০৩:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

হাইকোর্টের আদেশ উপেক্ষা করে খাস আদায়, বিপাকে ইজারাদাররা

রিপোর্টার নামঃ
  • আপডেট সময়ঃ ০১:৪৫:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ৬ বার পড়া হয়েছে।

হকবার্তা ডেস্ক রিপোর্ট

সুনামগঞ্জ | ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

 

কালীজানা বিলে রাজস্ব দিয়েও মাছ ধরতে পারছেন না ইজারাদাররা, প্রশাসনের হস্তক্ষেপে উত্তেজনা;

সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার কালীজানা জলমহালে প্রায় দেড় কোটি টাকা রাজস্ব দিয়ে ইজারা নেওয়ার পরও মৎস্য আহরণে বাধার মুখে পড়েছেন ইজারাদাররা। জলমহালের অভ্যন্তরে থাকা খাস জলাশয় ইজারা দেওয়াকে কেন্দ্র করে এ বিরোধের সৃষ্টি হয়েছে। ইজারাদারদের দাবি, উচ্চ আদালতের স্থগিতাদেশ থাকা সত্ত্বেও জলমহালের ভেতরের কয়েকটি খাস জলাশয় ইজারা দেওয়ায় এ সংকট তৈরি হয়েছে।

 

 

ইজারাদারদের অভিযোগ, জলমহালে মাছ ধরার জন্য জাল ফেলতে গেলে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পুলিশ পাঠিয়ে তা বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে। এতে বিপুল অর্থ ব্যয়ে জলমহাল ইজারা নেওয়া মৎস্যজীবীরা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। একই সঙ্গে জলমহালের মাছ ভাটির দিকে চলে যাওয়ায় আরও বড় ক্ষতির আশঙ্কা করছেন তারা।

 

রোববার সরেজমিনে কালীজানা জলমহালে গিয়ে দেখা যায়, ১৪টি মৌজা নিয়ে গঠিত ২৮১ একরের বেশি আয়তনের জলমহালের পানি কমতে শুরু করেছে। বাদশাগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের সামনে কালীজানা নদীর ভাটির অংশে জালের বাঁধ দিয়ে মাছ আটকানো ও আহরণের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন জলমহালের ইজারাদাররা। এ সময় জলমহালের অভ্যন্তরে থাকা একটি জলাশয়ের ইজারাপক্ষ তাদের জাল ফেলতে বাধা দেয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মাছ আহরণে বাধা দিলে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। পুলিশের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

 

জলমহাল ইজারাদারদের দাবি, ওই স্থানে জাল ফেলতে না পারলে অন্য কোনো পথ দিয়ে জলমহালের মাছ আহরণ করা সম্ভব নয়। ফলে ভাটির পানির স্রোতে মাছ নদীপথে বেরিয়ে গিয়ে ইজারাদারদের বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির কারণ হচ্ছে।

 

আদালতের স্থগিতাদেশের মধ্যেই খাস জলাশয় ইজারার অভিযোগ;

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, বার্ষিক ৩৮ লাখ ৮৪ হাজার টাকায় তিন বছরের জন্য কালীজানা জলমহালটি ইজারা নিয়েছে ‘কালিজানা বিল গ্রুপ মৎস্যজীবী সমিতি’। প্রথম দুই বছর উন্নয়ন কাজের পর চলতি বছর তাদের মৎস্য আহরণের শেষ বছর। তিন বছরে ভ্যাটসহ সরকার প্রায় দেড় কোটি টাকা রাজস্ব পেয়েছে।

 

ইজারাদারদের ভাষ্য, জলমহাল পাহারা, বাঁশ কাটা ও উন্নয়নসহ বিভিন্ন কাজে তাদের আরও কয়েক কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে। মৎস্য আহরণের মৌসুমে জলমহালের অভ্যন্তরে থাকা সরকারি খাস জলাশয়গুলো ইজারা দেওয়া হলে তাদের বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কায় জেলা প্রশাসনের কাছে সেগুলো ইজারা না দেওয়ার আবেদন করা হয়।

 

প্রতিকার না পেয়ে জলমহাল ইজারাদারপক্ষ উচ্চ আদালতে রিট পিটিশন দায়ের করে। তাদের দাবি, ২০২৫ সালের ২৩ নভেম্বর আদালত ছয় মাসের জন্য এসব খাস জলাশয় ইজারা না দেওয়ার নির্দেশ দেন। পরবর্তীতে চলতি বছরের ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত ওই স্থগিতাদেশ আরও ছয় মাসের জন্য বাড়ানো হয়।

 

ইজারাদারদের অভিযোগ, আদালতের ওই নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও বদলির আগে গত জুলাই মাসে জলমহালের অভ্যন্তরে বিভিন্ন মৌজায় খাস জলাশয় ইজারা দেন তৎকালীন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সঞ্জয় ঘোষ। এরপর ইজারা পাওয়া পক্ষ উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় জলমহাল থেকে মাছ আহরণে বাধা দিচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তারা।

 

‘মাছ ধরতে না পেরে জেলেরা অনাহারে-অর্ধাহারে’;

কালিজানা মৎস্যজীবী গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক মো. বুলবুল বলেন, ‘সরকারকে কোটি টাকার বেশি রাজস্ব দিয়ে আমরা জলমহাল ইজারা নিয়েছি। আরও কোটি টাকা ব্যয়ে দুই বছর উন্নয়ন করেছি। চলতি বছর আমাদের ফিশিং বছর। কিন্তু মাছ ধরার আগেই প্রশাসন জলমহালের ভেতরে ছোট ছোট কয়েকটি জলাশয় ইজারা দিয়েছে।’

 

তিনি দাবি করেন, এসব খাস জলাশয় ইজারার ওপর আদালতের স্থগিতাদেশ ছিল। তার পরও মাছ ধরার মৌসুমে ভাটিতে জাল ফেলতে দেওয়া হচ্ছে না।

 

বুলবুল বলেন, ‘ভাটিতে জাল না ফেললে আমরা মাছ ধরব কীভাবে? এর আগে কখনো এসব ছোট জলাশয় ইজারা দেওয়া হয়নি। আদালতের আদেশের পরও নতুন করে ইজারা দিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে দ্বন্দ্ব তৈরি করা হয়েছে। এর কারণে আমাদের সমিতির জেলেরা মাছ ধরতে না পেরে অনাহার-অর্ধাহারে দিন কাটাচ্ছেন।’

 

প্রশাসনের বক্তব্য;

ধর্মপাশা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জনি রায় বলেন, ‘আমার এসিল্যান্ড খাস জায়গার ভিত্তিতে ইজারা দিয়েছেন। আদালতের নির্দেশনার বিষয়টি জানার পর ওই ইজারা বাতিল করা হয়েছে।’

 

তিনি বলেন, জলমহালের ইজারাদাররা যদি খাস জায়গায় জলমহালের মৎস্য আহরণ করতে চান, তাহলে আদালতে তাদের রিটের প্রেক্ষিতে দেওয়া স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করিয়ে আনতে হবে। এরপর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) তাপস শীল বলেন, ‘আদালতের নির্দেশনা অমান্য করে খাস আদায় করা আইনপরিপন্থী। জলমহালে মৎস্য আহরণ নিয়ে যে সমস্যা তৈরি হয়েছে, জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তা সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে। সরকারকে যারা এত টাকা রাজস্ব দিয়েছেন, তারা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন—এটি গ্রহণযোগ্য নয়।’

 

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. মতিউর রহমান খান বলেন, ‘আইনের ব্যত্যয় ঘটিয়ে খাস জলাশয় ইজারা দেওয়া হয়ে থাকলে, যারা দিয়েছেন তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

 

এদিকে জলমহালের মৎস্য আহরণ নিয়ে দুই পক্ষের বিরোধের কারণে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। দ্রুত সমস্যার সমাধান না হলে যেকোনো সময় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

ট্যাগসঃ

নিউজটি শেয়ার করুন

বিস্তারিত লিখুনঃ

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

হাইকোর্টের আদেশ উপেক্ষা করে খাস আদায়, বিপাকে ইজারাদাররা

আপডেট সময়ঃ ০১:৪৫:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

হকবার্তা ডেস্ক রিপোর্ট

সুনামগঞ্জ | ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

 

কালীজানা বিলে রাজস্ব দিয়েও মাছ ধরতে পারছেন না ইজারাদাররা, প্রশাসনের হস্তক্ষেপে উত্তেজনা;

সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার কালীজানা জলমহালে প্রায় দেড় কোটি টাকা রাজস্ব দিয়ে ইজারা নেওয়ার পরও মৎস্য আহরণে বাধার মুখে পড়েছেন ইজারাদাররা। জলমহালের অভ্যন্তরে থাকা খাস জলাশয় ইজারা দেওয়াকে কেন্দ্র করে এ বিরোধের সৃষ্টি হয়েছে। ইজারাদারদের দাবি, উচ্চ আদালতের স্থগিতাদেশ থাকা সত্ত্বেও জলমহালের ভেতরের কয়েকটি খাস জলাশয় ইজারা দেওয়ায় এ সংকট তৈরি হয়েছে।

 

 

ইজারাদারদের অভিযোগ, জলমহালে মাছ ধরার জন্য জাল ফেলতে গেলে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পুলিশ পাঠিয়ে তা বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে। এতে বিপুল অর্থ ব্যয়ে জলমহাল ইজারা নেওয়া মৎস্যজীবীরা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। একই সঙ্গে জলমহালের মাছ ভাটির দিকে চলে যাওয়ায় আরও বড় ক্ষতির আশঙ্কা করছেন তারা।

 

রোববার সরেজমিনে কালীজানা জলমহালে গিয়ে দেখা যায়, ১৪টি মৌজা নিয়ে গঠিত ২৮১ একরের বেশি আয়তনের জলমহালের পানি কমতে শুরু করেছে। বাদশাগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের সামনে কালীজানা নদীর ভাটির অংশে জালের বাঁধ দিয়ে মাছ আটকানো ও আহরণের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন জলমহালের ইজারাদাররা। এ সময় জলমহালের অভ্যন্তরে থাকা একটি জলাশয়ের ইজারাপক্ষ তাদের জাল ফেলতে বাধা দেয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মাছ আহরণে বাধা দিলে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। পুলিশের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

 

জলমহাল ইজারাদারদের দাবি, ওই স্থানে জাল ফেলতে না পারলে অন্য কোনো পথ দিয়ে জলমহালের মাছ আহরণ করা সম্ভব নয়। ফলে ভাটির পানির স্রোতে মাছ নদীপথে বেরিয়ে গিয়ে ইজারাদারদের বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির কারণ হচ্ছে।

 

আদালতের স্থগিতাদেশের মধ্যেই খাস জলাশয় ইজারার অভিযোগ;

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, বার্ষিক ৩৮ লাখ ৮৪ হাজার টাকায় তিন বছরের জন্য কালীজানা জলমহালটি ইজারা নিয়েছে ‘কালিজানা বিল গ্রুপ মৎস্যজীবী সমিতি’। প্রথম দুই বছর উন্নয়ন কাজের পর চলতি বছর তাদের মৎস্য আহরণের শেষ বছর। তিন বছরে ভ্যাটসহ সরকার প্রায় দেড় কোটি টাকা রাজস্ব পেয়েছে।

 

ইজারাদারদের ভাষ্য, জলমহাল পাহারা, বাঁশ কাটা ও উন্নয়নসহ বিভিন্ন কাজে তাদের আরও কয়েক কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে। মৎস্য আহরণের মৌসুমে জলমহালের অভ্যন্তরে থাকা সরকারি খাস জলাশয়গুলো ইজারা দেওয়া হলে তাদের বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কায় জেলা প্রশাসনের কাছে সেগুলো ইজারা না দেওয়ার আবেদন করা হয়।

 

প্রতিকার না পেয়ে জলমহাল ইজারাদারপক্ষ উচ্চ আদালতে রিট পিটিশন দায়ের করে। তাদের দাবি, ২০২৫ সালের ২৩ নভেম্বর আদালত ছয় মাসের জন্য এসব খাস জলাশয় ইজারা না দেওয়ার নির্দেশ দেন। পরবর্তীতে চলতি বছরের ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত ওই স্থগিতাদেশ আরও ছয় মাসের জন্য বাড়ানো হয়।

 

ইজারাদারদের অভিযোগ, আদালতের ওই নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও বদলির আগে গত জুলাই মাসে জলমহালের অভ্যন্তরে বিভিন্ন মৌজায় খাস জলাশয় ইজারা দেন তৎকালীন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সঞ্জয় ঘোষ। এরপর ইজারা পাওয়া পক্ষ উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় জলমহাল থেকে মাছ আহরণে বাধা দিচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তারা।

 

‘মাছ ধরতে না পেরে জেলেরা অনাহারে-অর্ধাহারে’;

কালিজানা মৎস্যজীবী গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক মো. বুলবুল বলেন, ‘সরকারকে কোটি টাকার বেশি রাজস্ব দিয়ে আমরা জলমহাল ইজারা নিয়েছি। আরও কোটি টাকা ব্যয়ে দুই বছর উন্নয়ন করেছি। চলতি বছর আমাদের ফিশিং বছর। কিন্তু মাছ ধরার আগেই প্রশাসন জলমহালের ভেতরে ছোট ছোট কয়েকটি জলাশয় ইজারা দিয়েছে।’

 

তিনি দাবি করেন, এসব খাস জলাশয় ইজারার ওপর আদালতের স্থগিতাদেশ ছিল। তার পরও মাছ ধরার মৌসুমে ভাটিতে জাল ফেলতে দেওয়া হচ্ছে না।

 

বুলবুল বলেন, ‘ভাটিতে জাল না ফেললে আমরা মাছ ধরব কীভাবে? এর আগে কখনো এসব ছোট জলাশয় ইজারা দেওয়া হয়নি। আদালতের আদেশের পরও নতুন করে ইজারা দিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে দ্বন্দ্ব তৈরি করা হয়েছে। এর কারণে আমাদের সমিতির জেলেরা মাছ ধরতে না পেরে অনাহার-অর্ধাহারে দিন কাটাচ্ছেন।’

 

প্রশাসনের বক্তব্য;

ধর্মপাশা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জনি রায় বলেন, ‘আমার এসিল্যান্ড খাস জায়গার ভিত্তিতে ইজারা দিয়েছেন। আদালতের নির্দেশনার বিষয়টি জানার পর ওই ইজারা বাতিল করা হয়েছে।’

 

তিনি বলেন, জলমহালের ইজারাদাররা যদি খাস জায়গায় জলমহালের মৎস্য আহরণ করতে চান, তাহলে আদালতে তাদের রিটের প্রেক্ষিতে দেওয়া স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করিয়ে আনতে হবে। এরপর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) তাপস শীল বলেন, ‘আদালতের নির্দেশনা অমান্য করে খাস আদায় করা আইনপরিপন্থী। জলমহালে মৎস্য আহরণ নিয়ে যে সমস্যা তৈরি হয়েছে, জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তা সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে। সরকারকে যারা এত টাকা রাজস্ব দিয়েছেন, তারা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন—এটি গ্রহণযোগ্য নয়।’

 

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. মতিউর রহমান খান বলেন, ‘আইনের ব্যত্যয় ঘটিয়ে খাস জলাশয় ইজারা দেওয়া হয়ে থাকলে, যারা দিয়েছেন তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

 

এদিকে জলমহালের মৎস্য আহরণ নিয়ে দুই পক্ষের বিরোধের কারণে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। দ্রুত সমস্যার সমাধান না হলে যেকোনো সময় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।