১০:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬

১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের গণহত্যার জন্য শেখ মুজিবুর রহমান দায়ী: মোহাম্মদ কয়ছর আহমদ এমপি

হকবার্তা ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময়ঃ ০৪:৫৪:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৬
  • / ২৫ বার পড়া হয়েছে।

 

হকবার্তা ডেস্ক রিপোর্ট:

সুনামগঞ্জ ।। ০৮ নভেম্বর ২০২৬

 

সুনামগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মোহাম্মদ কয়ছর আহমদ বলেছেন, ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তানি বাহিনীর চালানো নৃশংস গণহত্যার জন্য শেখ মুজিবুর রহমান দায়ী। একই সঙ্গে তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের মরণোত্তর বিচারের দাবি জানিয়েছেন।

 

শনিবার (৭ নভেম্বর) বিকেল ৪টায় শান্তিগঞ্জ উপজেলা পরিষদ সংলগ্ন ঝিলমিল অডিটোরিয়ামে উপজেলা বিএনপি আয়োজিত ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’-এর র‍্যালি-পরবর্তী আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

 

শান্তিগঞ্জ উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক হাজি জালাল উদ্দিনের সভাপতিত্বে এবং উপজেলা বিএনপির প্রথম যুগ্ম আহ্বায়ক রওশন খান সাগর ও যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল কাশেম নাঈমের যৌথ সঞ্চালনায় সভায় স্থানীয় বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

 

‘স্বাধীনতার প্রাক্কালে দেশ ছেড়ে চলে যান’:

সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মোহাম্মদ কয়ছর আহমদ ১৯৭১ সালের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরে বলেন, “সে সময় বাংলাদেশের মানুষকে স্বাধীনতার জন্য একজন নেতা ঐক্যবদ্ধ করেছিলেন। কিন্তু যখন দেশের মানুষ স্বাধীনতার সংগ্রামে পুরোপুরি প্রস্তুত, ঠিক তখন তিনি বাংলাদেশ ছেড়ে চলে যান। এরপর পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী এ দেশের নিরস্ত্র মানুষের ওপর গণহত্যা চালায়। সেদিন যারা প্রাণ হারিয়েছেন, সেই হত্যার জন্য শেখ মুজিবুর রহমান দায়ী। এ কারণে তাঁর মরণোত্তর বিচার হওয়া উচিত।”

 

‘জিয়াউর রহমান ও জিয়া পরিবারের ভূমিকা অবিস্মরণীয়’:

বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং বিভিন্ন সংকটে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও জিয়া পরিবারের অবদানের কথা স্মরণ করে সংসদ সদস্য কয়ছর আহমদ বলেন, “শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান কেবল স্বাধীনতার ঘোষণাই দেননি, বরং অস্ত্র হাতে সরাসরি মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়ে দেশ স্বাধীন করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। ১৯৭৫ সালের বিশৃঙ্খল পরিস্থিতিতে সিপাহি-জনতা তাঁর ওপরই আস্থা রেখেছিলেন। বিপ্লব ও সংহতি দিবসের চেতনায় উজ্জীবিত হয়ে আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে দেশকে এগিয়ে নিতে হবে।”

 

তিনি আরও বলেন, “স্বাধীনতার আগে ও পরে বাংলাদেশকে নিয়ে নানা ষড়যন্ত্র হয়েছে। ১৯৭৫ ও ১৯৯০ সাল থেকে শুরু করে দীর্ঘ ১৭ বছর ধরেও দেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র চলেছে। যখনই দেশবিরোধী চক্রান্ত হয়েছে, তখনই জিয়াউর রহমান, বিএনপি ও জিয়া পরিবার দেশ ও মানুষের হাল ধরেছে।”

 

বিশেষ অতিথিবৃন্দের বক্তব্য:

আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন—

•সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আনছার উদ্দিন, ফারুক আহমদ ও নূর আলী

•জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি এটিএম হেলাল

•জেলা যুবদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আমিনুর রশিদ আমিন

 

সভা শেষে বক্তারা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ ও দিকনির্দেশনা অনুসরণ করে দেশ ও জাতির কল্যাণে সবাইকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান।

ট্যাগসঃ

নিউজটি শেয়ার করুন

বিস্তারিত লিখুনঃ

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের গণহত্যার জন্য শেখ মুজিবুর রহমান দায়ী: মোহাম্মদ কয়ছর আহমদ এমপি

আপডেট সময়ঃ ০৪:৫৪:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৬

 

হকবার্তা ডেস্ক রিপোর্ট:

সুনামগঞ্জ ।। ০৮ নভেম্বর ২০২৬

 

সুনামগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মোহাম্মদ কয়ছর আহমদ বলেছেন, ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তানি বাহিনীর চালানো নৃশংস গণহত্যার জন্য শেখ মুজিবুর রহমান দায়ী। একই সঙ্গে তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের মরণোত্তর বিচারের দাবি জানিয়েছেন।

 

শনিবার (৭ নভেম্বর) বিকেল ৪টায় শান্তিগঞ্জ উপজেলা পরিষদ সংলগ্ন ঝিলমিল অডিটোরিয়ামে উপজেলা বিএনপি আয়োজিত ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’-এর র‍্যালি-পরবর্তী আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

 

শান্তিগঞ্জ উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক হাজি জালাল উদ্দিনের সভাপতিত্বে এবং উপজেলা বিএনপির প্রথম যুগ্ম আহ্বায়ক রওশন খান সাগর ও যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল কাশেম নাঈমের যৌথ সঞ্চালনায় সভায় স্থানীয় বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

 

‘স্বাধীনতার প্রাক্কালে দেশ ছেড়ে চলে যান’:

সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মোহাম্মদ কয়ছর আহমদ ১৯৭১ সালের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরে বলেন, “সে সময় বাংলাদেশের মানুষকে স্বাধীনতার জন্য একজন নেতা ঐক্যবদ্ধ করেছিলেন। কিন্তু যখন দেশের মানুষ স্বাধীনতার সংগ্রামে পুরোপুরি প্রস্তুত, ঠিক তখন তিনি বাংলাদেশ ছেড়ে চলে যান। এরপর পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী এ দেশের নিরস্ত্র মানুষের ওপর গণহত্যা চালায়। সেদিন যারা প্রাণ হারিয়েছেন, সেই হত্যার জন্য শেখ মুজিবুর রহমান দায়ী। এ কারণে তাঁর মরণোত্তর বিচার হওয়া উচিত।”

 

‘জিয়াউর রহমান ও জিয়া পরিবারের ভূমিকা অবিস্মরণীয়’:

বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং বিভিন্ন সংকটে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও জিয়া পরিবারের অবদানের কথা স্মরণ করে সংসদ সদস্য কয়ছর আহমদ বলেন, “শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান কেবল স্বাধীনতার ঘোষণাই দেননি, বরং অস্ত্র হাতে সরাসরি মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়ে দেশ স্বাধীন করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। ১৯৭৫ সালের বিশৃঙ্খল পরিস্থিতিতে সিপাহি-জনতা তাঁর ওপরই আস্থা রেখেছিলেন। বিপ্লব ও সংহতি দিবসের চেতনায় উজ্জীবিত হয়ে আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে দেশকে এগিয়ে নিতে হবে।”

 

তিনি আরও বলেন, “স্বাধীনতার আগে ও পরে বাংলাদেশকে নিয়ে নানা ষড়যন্ত্র হয়েছে। ১৯৭৫ ও ১৯৯০ সাল থেকে শুরু করে দীর্ঘ ১৭ বছর ধরেও দেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র চলেছে। যখনই দেশবিরোধী চক্রান্ত হয়েছে, তখনই জিয়াউর রহমান, বিএনপি ও জিয়া পরিবার দেশ ও মানুষের হাল ধরেছে।”

 

বিশেষ অতিথিবৃন্দের বক্তব্য:

আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন—

•সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আনছার উদ্দিন, ফারুক আহমদ ও নূর আলী

•জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি এটিএম হেলাল

•জেলা যুবদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আমিনুর রশিদ আমিন

 

সভা শেষে বক্তারা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ ও দিকনির্দেশনা অনুসরণ করে দেশ ও জাতির কল্যাণে সবাইকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান।