আগেই এমন বিল আসায় বিস্ময় প্রকাশ করেছেন ভুক্তভোগী নিমাই চন্দ্র সরকার।

 

ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার চরপাকেরদহ ইউনিয়নের তেঘরিয়া বাজার এলাকায়।

 

নিমাই চন্দ্র সরকার জানান, তার বাসায় আগে থেকেই দুটি আবাসিক ও দুটি বাণিজ্যিক মিটার রয়েছে। এর বাইরে আরও একটি মিটারের জন্য আবেদন করেন তিনি। তবে নতুন মিটার স্থাপন বা বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়ার আগেই আগস্ট মাসের ৬৯২ টাকার বিল তার নামে আসে।

 

সরেজমিনে দেখা যায়, তার বাড়িতে চারটি মিটার রয়েছে। নতুন মিটার স্থাপনের জন্য ওয়্যারিং বোর্ড তৈরি করা হলেও সেটিতে কোনো মিটার বসানো হয়নি। অথচ মোট পাঁচটি বিলের কাগজ পেয়েছেন তিনি।

 

এ বিষয়ে তেঘরিয়া অভিযোগ কেন্দ্রের ইনচার্জ মোখলেছুর রহমান বলেন, নিমাই সরকারের সাথে কথা বলেই বিল করা হয়েছে। তবে মিটার ও সংযোগ ছাড়া বিল তৈরি করা যায় কি না জানতে চাইলে তিনি এটিকে ভুল হয়েছে বলে জানান।

 

জামালপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির মাদারগঞ্জ জোনাল অফিসের সহকারী জেনারেল ম্যানেজার আবু সালেহ নাঈম বলেন, সফটওয়্যার পরিবর্তনের কারণে এমন সমস্যা হয়েছে। তবে মিটার ও সংযোগ না থাকা অবস্থায় কীভাবে বিল তৈরি হলো, তার সুনির্দিষ্ট ব্যাখ্যা দিতে পারেননি তিনি।

 

অন্যদিকে, ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার সৈয়দা ফারজানা ইয়াসমিন জানান, মিটার বা সংযোগ ছাড়া কীভাবে বিল আসে, তা তার জানা নেই। ঘটনাটি নিয়ে বিদ্যুৎ বিভাগের বিলিং ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

ট্যাগসঃ

নিউজটি শেয়ার করুন

বিস্তারিত লিখুনঃ

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

নেই সংযোগ-নেই মিটার, তবুও ৬৯২ টাকা এসেছে বিদ্যুৎ বিল

আপডেট সময়ঃ ০৬:৪৮:৩৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

হকবার্তা ডেস্ক রিপোর্ট;

সুনামগঞ্জ ।। ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

 

জামালপুরের মাদারগঞ্জে মিটার ও বিদ্যুৎ সংযোগ না থাকলেও গ্রাহকের নামে এসেছে ৬৯২ টাকার বিল। নতুন মিটারের জন্য আবেদন করার পর সংযোগ দেওয়ার আগেই এমন বিল আসায় বিস্ময় প্রকাশ করেছেন ভুক্তভোগী নিমাই চন্দ্র সরকার।

 

ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার চরপাকেরদহ ইউনিয়নের তেঘরিয়া বাজার এলাকায়।

 

নিমাই চন্দ্র সরকার জানান, তার বাসায় আগে থেকেই দুটি আবাসিক ও দুটি বাণিজ্যিক মিটার রয়েছে। এর বাইরে আরও একটি মিটারের জন্য আবেদন করেন তিনি। তবে নতুন মিটার স্থাপন বা বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়ার আগেই আগস্ট মাসের ৬৯২ টাকার বিল তার নামে আসে।

 

সরেজমিনে দেখা যায়, তার বাড়িতে চারটি মিটার রয়েছে। নতুন মিটার স্থাপনের জন্য ওয়্যারিং বোর্ড তৈরি করা হলেও সেটিতে কোনো মিটার বসানো হয়নি। অথচ মোট পাঁচটি বিলের কাগজ পেয়েছেন তিনি।

 

এ বিষয়ে তেঘরিয়া অভিযোগ কেন্দ্রের ইনচার্জ মোখলেছুর রহমান বলেন, নিমাই সরকারের সাথে কথা বলেই বিল করা হয়েছে। তবে মিটার ও সংযোগ ছাড়া বিল তৈরি করা যায় কি না জানতে চাইলে তিনি এটিকে ভুল হয়েছে বলে জানান।

 

জামালপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির মাদারগঞ্জ জোনাল অফিসের সহকারী জেনারেল ম্যানেজার আবু সালেহ নাঈম বলেন, সফটওয়্যার পরিবর্তনের কারণে এমন সমস্যা হয়েছে। তবে মিটার ও সংযোগ না থাকা অবস্থায় কীভাবে বিল তৈরি হলো, তার সুনির্দিষ্ট ব্যাখ্যা দিতে পারেননি তিনি।

 

অন্যদিকে, ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার সৈয়দা ফারজানা ইয়াসমিন জানান, মিটার বা সংযোগ ছাড়া কীভাবে বিল আসে, তা তার জানা নেই। ঘটনাটি নিয়ে বিদ্যুৎ বিভাগের বিলিং ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।