০৫:২৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬

‘ঘুষের টাকা দিয়ে পোশাক লাগিয়েছি’: বিতর্কিত মন্তব্যের পর চুনারুঘাট থানার এএসআই প্রত্যাহার

স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট সময়ঃ ১২:৫৮:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬
  • / ২১ বার পড়া হয়েছে।

 

 

হকবার্তা ডেস্ক রিপোর্ট;

সুনামগঞ্জ ।। ০৬ অক্টোবর ২০২৬

 

 

“আমি পোশাক লাগিয়েছি ঘুষের টাকা দিয়ে, ঘুষ খাওয়া লাগবে”—সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এক ভিডিওতে হবিগঞ্জের চুনারুঘাট থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মোহাম্মদ ইলিয়াস হোসেনের এমন বিতর্কিত মন্তব্যের পর তাকে প্রত্যাহার (ক্লোজড) করে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে।

 

সোমবার (৫ অক্টোবর) রাত ১১টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন চুনারুঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম।

 

 

ঘটনার পটভূমি:

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি চুনারুঘাট উপজেলার রানীগাঁও বাজারের ব্যবসায়ী নোমান মিয়ার একটি মামলার তদন্তের কাজে সেখানে যান এএসআই মোহাম্মদ ইলিয়াস হোসেন। তদন্ত চলাকালে স্থানীয় লোকজনের উপস্থিতিতে ঘুষ গ্রহণ প্রসঙ্গে প্রকাশ্যে বিভিন্ন মন্তব্য করেন তিনি।

 

 

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে ইলিয়াস হোসেনকে বলতে শোনা যায়, “কিছু রটে দেখেই তো কিছু বটে! কথা বুঝছ না? আমি যদি বলি, আমি পুলিশের দারোগা, আমি ঘুষ খাই না, আমি বায়তুল মোকাররমের ইমাম সাহেব, হইব নাকি? আমি পোশাক লাগিয়েছি ঘুষের টাকা দিয়ে, ঘুষ খাওয়া লাগবে।”

 

 

উপস্থিত এক ব্যক্তি মোবাইল ফোনে তার এই বক্তব্যের ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করলে মুহূর্তে তা ভাইরাল হয় এবং জনমনে তীব্র ক্ষোভ ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়।

 

 

কর্তৃপক্ষের পদক্ষেপ:

ঘটনাটি ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্তৃপক্ষের নজরে এলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হয়। এএসআই ইলিয়াস হোসেনকে চুনারুঘাট থানা থেকে প্রত্যাহার করে হবিগঞ্জ পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়।

 

 

এ বিষয়ে চুনারুঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম জানান, “ভিডিওটি আমাদের দৃষ্টিগোচর হয়েছে এবং তা ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্ত কর্মকর্তা ইলিয়াস হোসেনকে ইতিমধ্যে ক্লোজড করে পুলিশ লাইনে যুক্ত করা হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ও আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

 

 

অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে এএসআই মোহাম্মদ ইলিয়াস হোসেনের সাথে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।

ট্যাগসঃ

নিউজটি শেয়ার করুন

বিস্তারিত লিখুনঃ

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

‘ঘুষের টাকা দিয়ে পোশাক লাগিয়েছি’: বিতর্কিত মন্তব্যের পর চুনারুঘাট থানার এএসআই প্রত্যাহার

আপডেট সময়ঃ ১২:৫৮:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬

 

 

হকবার্তা ডেস্ক রিপোর্ট;

সুনামগঞ্জ ।। ০৬ অক্টোবর ২০২৬

 

 

“আমি পোশাক লাগিয়েছি ঘুষের টাকা দিয়ে, ঘুষ খাওয়া লাগবে”—সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এক ভিডিওতে হবিগঞ্জের চুনারুঘাট থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মোহাম্মদ ইলিয়াস হোসেনের এমন বিতর্কিত মন্তব্যের পর তাকে প্রত্যাহার (ক্লোজড) করে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে।

 

সোমবার (৫ অক্টোবর) রাত ১১টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন চুনারুঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম।

 

 

ঘটনার পটভূমি:

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি চুনারুঘাট উপজেলার রানীগাঁও বাজারের ব্যবসায়ী নোমান মিয়ার একটি মামলার তদন্তের কাজে সেখানে যান এএসআই মোহাম্মদ ইলিয়াস হোসেন। তদন্ত চলাকালে স্থানীয় লোকজনের উপস্থিতিতে ঘুষ গ্রহণ প্রসঙ্গে প্রকাশ্যে বিভিন্ন মন্তব্য করেন তিনি।

 

 

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে ইলিয়াস হোসেনকে বলতে শোনা যায়, “কিছু রটে দেখেই তো কিছু বটে! কথা বুঝছ না? আমি যদি বলি, আমি পুলিশের দারোগা, আমি ঘুষ খাই না, আমি বায়তুল মোকাররমের ইমাম সাহেব, হইব নাকি? আমি পোশাক লাগিয়েছি ঘুষের টাকা দিয়ে, ঘুষ খাওয়া লাগবে।”

 

 

উপস্থিত এক ব্যক্তি মোবাইল ফোনে তার এই বক্তব্যের ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করলে মুহূর্তে তা ভাইরাল হয় এবং জনমনে তীব্র ক্ষোভ ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়।

 

 

কর্তৃপক্ষের পদক্ষেপ:

ঘটনাটি ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্তৃপক্ষের নজরে এলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হয়। এএসআই ইলিয়াস হোসেনকে চুনারুঘাট থানা থেকে প্রত্যাহার করে হবিগঞ্জ পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়।

 

 

এ বিষয়ে চুনারুঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম জানান, “ভিডিওটি আমাদের দৃষ্টিগোচর হয়েছে এবং তা ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্ত কর্মকর্তা ইলিয়াস হোসেনকে ইতিমধ্যে ক্লোজড করে পুলিশ লাইনে যুক্ত করা হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ও আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

 

 

অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে এএসআই মোহাম্মদ ইলিয়াস হোসেনের সাথে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।