০৪:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬

সুনামগঞ্জে ছাত্রলীগ নেতাকে গ্রেফতারের পর,অসুস্থতা নিয়ে চাঞ্চল্য: পুলিশের বিরুদ্ধে অবহেলার অভিযোগ পরিবারের

স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট সময়ঃ ১১:০৯:৩৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬
  • / ১৪২ বার পড়া হয়েছে।

 

হকবার্তা ডেস্ক রিপোর্ট;

সুনামগঞ্জ ।। ৩০ অক্টোবর ২০২৬

 

সুনামগঞ্জ সদর থানা পুলিশের হেফাজতে থাকা অবস্থায় নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের এক নেতা গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ার ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে বর্তমানে সিলেটে স্থানান্তর করা হয়েছে এবং সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছে। এ ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে তার পরিবার ও স্থানীয় রাজনৈতিক একটি পক্ষ।

 

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার রাতে সুনামগঞ্জ সদর থানা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) জাকারিয়ার নেতৃত্বে একটি দল অভিযান চালিয়ে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগ নেতা প্রিন্সকে তার বাসা থেকে আটক করে সদর থানায় নিয়ে আসে।

 

পরিবারের দাবি, আটকের পর সুস্থ অবস্থায় তাকে থানায় নেওয়া হলেও মাত্র এক ঘণ্টার ব্যবধানে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। অবস্থার অবনতি হলে পুলিশ তাকে দ্রুত সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তার অবস্থা সংকটাপন্ন দেখে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাৎক্ষণিকভাবে সিলেট রেফার করেন। পরে তার বাবা দেওয়ান শাহরুখ রাজা চৌধুরী ও মা শাম্মী আক্তারের তত্ত্বাবধানে অ্যাম্বুলেন্সযোগে তাকে সিলেটে নেওয়া হয়।

 

এদিকে, এই আকস্মিক অসুস্থতার ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছে তার পরিবার ও স্থানীয় নেতাকর্মীরা। তাদের অভিযোগ, আটকের পর এক ঘণ্টার মধ্যে যুবকের এমন অবনতি কীভাবে হলো এবং এ বিষয়ে পুলিশ স্পষ্ট কোনো সদুত্তর দেয়নি। এমনকি হাসপাতালে নেওয়ার পর পুলিশের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা সেখানে অবস্থান না করে চলে গেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে এ ঘটনার নিরপেক্ষ ব্যাখ্যা দাবি করেছেন তারা।

 

অন্যদিকে, শহরবাসীর একটি অংশ সুনামগঞ্জের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখার আহ্বান জানিয়ে বলেন, রাজনৈতিক পরিস্থিতির জেরে যেন সাধারণ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি কিংবা কোনো অনভিপ্রেত ঘটনা শহরে অস্থিতিশীলতা তৈরি না করে।

 

এ বিষয়ে সুনামগঞ্জ সদর থানা পুলিশের পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। পুলিশ প্রশাসনের দায়িত্বশীল কারও বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তীতে জানানো হবে।

ট্যাগসঃ

নিউজটি শেয়ার করুন

বিস্তারিত লিখুনঃ

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

সুনামগঞ্জে ছাত্রলীগ নেতাকে গ্রেফতারের পর,অসুস্থতা নিয়ে চাঞ্চল্য: পুলিশের বিরুদ্ধে অবহেলার অভিযোগ পরিবারের

আপডেট সময়ঃ ১১:০৯:৩৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬

 

হকবার্তা ডেস্ক রিপোর্ট;

সুনামগঞ্জ ।। ৩০ অক্টোবর ২০২৬

 

সুনামগঞ্জ সদর থানা পুলিশের হেফাজতে থাকা অবস্থায় নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের এক নেতা গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ার ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে বর্তমানে সিলেটে স্থানান্তর করা হয়েছে এবং সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছে। এ ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে তার পরিবার ও স্থানীয় রাজনৈতিক একটি পক্ষ।

 

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার রাতে সুনামগঞ্জ সদর থানা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) জাকারিয়ার নেতৃত্বে একটি দল অভিযান চালিয়ে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগ নেতা প্রিন্সকে তার বাসা থেকে আটক করে সদর থানায় নিয়ে আসে।

 

পরিবারের দাবি, আটকের পর সুস্থ অবস্থায় তাকে থানায় নেওয়া হলেও মাত্র এক ঘণ্টার ব্যবধানে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। অবস্থার অবনতি হলে পুলিশ তাকে দ্রুত সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তার অবস্থা সংকটাপন্ন দেখে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাৎক্ষণিকভাবে সিলেট রেফার করেন। পরে তার বাবা দেওয়ান শাহরুখ রাজা চৌধুরী ও মা শাম্মী আক্তারের তত্ত্বাবধানে অ্যাম্বুলেন্সযোগে তাকে সিলেটে নেওয়া হয়।

 

এদিকে, এই আকস্মিক অসুস্থতার ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছে তার পরিবার ও স্থানীয় নেতাকর্মীরা। তাদের অভিযোগ, আটকের পর এক ঘণ্টার মধ্যে যুবকের এমন অবনতি কীভাবে হলো এবং এ বিষয়ে পুলিশ স্পষ্ট কোনো সদুত্তর দেয়নি। এমনকি হাসপাতালে নেওয়ার পর পুলিশের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা সেখানে অবস্থান না করে চলে গেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে এ ঘটনার নিরপেক্ষ ব্যাখ্যা দাবি করেছেন তারা।

 

অন্যদিকে, শহরবাসীর একটি অংশ সুনামগঞ্জের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখার আহ্বান জানিয়ে বলেন, রাজনৈতিক পরিস্থিতির জেরে যেন সাধারণ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি কিংবা কোনো অনভিপ্রেত ঘটনা শহরে অস্থিতিশীলতা তৈরি না করে।

 

এ বিষয়ে সুনামগঞ্জ সদর থানা পুলিশের পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। পুলিশ প্রশাসনের দায়িত্বশীল কারও বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তীতে জানানো হবে।